Barishal Board বরিশাল বোর্ড ২০২১
652টি প্রশ্ন
- 1.
একজন ভোক্তার X দ্রব্য ভোগের পরিমাণ ও প্রাপ্ত উপযোগের তথ্য নিম্নরূপ—
- 2.
বাজারের প্রতি কেজি আমের দাম যখন ১০০ টাকা, তখন চাহিদার পরিমাণ ছিল ১৫ কেজি। একই সময়ে প্রতি ডজন কলার দাম ৯০ টাকা এবং চাহিদা ২০ ডজন ছিল। আমের দাম হ্রাস পেয়ে প্রতি কেজি ৭০ টাকা হলো এবং চাহিদা বৃদ্ধি পেয়ে ৩০ কেজি হলো। কলার দামের কোনো পরিবর্তন হলো না অথচ চাহিদা হ্রাস পেয়ে ১৫ ডজন হলো।
- 3.
X দ্রব্যের চাহিদা ও যোগান অপেক্ষক নিম্নরূপ—
Dx = 32 - 3P
Sx = 8 + 2P - 4.
মি. X একজন কৃষক। তিনি ২ একর জমিতে ৫ জন শ্রমিক দিয়ে ধান চাষ করেন ৫০ মণ। পরবর্তীতে শ্রমিক বাড়িয়ে যথাক্রমে ৬ ও ৭ জন হলে ধানের উৎপাদন দাঁড়ায় ৬৫ ও ৭২ মণ। এই প্রক্রিয়ায় তিনি লাভবান হতে পারছিলেন না। তাই তিনি ধান চাষের জন্য শ্রমিক বৃদ্ধির পাশাপাশি জমির পরিমাণ বৃদ্ধি ও ট্রাক্টরের ব্যবহার শুরু করেন। এর ফলে তার ধান উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেল এবং লাভবান হলেন।
- 5.
- 6.
একটি মোটরসাইকেল তৈরি কারখানার উৎপাদন ও ব্যয়ের তথ্য নিম্নরূপ—
- 7.
মি. রফিক X বাজারে গিয়ে দেখলেন অনেক বিক্রেতা সমজাতীয় পণ্য একই দামে বিক্রি করছেন। ক্রেতাগণ কোনো প্রকার দরকষাকষি না করে নির্ধারিত দামে পণ্য ক্রয় করছেন। রফিক সাহেব একটি পণ্যের ৩ একক ক্রয় করলেন। রফিক সাহেব Y বাজারে গিয়ে দেখলেন কোথাও সমজাতীয় পণ্য নেই। নির্ধারিত দামের অস্তিত্ব নেই। সব বিক্রেতাই ভিন্ন ভিন্ন পণ্য বিক্রি করছেন। রফিক সাহেব দরকষাকষি করে T পণ্যের ২ একক ক্রয় করলেন। এমন সময় বশির মিয়া যেখানে এলেন। বশির মিয়া বিক্রেতার কাছে T পণ্য ৬ একক ক্রয়ের আগ্রহ দেখালেন। বিক্রেতা রফিক সাহেবের তুলনায় কম দামে ৬ একক T পণ্য বশির মিয়ার কাছে বিক্রি করলেন। এই পরিস্থিতিতে রফিক সাহেব হতবাক হয়ে গেলেন।
- 8.
- 9.
আরিফ ও মাসুদ দুটি আলাদা ব্যাংকে চাকরি করেন। আলাপকালে আরিফ বলল আমাদের ব্যাংক আমানত গ্রহণের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে একত্রিত করে। সেই আমানত হতে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, কৃষকসহ সকলকে ঋণ সরবরাহ করি। এভাবে আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখি। তার জবাবে মাসুদ বলল আমাদের ব্যাংক সরকারের পরামর্শে নতুন নোট ছাপায়। অন্যান্য ব্যাংকের ঋণদান কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। অন্যান্য ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ দেনা-পাওয়া পরিশোধ করে। আর্থিক বিভিন্ন বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিয়ে থাকে। এছাড়াও নানাবিধ কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে।
- 10.
মি. M একজন গবেষক। তিনি লক্ষ করলেন, বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় কিছু মানুষ যেমন- কৃষক, দেনাদার, করদাতা, ফটকা কারবারীরা আনন্দিত হলো। অন্যদিকে কিছু মানুষ যেমন- পাওনাদার, শ্রমিক, সঞ্চয়কারীরা হতাশ হয়ে পড়লেন। কারণ তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেল। তিনি তখন অর্থের মূল্য ও দামস্তর নিয়ে একটি চিত্র অঙ্কন করলেন। চিত্রটি নিম্নরূপ—
- 11.
মি. N একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে পণ্য ক্রয়- বিক্রয় করছেন। কিছুদিন আগেও তাকে ব্যবসার জন্য নগদ টাকা নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাতায়াত করতে হতো। এর ফলে তিনি অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতেন। কিন্তু এখন তিনি এক নতুন ব্যাংকিং পদ্ধতির সাথে জড়িত। তাকে আর নগদ অর্থ বহন করতে হয় না। অথচ দ্রুততার সাথে অর্থের লেনদেন করতে পারেন। প্রয়োজনে তার স্বল্প টাকা কোনো মুদির দোকান বা অন্য কোনো দোকানে গিয়ে নিরাপদে জমা রাখতে পারেন। এমনকি দেশের যেকোনো এলাকা থেকে তার গ্রামের বাড়িতে সহজেই টাকা পাঠাতে পারেন।
- 12.
মি. রুবেল বাংলাদেশ থেকে চীনে ডাক্তারি পড়তে যায়। সে দেখতে পায় চীনে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা হলেও কোনো অভাব নেই। কাজের জন্য মানুষের কোনো হাহাকার নেই। আবাল বৃদ্ধ বনিতা সকলেই কর্মে নিয়োজিত। নিজ উদ্যোগে সবাই বিভিন্ন জিনিস তৈরি। করছে। তবে সবাই প্রশিক্ষিত এবং সবাই শিক্ষিত। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগের নেই কোনো ঘাটতি। সবাই কাজের উপযুক্ত মূল্যও পাচ্ছে। রুবেল চিন্তা করে তার দেশেও যদি শিক্ষা, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন, 'যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটানো যেতো তাহলে জনসংখ্যা সমস্যা না হয়ে সম্পদে পরিণত হতো। অবশ্যসরকার বর্তমানে অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
- 13.
'X' একটি উন্নয়নশীল দেশ। উন্নয়নের প্রাথমিক পর্যায়ে দেশটি তার অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুতকরণ, লেনদেনের প্রতিকূলতা মোকাবেলা, দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণ করে। কিন্তু বৈদেশিক সাহায্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্তযুক্ত ঋণ, উচ্চ সুদের হার, সাহায্য। প্রাপ্তির অনিশ্চয়তা, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ইত্যাদি কারণে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়। তাই দেশটির উন্নয়ন, ধারাকে অব্যাহত রাখতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধির জন্য বৈদেশিক বাণিজ্য। প্রসারে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়। যেমন- দক্ষতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ। বৃদ্ধি, উৎপাদন বৃদ্ধি, জনশক্তি রপ্তানি ইত্যাদি। বর্তমানে দেশটি স্ব- অর্থায়নে উন্নয়নের বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছে।
- 14.
কানিজ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। তার বাবা, মা শিক্ষিত এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। কানিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা। শেষে দুই বছর বিভিন্ন চাকরির চেষ্টা করে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত চাকরি না পাওয়ায় বাড়িতে চলে আসে। সে তার বাবাকে বোঝায় যে গ্রামের। কর্মহীন ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিক নিয়ে, ৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে একটি বুটিক কারখানা স্থাপন করতে চায়। সে তখন গ্রামের বেকার যুব সমাজকে প্রশিক্ষিত করে তুলবে। ফলে বেকার ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থান হবে, কারো চাকরি পাওয়ার ঝামেলা হবে না। সে নিজেও আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। তাছাড়া মেয়েদের উদ্যোগ গ্রহণে সরকার সহায়তা করে। এভাবে সে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে। তার বাবা মা বিষয়টি উপলব্ধি করে উৎসাহের সাথে অর্থ ও অন্যান্য সহায়তা করতে রাজি হন।
- 15.
মি. 'X' কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলো। বেশ কয়েক বছর পর সে দেশে ফিরে আসে। সে দেখে বাংলাদেশের অনেক উন্নতি হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সময়মতো বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কৃষিক্ষেত্রে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়। সেচ ছাড়া কোনো ফসল হয় না। সময়ে, অসময়ে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হয়। সে মনে করে কৃষক সচেতন হলে, জৈব সার ব্যবহার করলে ও রাসায়নিক সার কম ব্যবহার করলে হয়তো এসব সমস্যা হ্রাস পেতে পারে ।
- 16.
মি. মুহিম পড়ালেখা শেষে তার গ্রামের বাড়িতে গেল। সে উঠানে একটি গর্ত খুড়ে সেখানে পলিথিন বিছিয়ে পানি দিয়ে চৌবাচ্চা তৈরি করে এবং শিং মাছ চাষ শুরু করে। কয়েকদিনের মধ্যে মাছগুলো বড় হতে থাকে। খাদ্য ও অন্যান্য উপকরণের জন্য সে অর্থাভাবে পড়ে। মুহিম তখন নিকটস্থ কৃষি ব্যাংকের সাথে ঋণের জন্য যোগাযোগ করে। কিন্তু ঋণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি না থাকায় ব্যাংক ঋণ দেয় না। তখন সে গ্রাম্য মহাজনের নিকট যায়। মহাজন ঋণ দিতে চায় কিন্তু অধিক সুদের হার হওয়ায় সে মহাজনের ঋণ গ্রহণ করে না। মুহিম চিন্তা করে সরকার যদি ঋণ সরবরাহ উপকরণ ভর্তুকি ও বাজারজাতকরণে সহায়তা করতো, তাহলে তার মতো ভূমিহীনরাও কৃষি উন্নয়নে অবদান রাখতে পারতো।
- 17.
বাংলাদেশ বর্তমানে মধ্যম আয়ের দেশ। বিভিন্ন খাতের মতো কৃষির অবদান যথেষ্ট। আগে অধিকাংশ জমি ছিল এক ফসলি। এখন কোনো জমি পতিত নেই। প্রতিটি জমিতে বছরে তিন/চার ফসলও উৎপন্ন হয়। আলুর সাথে মিষ্টিকুমড়া ও ভুট্টা হয়। ফলে কৃষকের আয় বাড়ছে, নতুন কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়ছে, কৃষকের চাহিদা পূরণ হচ্ছে। সরকার ও কৃষকের জন্য আর্থিক প্রণোদনাসহ বীজ, কীটনাশক সরবরাহ করে কৃষকদের সহায়তা করছে।
- 18.
মি. 'B' ইংল্যান্ড প্রবাসী। সে পঞ্চগড় জেলার বাসিন্দা। বেশ কয়েক বছর পর দেশে বেড়াতে আসে। পঞ্চগড়ে এসে সে খুব খুশি হয়। কারণ তার জেলাতেও কয়েকটি পাটকল স্থাপিত হয়েছে। লোকজনের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। কিন্তু সে লক্ষ করে পাটকলগুলো পাট পাচ্ছে না এবং উৎপাদন খরচের তুলনায় পাটজাত পণ্যের দাম কম। দক্ষ শ্রমিকের অভাব ও গ্যাসের সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন খরচ বেশি হয়। সে মনে করে এই শিল্পের জন্য সরকারের ভর্তুকি প্রদান, শ্রমিক প্রশিক্ষণ ও গ্যাস সরবরাহের মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। যাতে করে বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার হয়।
- 19.
গোলাপ ছোটবেলা থেকে ঢাকা শহরে বসবাস করে। এবার সে তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে বেড়াতে যায়। সে দেখে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ গরিব এবং কৃষক। কৃষকদের দরিদ্রতার কারণ খুঁজতে গিয়ে তিনি দেখলেন গ্রামে অনেক ছোট ছোট শিশু। প্রায় প্রতিটি পরিবারেই মায়ের কোলে একজন শিশু। অনেকের একাধিক স্ত্রী। পরিবারগুলোতে সবসময় ঝগড়া, কলহ লেগে আছে। তার মনটা খারাপ হয়ে যায়। সে ভাবে এই লোকগুলোকে বোঝানো গেলে এবং মহিলাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হলে হয়তো এত শিশু জন্মগ্রহণ করতো না এবং গ্রামের লোকের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হতো।
- 20.
রহিম SSC পাস করার পর পড়ালেখা করেনি। তার পারিবারিক অবস্থাও ভালো নয়। সে চিন্তা করে তার বাবাকে সাহায্য করা উচিত। তাদের নিজস্ব জমিজমাও নেই। রহিম পাশের গ্রামের বন্ধুর বাড়ির পাশে একটি ফুলের নার্সারি দেখতে যায়। মালিকের সাথে আলাপ করে জানতে পারে, নার্সারিতে তার ভালো মুনাফা হয়। রহিম নার্সারি করতে উৎসাহিত হয়। কিন্তু তার কোনো মূলধন নেই। জমি এবং প্রশিক্ষণও নেই। সে বিষয়টি নিয়ে তার গ্রামের স্কুলের শিক্ষকের সাথে আলোচনা করে। শিক্ষক জানান যে, সরকার বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে হাঁস-মুরগি পালন, মাছ চাষ ইত্যাদি ক্ষেত্রে ঋণ দিচ্ছে। বিষয়টি শুনে রহিম আনন্দিত হয়।
- 21.
বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ। এদেশের জনগণ দেশের উন্নয়নে বন্ধপরিকর। এদেশের প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে জনগণ ক্রমান্বয়ে বেশি হারে উৎপাদন করছে। অনেকক্ষেত্রেই প্রয়োজনের বেশি উৎপাদন হচ্ছে। এই উদ্বৃত্ত উৎপাদন রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। সে আয়ের সাহায্যে উৎপাদনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি করা হচ্ছে। এভাবে বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের সাথে সাথে কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় হ্রাস ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অধিকতর সম্প্রসারণ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। অবশ্য সরকার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যেমন- EPZ স্থাপন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, বিনিয়োগকারীদের সহায়তা প্রদান ইত্যাদি।
- 22.
স্বাধীনতার পর বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয়, প্রাকৃতিক সম্পদের উত্তোলন ও ব্যবহার, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল ছিল। তখনকার প্রেক্ষাপটে তা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার বৈদেশিক সাহায্য ও ঋণ ছাড়াই পদ্মা সেতুর মতো একটি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। কারণ বৈদেশিক সাহায্যে অনেক অসম্মানজনক শর্ত থাকে, ঋণের সুদের হার বেশি হয়, মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়, পরমুখাপ্রেক্ষিতা বৃদ্ধি পায়। অনেক সময় তা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার প্রতি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
- 23.
দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী শাফিন ক্লাস শেষে তার সহপাঠী ফেরদৌসকে বলল, পবিত্র কুরআনের অনেক সূরায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে ইহুদি ও মুনাফিকদের নানা চক্রান্তের বিষয় যেমন উল্লেখ রয়েছে, তেমনি শান্তি প্রতিষ্ঠায় পারস্পরিক লেনদেন, ব্যবসায় বাণিজ্য, বিচারব্যবস্থা দণ্ডবিধি ইত্যাদি বিষয়ের বর্ণনা করা হয়েছে। তখন ফেরদৌস বলল, কখনো এক বা একাধিক আয়াত, কখনো একটি সূরা অবতীর্ণ হয়ে কুরআনের অবতরণ পূর্ণতা লাভ করেছে। এভাবে পবিত্র কুরআন মানবজাতির নিকট সহজবোধ্য একটি ঐশীগ্রন্থ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।
- 24.
তাজুল ইসলাম তার দুই প্রতিবেশীর মধ্যে কথা লাগালাগি করে প্রচণ্ড ঝগড়া বাঁধিয়ে দিল । সাইফুল এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে বললে প্রত্যুত্তরে তাজুল বলল, আমিতো শান্তি স্থাপনকারী মাত্র। তাদের বন্ধু বিপ্লব সব শুনছিল। সে বলল, রাখ তোর কুরআন, আল্লাহ আর পরকাল । আমি এর কোনোটাই বিশ্বাস করি না। আমার কোনো চিন্তা নেই । আমার যা মনে আসে তাই করি।
- 25.
মাসুদ একজন খুচরা আলুর ব্যবসায়ী। অন্যরা ভালো ভালো আলু সাজিয়ে উপস্থাপন করলেও তিনি ছোট-বড় আলু মিশ্রিত অবস্থায় সামনে রেখেছেন। মেপে দেওয়ার সময় খুব সতর্কতার সাথে মাপেন যেন ওজনে কম না হয়। ক্রেতাদের সাথে সুন্দর আচরণ করেন। ক্রেতার ভিড়ও বেশি। মাহতাব সাহেব রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় পথের ওপর পড়ে থাকা আমের ছোলা নিজ হাতে তুলে বাইরে ফেলে দিলেন। হঠাৎ একটি সিনেমার অশ্লীল পোস্টার দেখে মাহতাব সাহেব লজ্জায় দৃষ্টি নিচু করে দ্রুত চলে গেলেন।
- 26.
সুমন ও মনির দুজনই এক এলাকার বাসিন্দা। সুমন বলল, পৃথিবীতে এমন একজন শাসক ছিলেন যিনি তার সৈন্য বাহিনী নিয়ে সাগরে ডুবে মারা যান। অপরদিকে, মনির বলল, ওই শাসকের বাড়িতেই একজন প্রসিদ্ধ রাসুল শিশুকালে লালিত পালিত হয়েছিলেন।
- 27.
ভর দুপুর। রাশেদ সাহেব অফিসে বসে পরিবারের কথা ভাবছিলেন দশ সদদ্যের সংসার। আয় যা করেন কোনোমতে মাস চলে। দুশ্চিন্তা মেয়ের বিবাহ নিয়ে। এমন সময় স্থানীয় বহু জমিজমার এক মালিক জমির খাজনা দিতে আসলেন। কাগজপত্রে বেশকিছু অসুবিধা থাকায় লোকটি পঞ্চাশ হাজার টাকার খাজনা দেওয়ার জন্য বিশ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিতে চাইলেন। রাশেদ সাহেব বিনয়ের সাথে তা নিতে অস্বীকার করলেন। বললেন, এ কাজ আমার দায়িত্ব। আপনি বৈধ কাগজে নিয়ে আসুন, আমি দাখিলা কেটে দিব। আমার কাজের বিনিময়ে সরকার যে বেতন দিচ্ছে তাতেই আমি খুশি। সাথি তার বান্ধবী লিজার সাথে দেখা হলে খুব লজ্জাজনক ভাষায় কথা বলল। । অন্য আরেক বান্ধবীর সাথেও অনুরূপ আচরণ প্রকাশ করে। একারণে বান্ধবীরা সাথীকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেছে। ফলে ধীরে ধীরে সাথি একা হয়ে পড়েছে । এতে সে মোটেও বিচলিত নয় ।
- 28.
রিফাত ঈদের টাকা জমিয়ে কিছু গাছের চারা ক্রয় করেছে। বাড়ির নিকট নতুন রাস্তার পাশে চারাগুলো রোপণ করছে। এক পথচারী বলল, এখানে গাছ লাগিয়ে লাভ কী? এর ফল কি তুমি ভোগ করতে পারবে? রিফাত বললেন, আমি না খেলেও মানুষ, পশুপাখি খাবে। তাতেই আমার লাভ হবে। অন্যদিকে, আঃ করিম সাহেব বাড়ি নির্মাণের জন্য ব্যাংকে সম্পত্তি বন্ধক রেখে টাকা নিলেন ।
- 29.
তালহা একটি ইবাদাত পালনের জন্য প্রতিদিন পাঁচবার মসজিদে গমন করেন। ইবাদাতটি তাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সহযোগিতা করে। পাপকাজ থেকে বিরত রাখে। অন্যদিকে, রাহিক ওয়াজ শুনতে গিয়ে জানতে পারল ৮০ হিজরিতে একজন ইমাম কুফায় জন্মগ্রহণ করেন । যার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ফিক্হশাস্ত্র গড়ে ওঠে। ইমাম আবু ইউসুফ, ইমাম মুহাম্মদসহ বহু মুজতাহিদ আলেম তাঁর ছাত্র ছিলেন।
- 30.
মামুন একজন রিকশাচালক। দীর্ঘতম দিন ও প্রচুর গরমের মধ্যে সে আল্লাহর একটি হুকুম পালন করতে সুবহে সাদিক হতে রাত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত আছে। সে জানে এটি একমাত্র ইবাদাত, যার পুরস্কার আল্লাহ নিজ হাতে দিবেন। সাকিব একটি বই পড়ে জানতে পারল যে, রাসুল (সা.)-এর পূর্বেকার যুগে ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত বা মুস্তাহাব নামে কোনো পরিভাষা ছিল না। যদিও কুরআন-হাদিসের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিল শব্দগুলো। পরবর্তীতে ইসলামি সাম্রাজ্যের বিস্তার লাভ করে। তখন শরিয়ত পালন অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। হিজরি দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় শতাব্দীর মধ্যে কিছু মুজতাহিদ আলেমগণ কুরআন-হাদিসের আলোকে এবং কিয়াস ও ইজমার ভিত্তিতে কিছু ফতোয়া বা সিদ্ধান্ত দেন। তা একটি স্বতন্ত্র শাস্ত্রে পরিণত হয় । ইসলামি শরিয়ত পালনও সহজ হয় ।
- 31.
জনাব ইলিয়াস কুরআন এবং হাদিসে গভীর জ্ঞান লাভ করার পর অধ্যাপনা ও ফতোয়াদানে আত্মনিয়োগ করেন। ক্ষমতাসীন শাসকের বিরুদ্ধে ফতোয়া দেওয়ার কারণে তাকে ৭০টি বেত্রাঘাত করা হয়। তিনি কখনো অন্যায়ের সাথে আপস করেননি। অন্যদিকে, তার প্রতিবেশী আশরাফ অনেক সম্পদের মালিক কিন্তু তিনি তার জীবনের সকল বিষয়ে আর-কুরআন ও সুন্নাহ থেকে উৎসারিত মাসআলা- মাসায়েলের তোয়াক্কা করেননি ।
- 32.
কোভিড-১৯-এর প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ-বিদেশিদের সে দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার কারণে ধনাঢ্য আহসান সাহেব একটি মৌলিক ইবাদাত পালনে ব্যর্থ হন । অন্যদিকে, তার বন্ধু আফিফ একটি ইবাদাত পালনের জন্য সম্পদের হিসাব করে একটি নির্দিষ্ট অংশ দ্বারা রিকশা, ভ্যান, সেলাই মেশিন ইত্যাদি ক্রয় করে এলাকার অভাবী মানুষের মধ্যে বিতরণ করেন ।
- 33.
A+B=A + B = কত?
- 34.
A′−B′=A' - B' = কত?
- 35.
উদ্দীপকে প্রদত্ত সরলরেখাটি xx অক্ষের ধনাত্মক দিকের সাথে কত ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন করে?
- 36.
উদ্দীপকের সরলরেখাটি দ্বারা স্থানাঙ্কের অক্ষদ্বয়ের সহিত উৎপন্ন ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নিচের কোনটি?
- 37.
- 38.
কোনটি ব্যতিক্রমী ম্যাট্রিক্স?
- 39.
এখানে, AP = BP
- 40.
একটি সরলরেখা ( 5, 5 ) ও (3, 7 ) বিন্দুগামী হলে রেখাটির ঢাল কত?
- 41.
- 42.
f(x)f(x) ফাংশন x=bx=b বিন্দুতে অবিচ্ছিন্ন হলে-i. f(b)f(b) সংজ্ঞায়িত হয় ii. বিদ্যমান থাকে নাiii. হয়নিচের কোনটি সঠিক?
- 43.
- 44.
বক্ররেখার বিন্দুতে ঢাল কত?
- 45.
এবং
- 46.
যোগজীকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
i. ,যেখানে হল যোগজীকরণ ধ্রুবকii. f(x)f(x) কে যোজ্য ফাংশন (Integrand) বলে
iii. ও পরস্পর বিপরীত প্রক্রিয়া
নিচের কোনটি সঠিক? - 47.
এবং .
- 48.
ও পরাবৃত্ত দুটি দ্বারা সীমাবদ্ধ সমতল ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের জন্য কোন যোগজটি সঠিক?
- 49.
- 50.
কত?