‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য • ভিকারুননিসা নূন কলেজ • ভিকারুননিসা নূন কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। এই স্বাধীনতা ব্যতীত অন্যান্য স্বাধীনতা অর্জিত হয় না। তবে স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে এটি রক্ষা করা কঠিন।

  1. ক)

    বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতে নাম কী?

    (1)
  2. খ)

    জাতি বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত স্বাধীনতাসহ মোট তিন ধরনের স্বাধীনতা বর্ণনা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের সর্বশেষ বাক্যটি মূল্যায়ন কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিম কোর্ট।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জাতি হলো রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনকারী বা স্বাধীনতাকামী একটি সুসংগঠিত জনসমাজ। জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ জনগোষ্ঠী যখন সার্বভৌমত্ব বা রাজনৈতিক স্বাধীনতা লাভ করে কিংবা স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামে লিপ্ত হয়, তখন তাকে জাতি বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বাংলাদেশের ১৯৭১ সালে অর্জিত 'জাতীয় স্বাধীনতা' বা রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত স্বাধীনতাসহ মোট তিন ধরনের স্বাধীনতা নিচে বর্ণনা করা হলো:

    ১. জাতীয় স্বাধীনতা: এটি একটি রাষ্ট্রের বহিরাগত নিয়ন্ত্রণমুক্ত স্বাধীন ও সার্বভৌম অস্তিত্বকে বোঝায়। উদ্দীপকে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যেভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল, তা জাতীয় স্বাধীনতার উদাহরণ।

    ২. ব্যক্তিগত স্বাধীনতা: ব্যক্তির নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ, মত প্রকাশ, ধর্মচর্চা ও চলাফেরার মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে রাষ্ট্র বা অন্য কারও হস্তক্ষেপমুক্ত থাকাকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বলে।

    ৩. রাজনৈতিক স্বাধীনতা: রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অংশগ্রহণের অধিকারকে রাজনৈতিক স্বাধীনতা বলে। যেমন: ভোটাধিকার প্রয়োগ, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা, সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা ইত্যাদি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের সর্বশেষ বাক্যটি হলো—"তবে স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে এটি রক্ষা করা কঠিন"। উক্তিটি অত্যন্ত যথার্থ ও তাৎপর্যপূর্ণ।

    কোনো জাতি রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম বা আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করতে পারে, কিন্তু সেই স্বাধীনতাকে টেকসই করা এবং তার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানো একটি ধারাবাহিক ও দীর্ঘমেয়াদী চ্যালেঞ্জ।

    স্বাধীনতা রক্ষার জন্য অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন এবং দুর্নীতির মূলোৎপাটন অত্যন্ত জরুরি। একই সাথে জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা এবং যেকোনো বহিঃশত্রুর আক্রমণ বা আধিপত্যবাদ থেকে সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা অপরিহার্য। রাজনৈতিক অস্থিরতা, অনৈক্য এবং জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হলে অর্জিত স্বাধীনতা বিপন্ন হতে পারে।

    অতএব, স্বাধীনতা অর্জন সাময়িক বা নির্দিষ্ট সময়ের সংগ্রামের মাধ্যমে সম্ভব হলেও, একে দীর্ঘকাল অক্ষুণ্ন রাখা এবং জনকল্যাণে কার্যকর করা এক নিরবচ্ছিন্ন সচেতনতা ও ত্যাগ দাবি করে। তাই বলা হয়, স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা অনেক বেশি কঠিন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন