সমাজকর্ম ২য় পত্র • সামাজিক আইন • Combined Board • রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২

সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন

সুমন ও মর্জিনা স্বামী-স্ত্রী। পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে সুমন মর্জিনাকে তিন তালাক দেয়। মর্জিনা দিশেহারা হয়ে বাপের বাড়িতে চলে যায়।

  1. ক)

    রোগী কল্যাণ সমিতি কী?

    (1)
  2. খ)

    বিদ্যালয় সমাজকর্ম বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের কোন বিষয়টি উদ্দীপকে লঙ্ঘিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত মর্জিনার সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট আইনের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ রোগীদের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ওষুধ, পথ্য ও আনুষঙ্গিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত সেবামূলক সংস্থাকে রোগী কল্যাণ সমিতি বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানো, লেখাপড়ার সমস্যা দূরীকরণ এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভার পরিপূর্ণ বিকাশে সমাজকর্মের জ্ঞান, পদ্ধতি ও দক্ষতার প্রয়োগকে বিদ্যালয় সমাজকর্ম বলে। এটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পরিবার ও বিদ্যালয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করে ঝরে পড়ার হার রোধ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন-এর 'তালাক' সংক্রান্ত ৭ নম্বর ধারার বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে।

    ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাইলে মৌখিকভাবে একবারে বা তিন তালাক দিয়ে কার্যকর করা যায় না। আইন অনুযায়ী তালাক দিতে হলে স্ত্রীকে তালাকের নোটিশ প্রদানের পাশাপাশি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা পৌর মেয়রের নিকট লিখিত নোটিশ পাঠাতে হবে। চেয়ারম্যান বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি সালিশি পরিষদ গঠন করবেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত তালাক কার্যকর স্থগিত থাকবে। কিন্তু উদ্দীপকে সুমন কোনো আইনি প্রক্রিয়া বা লিখিত নোটিশ না দিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে একপর্যায়ে মর্জিনাকে সরাসরি তিন তালাক দিয়েছে, যা ১৯৬১ সালের আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত মর্জিনার পারিবারিক সংকট নিরসনে ও তার ন্যায্য অধিকার সুরক্ষায় ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    এই আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, সুমনের দেওয়া তাৎক্ষণিক তিন তালাক আইনত কার্যকর বা বৈধ নয়। চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত নোটিশ পাঠানো এবং তা প্রাপ্তির পর ৯০ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক চূড়ান্ত বলে গণ্য হয় না। আইনগতভাবে এই ৯০ দিনের মধ্যে সালিশি পরিষদ গঠন করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আপস-মীমাংসার সুযোগ থাকে, যা তাদের সংসার পুনর্গঠনে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া এই আইন মর্জিনাকে দেনমোহর এবং ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ আদায়ের পূর্ণ আইনি সুরক্ষা দেয়। সুমন যদি আইন অমান্য করে জোরপূর্বক তালাক কার্যকর করতে চায়, তবে তিনি কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। সুতরাং, মর্জিনাকে আকস্মিক ও বেআইনি তালাকের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সংশ্লিষ্ট আইনটি প্রধান ঢাল হিসেবে ভূমিকা রাখে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন