Combined Board রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২

22টি প্রশ্ন

  1. 1.

    মুক্তিযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে মানবদরদি জনাব চৌধুরী একটি সাহায্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে সংস্থাটি 'দারিদ্র্য' দূরীকরণ এবং দরিদ্রদের ক্ষমতায়ন' এই স্লোগানকে ধারণ করে স্বাবলম্বী নীতিকে মিশন করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টিসেবাসহ দুস্থ-অসহায়দের মাঝে। ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ করেন। এর ফলে এটি সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে প্রচেষ্টারত দেশের বৃহৎ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

  2. 2.

    জনি নগদ ২ লক্ষ টাকা নিয়ে মনিকে বিয়ে করে। ৬ মাস ১. পর ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে জনি শ্বশুরের কাছে ৩ লক্ষ টাকা দাবি। করে। মনির বাবা এতে হার্ট এটাকে মারা যায় এবং মনি নির্যাতনের শিকার হয়।

  3. 3.

    ঘূর্ণিঝড় আইলা'র আঘাতে বাগেরহাট জেলার কয়েকটি গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ফলে গ্রামবাসী মানবেতর জীবনযাপন করতে থাকে। তাদের করুণ অবস্থা অবলোকন করে 'সূর্যের হাসি' নামক সংস্থা এগিয়ে আসে। সংস্থাটি সমাজের যুবকদের নিয়ে বহুবিধ সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। যেমন: ত্রাণ বিতরণ, ঔষধ সরবরাহ, খাদ্য-বস্ত্র প্রদান, আহতদের চিকিৎসা, মৃতদেহ সৎকার, বাসগৃহ নির্মাণ প্রভৃতি। ফলে সমাজের মানুষ অনেকটা স্বস্তি ফিরে পায়।

  4. 4.

    তাজরিন ফ্যাশনে শ্রমিক ধর্মঘটের কারণে কাজ বন্ধ। আছে। শ্রমিকদের অন্যতম দাবি হচ্ছে বোনাস ও কর্মপরিবেশ উন্নয়ন। এ পরিস্থিতির অবসানে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করে উভয়ের মাঝে বিরোধ নিষ্পত্তি করেন। এভাবে কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ গড়ে ওঠে।

  5. 5.

    সুশিক্ষিত আমজাদ সাহেব একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এ প্রতিষ্ঠান থেকে দরিদ্রদের মাঝে বিনা জানামতে ঋণ প্রদান করা হয়। দলীয়ভিত্তিতে এ ঋণ প্রদান করা হয়, ঋণ তদারকি করা এবং সঠিকভাবে আদায় নিশ্চিত করা হয়। ঋণগ্রহীতারা কেবল এর সদস্য নয় বরং মালিকও।

  6. 6.

    পলাশ একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। তার বাবা। চাকরির কারণে বাসা রেখে অন্যত্র অবস্থান করেন। পলাশের মাও গার্মেন্টসে চাকরি করেন এবং দিনের বেশিরভাগ সময়, বাসার বাইরে অবস্থান করেন। ফলে সঙ্গদোষে পলাশ লেখাপড়ায় অমনোযোগী হয়ে পড়ে। বিষয়টি সমাধানের জন্য পলাশের বাবা তার জন্য একটি সমাজকর্ম কর্মসূচির সহায়তা নেন।

  7. 7.

  8. 8.

    অল্প শিক্ষিত দবির ময়মনসিংহ শহরে বসবাস করে। অভাবের তাড়নায় সে রিকশা চালিয়ে কোনো রকমে স্ত্রী এবং ২ ছেলে ও ১ মেয়ের মুখে অন্ন তুলে দিতে পেরেছে। কিন্তু ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছে।

  9. 9.

    নাজমা বিধবা মায়ের সাথে শহরের বস্তিতে থাকে। সেখানে বিশুদ্ধ পানির অভাব, নোংরা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকায় রোগবালাই লেগেই থাকে।

  10. 10.

    সুমন ও মর্জিনা স্বামী-স্ত্রী। পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে সুমন মর্জিনাকে তিন তালাক দেয়। মর্জিনা দিশেহারা হয়ে বাপের বাড়িতে চলে যায়।

  11. 11.

    গ্রামের মেয়ে শিমু সেলাই প্রশিক্ষণ নিয়ে সরকারি কর্মসূচির ভাওতায় সুদমুক্ত ঋণে সেলাই মেশিন ক্রয় করেছে। বাড়িতে বসে জামাকাপড় তৈরি করে সে বিভিন্ন দোকানে এগুলো সরবরাহ করে। এর মাধ্যমে সে জীবিকা নির্বাহ করে।

  12. 12.

    জাবেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগ থেকে এম.এস.এস. পাস করেছে। সে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গড়ে তোলে। প্রশিক্ষণ প্রদান, শিক্ষা ও কাজের মাধ্যমে মানব সম্পদ উন্নয়ন তথা সমাজ থেকে দারিদ্রদ্র্য নির্মূল করাই হচ্ছে এই সংস্থাটির অন্যতম উদ্দেশ্য। উক্ত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সে টার্গেট গ্রুপ তৈরি করে সংস্থাটির কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে সংস্থাটি স্বনির্ভর জনগোষ্ঠী তৈরিতে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

  13. 13.

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পার্থিবের নতুন বন্ধু 'ক' বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য। এদের সমাজের প্রশাসনিক। কাঠামো আদাম, মৌজা, সার্কেল এরূপ স্তরে বিভক্ত। প্রত্যেক স্তরে। একজন' প্রধান ব্যক্তি কর্তৃত্ব করেন। রাজা ঐ সমাজের ঐক্য ও সংহতির প্রতীক। পার্থিবের অন্য আর একজন বন্ধু 'খ' অপর একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য, যার বসবাস বৃহত্তর ময়মনসিংহে। এদের সমাজ মায়ের কর্তৃত্বে পরিচালিত এবং তাদের ভাষার নাম মান্দি।

  14. 14.

    ১৮৩৯ সালে ফ্রান্সে একটি সামাজিক বিজ্ঞানের জন্ম হলেও বাংলাদেশে ১৯৫৭ সালে বিকাশ লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে এটি সম্ভব হয়। আর সেজন্য তাঁকে এ বিজ্ঞানটির বাংলাদেশের জনক বলে অভিহিত করা হয়। একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার জন্য এ সামাজিক বিজ্ঞানটির অধ্যয়ন অত্যন্ত জরুরি।

  15. 15.

    কবির মিএর ও ফারুক সাহেব বাল্যবন্ধু। কবির মিএর আজও পিতৃভিটায় মাটির ঘরে বসবাস করেন। পেশায় তিনি কৃষক। ফারক সাহেব সচিবালয়ে চাকরি করেন। বহুদিন পর ফারুক সাহেব বাল্যবন্দু কবির মিত্রার বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন। উঠানে গোলার পাশে বসে দুই বন্ধু গল্প করছেন। এক পর্যায়ে ফারুক সাহেব বলেন, তোমাদের গ্রামের প্রায় ঘরে বিদ্যুৎ, রেফ্রিজারেটর, স্যাটেলাইট টিভি সংযোগ ও ইন্টারনেট সুবিধা বিদ্যমান, যা আধুনিকতার বহিঃপ্রকাশ।

  16. 16.

    তাসলিমা একটি বস্তিতে রুম নিয়ে বসবাস করে। পোশাক, তৈরির কারখানায় কাজ করে কোনো রকমে তার দিন চলে যায়। তার ছোট ভাইকেও তার কাছে এনে রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু সে রাজি নয়।। মাঠে ফসল ফলানোই সে বেশি পছন্দ করে।

  17. 17.

    একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাত ফেরিতে সহপাঠীদের সাথে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যায় নিলয়। এরপর এ দিনটি উপলক্ষ্যে কলেজে আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে একজন স্যার বলেন, আজ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবময় দিন। এই দিনটিতে ছাত্র-জনতা রাজপথের সংগ্রামে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ অনেকেই শহীদ হন এবং বাঙালি ন্যায্য দাবী প্রতিষ্ঠা করে।

  18. 18.

    কলেজে ভর্তি হয়েই একাদশ শ্রেণির ছাত্র অর্ঘ্যর নতুন। বন্ধু-বান্ধব জোটে। একদিন কলেজ থেকে বাসায় ফেরার পথে পাড়ার বড় ভাই ও বন্ধু-বান্ধবের প্ররোচনায় সে মাদক গ্রহণ করে। সেই থেকে কলেজ ফাঁকি দিয়ে পাড়ার গোপন আস্তানায় অর্ঘ্যের নিয়মিত যাতায়াত। তার বাবা-মা যখন বিষয়টি জানতে পারেন ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।'

  19. 19.

    যখন কালামের বয়স ১৮ বছর এবং সখিনার ১৫ বছর, তখন তাদের বিয়ে হয়। বর্তমানে তারা তিন কন্যা স্তানের জনক-জননী। শাশুড়ির 'নাতি চাই' ইচ্ছা পূরণের জন্য সখিনা আরেক কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। এতে করে সংসারের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে তার আয় বৃদ্ধি পায়নি, বরং অভাব-অনটন, ঝগড়াঝাঁটি, মারপিট লেগেই আছে।

  20. 20.

    রুনা ২০২০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিষয়ে ভর্তি হয়। বিষয়টির সূচনা ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে দর্শন বিভাগে কিছু তত্ত্ব ও বিষয়বস্তু পাঠের মাধ্যমে। পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাথে আরও কিছু বিষয় যুক্ত হয়। ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে বিষয়টি স্বতন্ত্র একটি বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, যার প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন একজন ফরাসি নৃবিজ্ঞানী। বাংলাদেশের মতো একটি “উন্নয়নশীল দেশের সামাজিক সমস্যা উপলব্ধি করতে বিষয়টির জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

  21. 21.

  22. 22.

    ভারতীয় উপমহাদেশের একটি প্রাচীন সভ্যতা; এটি মূলত একটি নগর সভ্যতা। কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা, প্রশাসনের শীর্ষকর্তা একজন পুরোহিত রাজা, এখানে বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজা-অর্চনা করা হতো। সামাজিক শ্রেণি অনুযায়ী ইটের তৈরি বাড়ি, পাকা রাস্তা, নর্দমা, গোসলের পুকুর, গোলাঘর ইত্যাদির উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কিন্তু সভ্যতার সৃষ্টিকারী জনগোষ্ঠীর সঠিক পরিচয় আজও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। জন মার্শালের নেতৃত্বে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কার্যের মাধ্যমে।১৯২২ সালে এটি আবিষ্কৃত হয়।