Combined Board সমন্বিত বোর্ড ২০২৬
807টি প্রশ্ন
- 51.
জনাব মুশফিক প্রতিদিন একটি গ্রন্থ পড়েন এবং অন্যদেরকে শিক্ষা দেন। তিনি বলেন, এই গ্রন্থের প্রতিটি অক্ষর পড়ার জন্য দশটি নেকী পাওয়া যাবে। অন্যদিকে তার প্রতিবেশী হাসান আল্লাহকে না দেখে তাঁর উপর বিশ্বাস করে মসজিদে গিয়ে প্রার্থনা করেন এবং নিজ উপার্জিত অর্থ দরিদ্র, অসহায় ও সামাজিক কল্যাণে ব্যয় করেন। তিনি মনে করেন, প্রতিটি মানুষকে মৃত্যুর পর পার্থিব জীবনের হিসাব দিতে হবে।
- 52.
রাসূল (সাঃ) ইন্তিকালের পর সাহাবীগণ খলিফা নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনায় বসলেন। এক পর্যায়ে হযরত ওমর (রাঃ) উঠে দাঁড়ালেন এবং হযরত আবু বকর (রাঃ) কে খলিফা নির্বাচিত করার প্রস্তাব দেন। সকল সাহাবী তার প্রস্তাবকে সমর্থন করলেন। কোহিনুর বেগম স্বামীর মৃত্যুর পর সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে একটি গরু কেনেন। কিছুদিন পর গরুটি মারা যায়। সংসার চালানোর জন্য সে কিছু প্রতিবেশীর কাছ থেকেও টাকা ধার নিয়েছিলেন। এখন সে লজ্জায় ঘর থেকে বের হতে পারেন না, রাতে ঘুমাতেও পারেন না।
- 53.
জনাব আরমান একটি বিশেষ উপাসনা করার জন্য দুটি সেলাইবিহীন সাদা কাপড় পরিধানের সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি নির্দিষ্ট দেশে পৌঁছে নির্দিষ্ট দিনে এবং স্থানে কিছু কাজ সম্পন্ন করেন। অপরদিকে, তার প্রতিবেশী জনাব জাকারিয়া তার সম্পদের হিসাব করে নির্দিষ্ট একটি অংশ এলাকার কিছু দরিদ্র মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ভ্যান ও অটোরিকশা কিনে দেন।
- 54.
অধ্যাপক কামরুল সাহেব বলেন সমাজে এমন কিছু লোক আছে যারা সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং নিজেদেরকে সমাজ সংস্কারক মনে করে। অথচ গোপনে তারাই সন্ত্রাসীদের মদদ দেয়। মূলত, তাদের হৃদয়ে গুরুতর রোগ আছে। অপরদিকে, লাল্টু মিয়া চায়ের দোকানের আড়ালে এমন একটি পণ্য বিক্রি করে যার প্রতি যুবকরা আসক্ত হয়ে পড়েছে। যার ফলে অল্প সময়ে অনেক টাকার মালিক হলেও পারিবারিক অশান্তিতে ভুগছেন।
- 55.
সকালে হাঁটার সময় মিনহাজ রাস্তার উপর কোনো পাথরের টুকরো, কলার খোসা পড়ে থাকতে দেখলে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। অন্যদিকে মাসুদ অফিসে যাওয়ার সময় তার বন্ধুর সাথে দেখা হলে পারস্পরিক কথাবার্তায় গালিগালাজ করে এবং অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে।
- 56.
ড. আবুল হাসান বলেন যে, ৮০ হিজরীতে কুফায় একজন বিখ্যাত মনীষী জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ৪০ জন ফকিহ শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সম্পাদনা পরিষদ গঠন করেন। এই পরিষদ ৮৩ হাজার মাসআলা সম্বলিত একটি অনন্য গ্রন্থ রচনা করে। তার এ বক্তব্য শোনার পর ড. আশরাফ বলেন, “তাদের গবেষণা কাজ মুসলমানদের দৈনন্দিন জীবনে ইসলামি শরিয়াহ চর্চাকে সহজতর করেছে।
- 57.
জনাব সালমান একটি ইবাদত করতে দিনে ৫ বার একটি নির্দিষ্ট স্থানে যান। তিনি বলেন, এটি আমার জান্নাতের চাবিকাঠি। অন্যদিকে, আত্মশুদ্ধির জন্য জনাব জুবায়ের ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত না খেয়ে একটি ইবাদত পালন করেন।
- 58.
শিক্ষক ইসলাম শিক্ষার ক্লাসে পবিত্র কুরআনের একটি আয়াত উল্লেখ করেন, “এবং যখন তাদের বলা হয়, লোকেরা যেভাবে ইমান এনেছে তোমরাও সেভাবে ইমান আন। তারা বলে, আমরা কি বোকাদের মত ইমান আনব?” একজন শিক্ষার্থী বলল, স্যার, কুরআনে বলা হয়েছে, “নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে খলিফা সৃষ্টি করতে চাই। তারা বলল, আপনি কি সেখানে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যে সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে এবং রক্তপাত করবে?”
- 59.
রফিকুল একজন আম ব্যবসায়ী। বাগান থেকে আম কেনার সময় তিনি কোনো কৃত্রিম স্প্রে ব্যবহার করেন না। তার কিছু আম পচে গিয়ে লাভ কম হয়। এছাড়া আম বিক্রির সময় তিনি আমের জাতের সঠিক তথ্য দেন। অন্যদিকে, তার প্রতিবেশী শামীম প্রতিবছর বৃক্ষমেলা থেকে বিভিন্ন জাতের চারা কেনেন এবং রাস্তার দুই পাশে রোপণ করেছেন। এখন তিনি একজন বৃক্ষপ্রেমী হিসেবে সমাজে পরিচিত।
- 60.
ইয়াবার বৈধতা নিয়ে হারুন ও আলীমের মধ্যে আলোচনা চলছিল। সামাদ বলল, ইয়াবা বৈধ। কারণ কুরআন এবং হাদিসে কোথাও ইয়াবা নিষিদ্ধের কথা নেই। অন্যদিকে আলীম বলল, ইয়াবা অবৈধ। কারণ মদের মধ্যে যে বৈশিষ্ট্য আছে। ইয়াবার মধ্যেও তা আছে। দুজনের কথা শুনে ইমাম সাহেব বললেন, আলীমের কথাই সঠিক। কেননা মহান আল্লাহ বলেন—“হে বিচক্ষণ জ্ঞানিগণ! তোমরা গভীর চিন্তা ভাবনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ কর।”
- 61.
হুমায়ন এক ওয়াজ মাহফিলে একজন মনীষীর সত্যবাদিতা সম্পর্কে অবহিত হন। বাগদাদে লেখাপড়া শিখতে যাওয়া উক্ত মনীষীর সত্যবাদিতায় মুগ্ধ হয়ে একদল ডাকাত তাদের ডাকাতি ছেড়ে দেয়। হুমায়ন উক্ত মনীষীর জীবনী থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে শরিয়তের বিধি-বিধান পালন শুরু করেন। একদিন তার প্রতিবেশী তাকে বললেন, শরিয়তের কিছু বিধি-বিধান পালন করলে হবে না। আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরো কিছু করা প্রয়োজন।
- 62.
কুষ্টিয়ার গড়াই নদীর তীরবর্তী রাস্তা অনেক উঁচু ও প্রশস্ত। কারণ বর্ষাকালে গড়াই নদীর পানি বেড়ে গিয়ে প্লাবন সৃষ্টি করে এবং জনসাধারণের চাষাবাদের সমস্যার পাশাপাশি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। তাই সরকার নদীর তীরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে এলাকাবাসীর দুর্দশা লাঘব ও কৃষির উন্নয়নে ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কুমারখালীর তাঁতশিল্পের বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সুখ্যাতি রয়েছে। এছাড়াও মৃৎশিল্প, কুটিরশিল্পসহ ছোট বড় অনেক কলকারখানা এখানে গড়ে উঠেছে। যা দেশের অর্থনীতিতে গতিশীল ভূমিকা রাখছে।
- 63.
প্রাচীন ভারতের অধিবাসীরা শিক্ষা-দীক্ষায়, আচার আচরণে বেশ উন্নত ছিল। তবে নিম্ন শ্রেণির লোকেরা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা হতে বঞ্চিত হতো। ধনী শ্রেণির লোকেরা অভাবী লোকদের চড়াসুদে ঋণ দিত। যা পরিশোধ করতে না পারলে ধনীরা তাদের স্ত্রী-কন্যাদের দখল করে নিত। স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক জনাব আফসার উদ্দিনের নিকট দরিদ্র কৃষক ফজলু মিয়া বিচার দিলে তিনি বললেন, সমাজে প্রচলিত এ বিষয়টি একপ্রকার জুলুম। এটি কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলে প্রতি বছর বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মেলার আয়োজন করা হতো। এই মেলায় কবি সাহিত্যিকদের নতুন নতুন বই ও কবিতার বই প্রকাশিত হতো। শিশু-কিশোর ও কবি সাহিত্যিকগণ বিভিন্ন কবিতা ও সাহিত্য আবৃত্তি করতেন। - 64.
ঘটনা-১ : মাওলানা বুরহান উদ্দিন ইসলামি আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁর এলাকা খাদিমগরে ইসলাম প্রচারের কাজ শুরু করেন। কিন্তু এলাকার প্রভাবশালী জাকির চেয়ারম্যান ও তার লোকজনসহ অনেকেই ইসলাম প্রচারে বাধা সৃষ্টি করে। তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণ তো করেইনি, উপরন্তু মাওলানা বুরহান উদ্দিন ও তাঁর সঙ্গীদের উপর অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। অতঃপর বাধ্য হয়ে তিনি পার্শ্ববর্তী সুলেমাননগরে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই তিনি দ্বীন ইসলামের প্রচার কাজ চালাতে থাকেন।
ঘটনা-২ : অবশেষে মাওলানা বুরহান উদ্দিন জাকির চেয়ারম্যান ও তার লোকজনকে পরাজিত করে খাদিমগরে ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তখন এই এলাকার অধিবাসীরা জীবনের ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু তিনি কোন প্রকার প্রতিশোধ না নিয়ে সকলকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। - 65.
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যুদ্ধের গতি-প্রকৃতি প্রথমে নবাবের পক্ষেই ছিল। কিন্তু নবাবের সেনাবাহিনীর একজন সুদক্ষ সৈনিক কিছু সংখ্যক সৈন্যসহ যুদ্ধের ময়দান থেকে সরে পড়েন। ফলে নবাবের বাহিনী কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। তারপরও নবাব বাহিনী যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিলেন। যুদ্ধ বিরতি শুরু হয়। বিরতির পর নবাব বাহিনীর অধিনায়ক দলের প্রত্যেকে যার যার অবস্থানে থেকে সর্বশক্তি দিয়ে যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে উৎসাহ প্রদান করেন। নবাব বাহিনী যখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে তখন কিছু সংখ্যক সৈনিক ব্যক্তিগত সুবিধা ও বিজয়ের আনন্দে যুদ্ধে অমনোযোগী হয়ে পড়ে। তাদের এহেন খামখেয়ালীর সুযোগে ইংরেজ বাহিনী কৌশলী আক্রমণের সাহায্যে বিজয় ছিনিয়ে নেয়!
- 66.
ঘটনা-১ : ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতবর্ষে অসংখ্য মাজার গড়ে উঠে, যা মুসলমানদের শিরকের দিকে ধাবিত করতে থাকে। এই মাজারগুলোকে কেন্দ্র করে ভণ্ড পীরদের আস্তানা গড়ে উঠে। যারা মাজারে শায়িত দরবেশের আধ্যাত্মিক ক্ষমতার গুণকীর্তন করে বিভিন্নভাবে অর্থ উপার্জন করে। মূলত এরা ছিল মাজার পূজারী ও ধর্মব্যবসায়ী।
ঘটনা-২ : ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে আধুনিক বিশ্বের গণতন্ত্রের সূতিকাগার বলা হয়। তাদের আইনসভাটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট। উচ্চ কক্ষ হাউজ অব কমন্স, নিম্নকক্ষ হাউজ অব লর্ডস। মূলত হাউজ অব কমন্সে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেন। অপরদিকে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত হাউজ অব লর্ডসের সদস্যগণ দেশের সার্বিক বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করে সুচিন্তিত মতামত দেন। - 67.
