সমাজকর্ম ১ম পত্র • সমাজকর্ম : প্রকৃতি ও পরিধি • Combined Board • রাজশাহী, চট্টগ্রাম, যশোর, দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

সমাজকর্ম ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    Introduction to Social Welfare-গ্রন্থের লেখক কে?

    (1)
  2. খ)

    সমাজকর্মের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে সমাজকর্মের কোন দিকটি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত দিকগুলো সমাজকর্মের গুরুত্ব বিশ্লেষণে,যথার্থ কিনা? ব্যাখ্যা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'Introduction to Social Welfare' গ্রন্থের লেখক হলেন ডব্লিউ. এ. ফ্রিডল্যান্ডার (Walter A. Friedlander)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সমাজকর্মের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি 'সাহায্যকারী পেশা'।

    সমাজকর্ম কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, বরং এটি বাস্তবমুখী অনুশীলনের মাধ্যমে সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তি, দল বা সমষ্টিকে এমনভাবে সহায়তা করে যাতে তারা নিজেদের সুপ্ত ক্ষমতার বিকাশ ঘটিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে। এটি মানুষকে পরনির্ভরশীল না করে নিজস্ব সম্পদ ও সামর্থ্যের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে সক্ষম করে তোলে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে সমাজকর্মের 'লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য' বা 'গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা/কাজ' দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।

    সমাজকর্মের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের সার্বিক কল্যাণ সাধন করা, মানুষের সামর্থ্যের পূর্ণ বিকাশ ঘটানো এবং একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণ করা। উদ্দীপকে সমাজকর্মের চারটি সুনির্দিষ্ট কাজের উল্লেখ রয়েছে: গঠনমূলক সামাজিক পরিবেশ সৃষ্টি করা, প্রয়োজনীয় সম্পদের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা, সমস্যা মোকাবিলায় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সমাজে পরিকল্পিত পরিবর্তন আনয়ন করা।

    এসব কার্যক্রম মূলত সমাজকর্মের মৌলিক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথেই সংগতিপূর্ণ। সমাজকর্মের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমেই একজন ব্যক্তি বা সমাজের ক্ষমতায়ন ঘটে। সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত উপাদানগুলো স্পষ্টভাবে সমাজকর্মের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যসমূহকেই প্রতিফলিত করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, উদ্দীপকে উল্লেখিত দিকগুলো সমাজকর্মের গুরুত্ব বিশ্লেষণে অত্যন্ত যথার্থ ও যৌক্তিক।

    বর্তমান আধুনিক ও জটিল সমাজব্যবস্থায় নানামুখী সামাজিক সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে সমাজকর্মের গুরুত্ব অপরিসীম। উদ্দীপকে সমাজকর্মের যেসব দিক বা ভূমিকা নির্দেশ করা হয়েছে, তার মাধ্যমেই সমাজকর্মের উপযোগিতা প্রমাণিত হয়:

    ১. গঠনমূলক সামাজিক পরিবেশ সৃষ্টি: অনুকূল ও ইতিবাচক পরিবেশ মানুষের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। সমাজকর্ম মানুষের মানসিক ও সামাজিক সুস্থতার জন্য এমন পরিবেশ তৈরিতে কাজ করে।
    ২. প্রয়োজনীয় সম্পদের সদ্ব্যবহার: অনুন্নত বা উন্নয়নশীল সমাজে সম্পদের অপ্রতুলতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সমাজকর্ম বিদ্যমান বস্তুগত ও অবস্তুগত সম্পদের সর্বোচ্চ ও সঠিক ব্যবহারের দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
    ৩. জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ: স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সামাজিক উন্নয়ন টেকসই হয় না। সমাজকর্ম জনগণকে সচেতন করে তোলে যাতে তারা নিজ নিজ সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে।
    ৪. পরিকল্পিত পরিবর্তন আনয়ন: সমাজের গতিশীলতার সাথে খাপ খাইয়ে কাঙ্ক্ষিত ও টেকসই রূপান্তরের জন্য বৈজ্ঞানিক ও পরিকল্পিত পরিবর্তন দরকার, যা সমাজকর্মের মাধ্যমে সম্ভব হয়।

    পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত কার্যক্রমগুলো সমাজকর্মের সামগ্রিক কার্যপরিধি ও গুরুত্বকে বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরে। তাই দিকগুলো সমাজকর্মের গুরুত্ব মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ যথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন