Combined Board দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫
11টি প্রশ্ন
- 1.
সুলতান নিজামুল হক একটি দেশের রাজা। প্রায় প্রতি বছরই তিনি অন্য দেশে অভিযান পরিচালনা করেন। প্রতি বছরই তিনি জয়লাভ করে প্রচুর ধন-সম্পদসহনিজ রাজ্যে ফিরে আসেন। এসব ধন-সম্পদ দ্বারা তিনি তার রাজধানীকে প্রাচ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নগরীতে পরিণত করেন।
- 2.
সুলতান শাহরিয়ার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর স্বীয় কর্তৃত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত করে পার্শ্ববর্তী রাজাদের বিরুদ্ধে সমর প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। পার্শ্ববর্তী রাজাদের মধ্যে একজন এ আক্রমণ সম্প্রসারণকে তার রাজ্যের প্রতি হুমকিস্বরূপ মনে করেন। সুলতান পার্শ্ববর্তী রাজার বিশাল ছিল যে, জনগণ তার মাধ্যমে আমিরের কাছে যে আবেদন করতেন আমির তা পূর্ণ করতেন। বাহিনীর নিকট প্রথম যুদ্ধে পরাজিত হলেন। পরের বছর পরাজয়ের গ্লানি মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে এবং রাজ্য বিস্তারের আশায় এক বিশাল বাহিনী নিয়ে রণক্ষেত্রে পুনরায় শিবির স্থাপন করেন। প্রতিপক্ষের সৈন্য সংখ্যা অধিক হওয়া সত্ত্বেও অসীম বীরত্ব, উন্নত মানের যুদ্ধ কৌশল এবং সাংগঠনিক ক্ষমতার দ্বারা বিজয়ীর গৌরব অর্জন করেন।
- 3.
আজম খান পৈতৃক সূত্রে একটি ক্ষুদ্র অঞ্চলের অধিপতি ছিলেন। কিন্তু নিকট আত্মীয়দের ষড়যন্ত্রের কারণে ঐ রাজ্য তার হাতছাড়া হয়ে যায়। পরবর্তীকালে তিনি রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা; ভৌগোলিক নৈকট্য ও অরাজকতাপূর্ণ অবস্থার সুযোগ নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাজ্য আক্রমণ করেন। উন্নত রণকৌশল ও কামান ব্যবহার করে তিনি প্রতিবেশীর বিশাল সেনাবাহিনীকে যুদ্ধে পরাজিত করতে সক্ষম হন। আজম খানের সাফল্যের মূলে ছিল সামরিক দক্ষতা এবং অশ্বারোহী- ও গোলন্দাজ বাহিনীর বিজ্ঞানসম্মত সমন্বয়। তিনি একটি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার গৌরব অর্জন করেন।
- 4.
কাশেম খান মসনদে অধিষ্ঠিত হয়ে জনকল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত হন। তিনি মাত্র পাঁচ বছর শাসন করেন। বহু রাস্তাঘাট, সরাইখানা, সেতু ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেন। জমি জরিপ, সামরিক সংস্কার, পুলিশ ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা,ডাক বিভাগ ইত্যাদি সংস্কারমূলক কাজের জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন।
- 5.
শাসক রাশেদ উত্তরাধিকারসূত্রে সিংহাসনে আরোহণ করে নানা বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হন এবং তার অনুচরবর্গের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হন। বারবার তাকে যুদ্ধের সম্মুখীন হতে হয় এবং সব শত্রুকে তিনি নির্মূল করতে পারেননি। এক যুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর দখল করেন এবং ঐ শহরের নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করেন। শাসক রাশেদ আট মাস এ শহরে বিলাসব্যসনে কাটান। এ সুযোগে তার শত্রু সংগঠিত হয়ে আবার আক্রমণ করেন। ফলে শাসক রাশেদ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। নিকট আত্মীয়দের সাহায্য-সহযোগিতা না পেয়ে তিনি পার্শ্ববর্তী দেশের রাজার সাহায্য লাভ করেন। অবশেষে রাজ্যহারা হয়ে নির্বাসিত হন।
- 6.
সর্বধর্ম মতবাদের প্রবক্তা শ্রী আনন্দ স্বামী। তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীতে ত্রিপুরা জেলার সরাইল পরগনার কালিস্থ গ্রামে এক কৌলীন জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। জমিদারের দায়িত্ব পালনকালে প্রজাদের ধর্মভিত্তিক বিভাজন ও আন্তঃধর্মবিবাদ তাকে চিন্তামগ্ন করে তোলে। ধর্ম নিয়ে হত্যা, হানাহানি, রক্তপাত নিরসন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি ইসলাম, সনাতন ও খ্রিষ্ট ধর্মের সমন্বয়ে 'সর্বধর্ম' মতবাদ প্রবর্তন করতে সক্রিয় হন। তার এ সর্বধর্ম মতবাদে প্রকৃত মানবতার আহ্বান থাকলেও তিনি ধর্মভীরু মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেননি। তবে এর মাধ্যমে তিনি সকল শ্রেণির মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হন।
- 7.
স্পেনের উমাইয়া আমিরাতের শাসক আমির দ্বিতীয় আব্দুর রহমান। তার স্ত্রী সুলতানা তারুবার রূপ, যৌবন যেমন ছিল অতুলনীয় তেমনি ছিলেন বুদ্ধিমতী ও উচ্চাভিলাষী। তিনি রাজ্যের প্রশাসন ব্যবস্থার ওপর তার প্রভাব বিস্তার করেন। রাজকার্যে তার প্রভাব এত বেশি ছিল যে, জনগণ তার মাধ্যমে আমিরের কাছে যে আবেদন করতেন আমির তা পূর্ণ করতেন।
- 8.
এক সাম্রাজ্যের শাসক তার জ্যেষ্ঠ পুত্রকে অধিক ভালোবাসতেন। তার কনিষ্ঠ পুত্র শিক্ষা- দীক্ষা, জ্ঞান-গরিমায় জ্যেষ্ঠ পুত্র অপেক্ষা অধিকতর যোগ্যতাসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও জ্যেষ্ঠপুত্রকে তার পরবর্তী উত্তরাধিকার ঘোষণা করেন। ফলে কনিষ্ঠ পুত্র এটা মেনে নিতে পারেননি বিধায় বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে এক প্রত্যক্ষ যুদ্ধে তার বড় ভাইকে পরাজিত করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- 9.
- 10.
একটি রাষ্ট্রের পাঁচটি প্রদেশের মধ্যে জনবহুল প্রদেশটি কেন্দ্রের নিকট থেকে নানা অগণতান্ত্রিক আচরণের শিকার হয়। উক্ত প্রদেশের জনগণের মাতৃভাষা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন অস্বীকার এবং সামরিক বেসামরিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়। এমতাবস্থায় উক্ত প্রদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা তার জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রয়াস চালিয়ে যান।
- 11.
“মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করিমোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরিমোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি।"