‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার • ভিকারুননিসা নূন কলেজ • ভিকারুননিসা নূন কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেই নাগরিকদের জন্য কিছু সুযোগ-সুবিধা থাকে, যা ব্যক্তির ব্যক্তিত্বকে বিকশিত করে, যা রাষ্ট্রের আইন দ্বারা সমর্থিত। এগুলো ক্ষুণ্ণ করলে তাকে শাস্তির আওতায় আনা হয়।

  1. ক)

    আইন কী ধরনের শব্দ?

    (1)
  2. খ)

    কীভাবে মানবাধিকার রক্ষা করা যায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন বিষয়টিকে বোঝানো হয়েছে? এর প্রকারভেদ বর্ণনা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের বিষয়টি কীভাবে রক্ষা করা যায়? বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'আইন' একটি ফারসি শব্দ।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সংবিধানে মানবাধিকারের স্পষ্ট স্বীকৃতি ও সংরক্ষণ, স্বাধীন বিচার বিভাগের উপস্থিতি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানবাধিকার রক্ষা করা যায়। নাগরিকেরা যদি সচেতন হয় এবং যেকোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ সক্রিয় থাকে, তবে মানবাধিকার যথাযথভাবে সুরক্ষিত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নাগরিকদের 'অধিকার' (Rights)-এর বিষয়টিকে বোঝানো হয়েছে।

    অধিকার বলতে রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও সংরক্ষিত সেই সকল সুযোগ-সুবিধাকে বোঝায়, যা ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশের জন্য অপরিহার্য। অধ্যাপক লাস্কির মতে, "অধিকার হলো সমাজ জীবনের সেই সকল শর্তাবলি যা ব্যতীত কোনো ব্যক্তি তার ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারে না।"

    অধিকার প্রধানত দুই প্রকার:
    ১. নৈতিক অধিকার: যা মানুষের বিবেকবোধ ও ন্যায়বোধ থেকে আসে। এটি লঙ্ঘিত হলে কোনো রাষ্ট্রীয় শাস্তি হয় না।
    ২. আইনগত অধিকার: যা রাষ্ট্রের আইন দ্বারা স্বীকৃত ও সংরক্ষিত। এটি আবার কয়েক ভাগে বিভক্ত, যথা: সামাজিক অধিকার (জীবনধারণ, সম্পত্তির অধিকার ইত্যাদি), রাজনৈতিক অধিকার (ভোটদান, নির্বাচিত হওয়ার অধিকার) এবং অর্থনৈতিক অধিকার (কর্মসংস্থান, ন্যায্য পারিশ্রমিক লাভের অধিকার)।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত অধিকার রক্ষার উপায়সমূহ নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. সংবিধানে মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্তি: সংবিধানে অধিকারগুলো স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকলে সরকার চাইলেই সেগুলো হরণ করতে পারে না।

    ২. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা: 'আইনের চোখে সবাই সমান'—এই নীতির বাস্তবায়ন হলে সাধারণ নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।

    ৩. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ: অধিকার ক্ষুণ্ণ হলে নাগরিকরা যাতে আদালতের আশ্রয় নিতে পারে এবং বিচার বিভাগ যাতে নির্বিঘ্নে রায় দিতে পারে, তার নিশ্চয়তা থাকা জরুরি।

    ৪. সাংবিধানিক প্রতিকার (Right to Constitutional Remedies): মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে সরাসরি উচ্চ আদালতে রিট করার সুযোগ অধিকার রক্ষার অন্যতম প্রধান রক্ষাকবচ।

    ৫. জনগণের সচেতনতা ও প্রতিরোধ স্পৃহা: সচেতন নাগরিক সমাজ সর্বদা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সজাগ থাকে, যা যেকোনো স্বৈরাচারী পদক্ষেপ রুখে দিতে সাহায্য করে।

    অতএব, আইনগত কাঠামোর পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতা ও স্বাধীন বিচারিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই অধিকার রক্ষা করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন