গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ, ঢাকা • শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন
নাদিয়া সব সময় নিজস্ব সময় তালিকা করে চলে। সব কাজ সে সময় তালিকা অনুসারে সম্পন্ন করে। এতে করে নাদিয়া গৃহের ও কলেজের সব কাজ মানসম্মতভাবে শেষ করতে পারে। ফলে তার কাজের দক্ষতা ও গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়।
- ক)(1)
গ্লাইকোজেন ভেঙে কোন উপাদান তৈরি হয়?
- খ)(2)
ল্যাকটিক অ্যাসিড কীভাবে শারীরিক ক্লান্তি সৃষ্টি করে?
- গ)(3)
নাদিয়ার কলেজ খোলার দিনের একটি কর্মসূচি তৈরি করো।
- ঘ)(4)
নাদিয়া সময় সঞ্চয় করার ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখবে? মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গ্লাইকোজেন ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অতিরিক্ত বা দীর্ঘক্ষণ শারীরিক পরিশ্রমের ফলে পেশিতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। তখন অবাত শ্বসনের মাধ্যমে গ্লাইকোজেন বা গ্লুকোজ ভেঙে ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয়। এই ল্যাকটিক অ্যাসিড পেশিকলায় জমা হতে থাকলে পেশির স্বাভাবিক সংকোচন-প্রসারণ ব্যাহত হয়, যা শারীরিক ক্লান্তি বা অবসাদ সৃষ্টি করে। বিশ্রাম নিলে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ল্যাকটিক অ্যাসিড অপসারিত হয়ে ক্লান্তি দূর হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে নাদিয়া একজন নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল শিক্ষার্থী। তার কলেজ খোলার দিনের একটি সম্ভাব্য সময় তালিকা বা কর্মসূচি নিচে দেওয়া হলো:
১. সকাল ৬:০০ – ৬:৩০: ঘুম থেকে ওঠা, প্রাতঃকৃত্য ও ফ্রেশ হওয়া।
২. সকাল ৬:৩০ – ৭:৩০: পড়াশোনা করা।
৩. সকাল ৭:৩০ – ৮:০০: সকালের নাস্তা গ্রহণ ও কলেজে যাওয়ার প্রস্তুতি।
৪. সকাল ৮:০০ – ৮:৩০: কলেজে যাতায়াত।
৫. সকাল ৮:৩০ – দুপুর ১:৩০: কলেজের ক্লাস ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ।
৬. দুপুর ১:৩০ – ২:০০: বাড়ি ফেরা।
৭. দুপুর ২:০০ – ৩:০০: গোসল, দুপুরের খাবার গ্রহণ ও নামাজ/বিশ্রাম।
৮. বিকাল ৩:০০ – ৪:০০: হালকা বিশ্রাম বা গৃহকর্মে সহায়তা।
৯. বিকাল ৪:০০ – ৫:৩০: মুক্ত বিনোদন, হাঁটাহাঁটি বা পরিবারের সাথে সময় কাটানো।
১০. সন্ধ্যা ৫:৩০ – রাত ৯:০০: সন্ধ্যার নাস্তা ও কলেজের পড়া সম্পন্ন করা।
১১. রাত ৯:০০ – ৯:৩০: রাতের খাবার গ্রহণ ও পরিবারের সাথে সময় কাটানো।
১২. রাত ৯:৩০ – ১০:৩০: পরের দিনের ক্লাসের প্রস্তুতি ও হালকা পাঠাভ্যাস।
১৩. রাত ১০:৩০: ঘুমাতে যাওয়া।এই কর্মসূচির মাধ্যমে নাদিয়া তার কলেজ ও গৃহের দায়িত্ব দক্ষতার সাথে পালন করতে পারবে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সময় ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা অর্জনের জন্য নাদিয়াকে সময় সঞ্চয়ের বিভিন্ন উপায় বা বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে।
সময় সঞ্চয় করার ক্ষেত্রে নাদিয়া যেসব বিষয় বিবেচনায় রাখবে তা নিচে আলোচনা করা হলো:
১. কাজের অগ্রাধিকার নির্ধারণ: কোন কাজটি আগে করতে হবে এবং কোনটি পরে করলেও চলবে, তা নির্ধারণ করা। গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো চিহ্নিত করে আগে সম্পন্ন করলে সময় সাশ্রয় হয়।
২. কাজের সঠিক পদ্ধতি ও আধুনিক সরঞ্জামের ব্যবহার: সঠিক নিয়মে ও কৌশলে কাজ করলে সময় ও শক্তি দুটোই বাঁচে। যেমন—গৃহকর্মে সময় সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তি বা সরঞ্জামের ব্যবহার করা।
৩. বিশৃঙ্খলা পরিহার ও গোছানো পরিবেশ: পড়ার টেবিল বা ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নির্দিষ্ট স্থানে গুছিয়ে রাখলে খোঁজাখুঁজিতে সময় নষ্ট হয় না।
৪. কাজের ধারাবাহিকতা ও রুটিন অনুসরণ: কাজের মধ্যে ছন্দ বজায় রাখা এবং নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করার অভ্যাস গড়ে তোলা।
৫. সময়ের অপচয় রোধ: অনর্থক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার বা অপ্রয়োজনীয় আড্ডায় সময় নষ্ট না করা।সুতরাং, উপযুক্ত পরিকল্পনা, অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও আধুনিক কৌশলের যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নাদিয়া সময় সঞ্চয় করে তার কাজের গতিশীলতা আরও বৃদ্ধি করতে পারবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও