Combined Board রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর বোর্ড ২০২২

22টি প্রশ্ন

  1. 1.

    পরস্পর বিরোধী দুই আদর্শের প্রভাব বৃদ্ধির কারণে পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। বিশ্বে নতুন নতুন সংগঠনের জন্ম হয়। বিশ্বের মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করে। ঐতিহাসিকগণ এরূপ অবস্থাকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে তুলনা করেছেন।

  2. 2.

    ইউরোপের একটি দেশের ইতিহাসে সাড়া জাগানো একটি। বিপ্লব সংঘটিত হয়, সেটি সামন্ত প্রথার বিরুদ্ধে পুঁজিবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছিল। এ বিপ্লব দেশে নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্রের বিপরীতে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। ইউরোপের প্রতিটি দেশই এ বিপ্লবের প্রভাবে উজ্জীবিত হয়েছিল।

  3. 3.

    আলকা রাজ্যের রাজা তার রাজ্যে আধুনিকায়ন করেন। নিজের রাজ্যকে বিশ্বের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করার জন্য তিনি। বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তার বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রমের ফলে। দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়। কিন্তু কিছু ভুল। পদক্ষেপের কারণে শেষ অবধি তিনি ব্যর্থ হন।

  4. 4.

    বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে বিশ্বে একটি সংগঠনের জন্ম। হলেও বৃহৎ দেশসমূহের অসহযোগিতাসহ বিভিন্ন কারণে সংগঠনটি শেষ পর্যন্ত অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। তথাপি তৎকালীন আন্তর্জাতিক সমস্যার সমাধান ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সংগঠনটির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।

  5. 5.

    একটি গ্রামের জমিদার পুত্র পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামে বেড়াতে গেলে সেখানে সস্ত্রীক হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় এক অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করে, যা শেষ পর্যন্ত ব্যাপক সংঘর্ষের রূপ পরিগ্রহ করে।

  6. 6.

    চাপিয়ে দেয়া একটি চুক্তির মাধ্যমে মর্যাদা ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ইউরোপের একটি শক্তিধর দেশ বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের সূচনা করে। কিন্তু যুদ্ধে রাষ্ট্রটি পূর্বের ন্যায় পরাজিত হয় এবং শাস্তিস্বরূপ দেশটিকে বিভক্ত করে অন্যান্য দেশ তার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। পরে অবশ্য একত্রীকরণের মাধ্যমে বিভক্ত দেশটি। পুনরায় একত্রিত হয়।

  7. 7.

    সংঘর্ষে লিপ্ত দুটি রাষ্ট্র আগ্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে থাকলে একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান প্রতিকারের জন্য প্রচেষ্টা চালায়। অবশেষে, উত্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যস্থতায় এই সংঘর্ষের পরিসমাপ্তি ঘটে। বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই সংস্থার উদ্দেশ্য সত্যিই প্রশংসনীয়।

  8. 8.

    ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে পিটার সাহেব মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বন্ধ করে দেন। সরকার বিরোধী পত্র-পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া হয়। সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। হাজার হাজার বিরোধী নেতা কর্মীকে জেলে পাঠানো হয়। অনেক কবি, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করা হয়।

  9. 9.

    দুটি অঞ্চলের জনগণের মধ্যকার সংঘর্ষ এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ শেষে সালিশের মাধ্যমে জনগণ একটি গ্রামবাসীকে সংঘর্ষের জন্য দায়ী করে তাদেরকে অপমানজনক মুচলেকায় স্বাক্ষর ও জরিমানা প্রদানে বাধ্য করে। ফলে উক্ত গ্রামবাসী জরিমানা প্রদানে বাধ্য হলেও সুযোগ খুঁজতে থাকে প্রতিশোধ গ্রহণের।

  10. 10.

    আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। একটি আন্তর্জাতিক সংগঠনের মাধ্যমে এই মিশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

  11. 11.

    আমেরিকার একটি অঞ্চলে ধনী-গরিবের বৈষম্য চরম আকার ধারণ করে। তখন শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে এক আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। উক্ত আন্দোলনে জয়লাভ করে আন্দোলনকারীরা একজন নেতার প্রচেষ্টায় সেখানে বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। পরবর্তীকালে বিশ্বের অনেক দেশে উক্ত নেতার আদর্শ ছড়িয়ে পড়ে।

  12. 12.

    জনাব ইমরান চৌধুরী দক্ষিণাঞ্চলের বন্যাদুর্গতদের সাহায্য করার জন্য লঞ্চে ত্রাণ সামগ্রী পাঠায়। পথিমধ্যে দুর্বৃত্তরা ত্রানবাহী লঞ্চ ছিনতাই করে। অভিযোগ পেশ করার পরও দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার হয় নাই। তিনি স্থানীয় জেলা প্রশাসনের কাছে এর আসু বিচারসহ ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। এর যথাযথ জবাব ও ক্ষতিপূরণ লাভে ব্যর্থ হলে তার মনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

  13. 13.

    সুলতান সুলেমান বার বার একটি দেশে অভিযান পরিচালনা করেন এবং অবশেষে দেশে ফিরে আসেন। অভিযানে তিনি যে ধন-সম্পদ অর্জন করেন তা শিক্ষাবিস্তার ও উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করেন। এক পর্যায়ে তিনি তার রাজ্যকে একটি সমৃদ্ধশালী রাজ্যে পরিণত করেন।

  14. 14.

    সুলতান নাসির উদ্দিন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরীণ সকল সমস্যার সমাধান করেন। তিনি অন্য একটি রাজ্যকে জয় করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। প্রথম যুদ্ধে তিনি প্রতিপক্ষের নিকট পরাজিত হন। এই পরাজয়ের গ্লানি মোচনের জন্য তিনি পরবর্তী বছর দ্বিতীয় যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। প্রতিপক্ষের সৈন্য সংখ্যা অধিক হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে শোচনীয় ভাবে পরাজিত করেন। তিনি বিজয়ের গৌরব অর্জন করেন এবং স্থায়ী রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।

  15. 15.

    আশরাফ চৌধুরী পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত একটি ক্ষুদ্র অঞ্চলের অধিপতি ছিলেন। কিন্তু নিকট আত্মীয়দের ষড়যন্ত্রের কারণে ঐ রাজ্য তার হাতছাড়া হয়ে যায়। পরবর্তীতে তিনি অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা সুযোগ নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাজ্য আক্রমণ করেন। উন্নত রণকৌশল ও কামান ব্যবহার করে তিনি প্রতিবেশীর বিশাল সেনাবাহিনীকে যুদ্ধে পরাজিত করতে সক্ষম হন। একটি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার গৌরব অর্জন করেন

  16. 16.

    একজন মুঘল সম্রাটের নামের অর্থ ছিল সৌভাগ্যবান। সম্রাট হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি প্রথম জীবনে ব্যর্থ হয়েছিলেন। পরবর্তীতে আফগান নেতা সোলায়মানের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ভারতবর্ষ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। তবে জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি পিতৃরাজ্যপুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

  17. 17.

    সালমান সাহেব একজন চেয়ারম্যান ছিলেন। তার এলাকার অধিকাংশ মানুষ ছিল ভিন্ন ধর্মাবলম্ব। তিনি বুঝতে পারলে, সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণকে অসন্তুষ্ট রেখে এলাকার উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। তাই তিনি ভিন্ন ধর্মের এক রমণীকে বিয়ে করলেন এবং উক্ত সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালনের সুব্যবস্থা করে দিলেন। ফলে উক্ত সম্প্রদায়ের সাথে সালমান সাহেবের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।

  18. 18.

    জামান চৌধুরীর শাসনকালের শেষ দিকের অবস্থা ভালো ছিল না। তার চার পুত্রের মধ্যে সিংহাসনের উত্তরাধিকারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক দ্বন্দ্ব হয। পুত্রদের মধ্যে একজন ক্ষমতা দখল করে চৌধুরী সাহেবকে বন্দী করেন। বন্দী অবস্থায় ১০ বছর অতিবাহিত হবার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

  19. 19.

    সুমনের বাবা বলল, শহীদ মিনার, প্রভাতপুরী এসব অর্থহীন আনুষ্ঠানিকতা বা লৌকিকতা নয়। এর রয়েছে অধিকার প্রতিষ্ঠার বিরাট এক গৌরবময় ইতিহাস। সেই ইতিহাস রক্তদানের। রক্ত ঢেলে দিয়েছিল সালাম বরকতসহ আরো অনেক সংগ্রামী যুবক।

  20. 20.

    পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানিদের উপর চরম নির্যাতন চালাত। তারা সকল প্রকার ব্যাংক, বীমা ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলো পশ্চিম পাকিস্তানের গড়ে তুলেছিল। পূর্ব পাকিস্তানের সস্তা কাঁচামাল দিয়ে তাদের অধিকাংশ বাণিজ্য কেন্দ্র ও কারখানা চালাতো। ফলে সহজেই সম্পদ পশ্চিম পাকিস্তানের পাচার হয়ে যে। এই কারণেই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ কখনোই আলোর মুখ দেখেনি।

  21. 21.

    জনৈক ব্যক্তির জন্ম ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের একটি নির্দিষ্ট তারিখে। উক্ত তারিখে তার বাবাসহ শত শত বাঙ্গালি কে পাকিস্তানী সৈন্যরা গণহত্যা করেছিল। দুঃখের সেই স্মৃতি তাকে কাঁদায়। ছাত্র, শিক্ষক, ডাক্তার, সাংবাদিকসহ কোন বুদ্ধিজীবী গণহত্যা থেকে রেহাই পায়নি।

  22. 22.

    আমাদের এই মাতৃভূমিকে ভালোবাসে না এমন একটি মানুষও পাওয়া যাবে না। তবে কেউ কেউ মাতৃভূমিকে অনেক বেশি ভালোবেসেছেন। শহীদ তিতুমীর তেমন একজন ব্যক্তিত্ব। দেশমাতৃকার জন্য তাদের অবদান চিরস্মরণীয়। তাদের আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম আমাদের জন্য অনুকরণীয়। তিনি নিজের জীবন দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।