ঘটনা-১ : হাজী কমর উদ্দিন জনগণের সমর্থনে 'ক' রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেন। এদের সকলেই যোগ্য হলেও তারা ছিলেন কমর উদ্দিন সাহেবের নিকটাত্মীয়। ফলে কিছুদিনের মধ্যে জনসাধারণের একটি অংশ তাঁর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, কোষাগারের অর্থ আত্মসাৎ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বেশ কিছু অভিযোগ উত্থাপন করে। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে কোরআন পোড়ানোর অভিযোগও আনা হয়।
ঘটনা-২ : আফগানিস্তানের স্বৈরাচারী শাসক নজিবুল্লাহ বুরহান উদ্দিন রব্বানীকে হুমকি মনে করে নির্বাসনে যেতে বাধ্য করেন। কেননা জনাব রব্বানী গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য জনগণকে সুসংগঠিত করে আন্দোলনের ডাক দেন। - 68.
মুঘল আমলে ভারতবর্ষে ফারসি ভাষায় সরকারি কার্যাবলি পরিচালিত হতো। কিন্তু ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি ক্ষমতা দখলের পর ইংরেজি ভাষা চালু করে। ভারতে তারা ইংরেজি শিক্ষার স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা করে, অফিস আদালতসহ সবখানে ইংরেজি ভাষা চালু করা হয়। ফলে ভারতের মুসলমানদের একটি বৃহৎ অংশ ইংরেজি না জানার কারণে চাকুরি হারান। দিল্লির বাদশাহ নাসির উদ্দিন সহজ-সরল ও অনাড়ম্বর জীবন-যাপন করতেন। তিনি ব্যক্তিগত ও সাংসারিক প্রয়োজনে সরকারি কোষাগার হতে কোনো অর্থ খরচ করতেন না। তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের আদর্শ অনুসরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করতেন। ধর্মভীরু শাসক হলেও পরধর্মের প্রতি তিনি সহনশীল ছিলেন। তিনি অমুসলিমদের উপর থেকে করের বোঝা কমিয়ে দিয়ে নানা রকম সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দেন।
- 69.
সুলতান সুলাইমান এর সিংহাসনারোহণ বিভিন্ন কারণে বিখ্যাত হয়ে আছে। তাকে মহামতি সুলাইমানও বলা হয়। সিংহাসনে আরোহণের পর তিনি প্রথমেই রাজ্য জয়ে মনোনিবেশ করেন। কতিপয় যোগ্য সেনাপতির সাহায্যের কারণেই তাঁর পক্ষে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ইব্রাহিম পাশা ও খায়রুদ্দিন বারবারোসার নাম অগ্রগণ্য। তিনি এশিয়ার পারস্যসহ ইউরোপের হাঙ্গেরি, বেলগ্রেড, ভিয়েনা ও রোডস অধিকার করেন। এভাবে তিন মহাদেশব্যাপী তাঁর সাম্রাজ্য বিস্তৃত করার পাশাপাশি ভূমধ্যসাগরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন。
- 70.
দৃশ্যকল্প-১ : শাহ আব্বাস ছিলেন শাফাভী বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক প্রজাবৎসল, জনদরদী এই শাসক জনগণের অবস্থা স্বচক্ষে দেখার জন্য রাতের অন্ধকারে ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াতেন। জনসাধারণের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নতি সাধনে তিনি নিরলস কাজ করতেন। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ তাঁর অন্যতম অবদান। এছাড়াও প্রজাদের পানীয় জলের সুবিধার জন্য অনেক খাল খনন করেন।
দৃশ্যকল্প-২ : জ্ঞানবিজ্ঞানের চর্চার জন্য ঢাকায় এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রাচীন গ্রন্থাবলি এখানে সংরক্ষণ করা হয় এবং জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিগণ সেগুলোকে অনুবাদের ব্যবস্থা করেন। এই প্রতিষ্ঠানটি নতুন নতুন গবেষণার কাজেও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে。 - 71.
যুবরাজ সাহান উত্তরাধিকারী সূত্রে পিতার সিংহাসনে আরোহণ করেন। সিংহাসনে বসেই তিনি নানান সংকটে পতিত হন। বয়সে নবীন হলেও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দ্বারা তিনি সকল বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতার অবসান ঘটিয়ে দেশকে শক্তিশালী ও সুসংহত করেন। তাঁর দক্ষ পরিচালনায় দেশ কৃষি, শিল্প, সাহিত্যসহ সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নতি লাভ করে। তাঁর রাজধানী ছিল তিলোভমা নগরী। তিনি রাজধানীতে স্ত্রীর প্রতি ভালবাসার নিদর্শন স্বরূপ একটি সুন্দর প্রাসাদ নির্মাণ করেন। এটিকে সেযুগের বিস্ময় বলা হতো। তাঁর নির্মিত প্রাসাদ, গৃহ, অট্টালিকা, উদ্যান, প্রস্রবণ প্রভৃতির সৌন্দর্য দেশি-বিদেশি পর্যটকদের মুগ্ধ করত。
- 72.
জনাব শাহেদ আলী 'ক' রাষ্ট্রের শাসক ছিলেন। তিনি দীর্ঘসময় রাষ্ট্র পরিচালনা করে তাঁর রাজ্যকে স্বর্ণময় করে গড়ে তোলেন। বিদ্রোহ দমন, রাজ্যজয়, শাসনসংস্কার, রাজস্ব বিভাগের পুনর্বিন্যাস প্রভৃতি ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে তিনি তাঁর রাজবংশের শ্রেষ্ঠ শাসকে পরিণত হন। দূরদর্শী ও মেধাবী এই শাসক অনেক রাজ্য জয় করলেও আলমগর রাজ্য জয় তাঁকে ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় করে রেখেছে। তাঁর সেনাপতি আবরার তথায় একটি সুন্দর নগরী প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে জনাব শাহেদ আলী সেখানে তাঁর রাজধানী স্থানান্তর করেন。
- 73.
উদ্দীপকের রেখা দুইটির মধ্যবর্তী দূরত্ব কোনটি?
- 74.
(i) নং রেখাটি অক্ষদ্বয়ের সাথে যে ত্রিভুজ গঠন করে তার ক্ষেত্রফল কত?
- 75.
f(x)f(x) এর গরিষ্ঠমান কত?
- 76.
উদ্দীপকের বৃত্তের সমীকরণ কোনটি?
- 77.
উদ্দীপকের বৃত্তটির যে স্পর্শক x-অক্ষের সমান্তরাল উহার সমীকরণ কোনটি?
- 78.
এবং
- 79.
9 টা 20 মিনিটের সময় ঘড়ির ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম কোণ কত ডিগ্রি?
- 80.
- 81.
হলে = ?
- 82.
- 83.
= ?
- 84.
দৃশ্যকল্প-১ : 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 গণিতে ব্যবহৃত ১০টি অঙ্ক।
দৃশ্যকল্প-২ : - 85.
একটি ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 3, 5, 7 একক হলে—
i. ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = বর্গ একক
ii. ত্রিভুজটির পরিব্যাসার্ধ = একক
iii. ত্রিভুজটির ক্ষুদ্রতম কোণ নিচের কোনটি সঠিক? - 86.
চিত্রে BC ব্যাসের উপর BDC একটি অর্ধবৃত্ত এবং CEBA একটি বৃত্তকলা।
- 87.
limx→∞3x2−7x+56x2+5x+3=কত?\lim_{x \to \infty} \frac{3x^2 - 7x + 5}{6x^2 + 5x + 3} = \text{কত?}
- 88.
চিত্রে △ এর অন্তঃকেন্দ্র .
- 89.
হলে = ?
- 90.
দৃশ্যকল্প : .
- 91.
যদি হয় তবে হবে—
- 92.
দৃশ্যকল্প-১ : .
- 93.
বক্ররেখার x=1x = 1 বিন্দুতে অভিলম্বের সমীকরণ কোনটি?
- 94.
= ?
- 95.
চিত্রের ছায়াঘেরা অংশের ক্ষেত্রফল কত?
- 96.
A=[1001],B=[1612],X=[xy]A = \begin{bmatrix} 1 & 0 \ 0 & 1 \end{bmatrix}, B = \begin{bmatrix} 16 \ 12 \end{bmatrix}, X = \begin{bmatrix} x \ y \end{bmatrix} এবং 4AX=B4AX = B হলে (x,y)=কত?(x, y) = \text{কত?}
- 97.
∣ নির্ণায়কটির মান কত?
- 98.
যদি হয়, = ?
- 99.
'a' এর মান কত হলে এবং ভেক্টরদ্বয় পরস্পর লম্ব হবে?
- 100.
6 বাহুবিশিষ্ট বহুভুজের কৌণিক বিন্দুগুলো সংযোগে কয়টি কর্ণ আঁকা যাবে?