কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র • Combined Board • রাজশাহী, বরিশাল, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    শিল্প ফসল কী?

    (1)
  2. খ)

    কৃষিশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    ছকে উল্লিখিত 'A' চিহ্ন দ্বারা কী নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ছকে নির্দেশকৃত'?'-এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যেসব ফসল সরাসরি ব্যবহারের চেয়ে বিভিন্ন শিল্পকারখানায় কাঁচামাল হিসেবে প্রক্রিয়াজাতকরণের উদ্দেশ্যে প্রধানত চাষ করা হয়, সেগুলোকে শিল্প ফসল বলে (যেমন: পাট, চা, তুলা, আখ ইত্যাদি)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কৃষিশিক্ষা আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃষিকাজ পরিচালনা এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

    কৃষিশিক্ষার মাধ্যমে ফসলের উন্নত জাত নির্বাচন, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, সুষম সার ও কীটনাশকের সঠিক ব্যবহার, রোগবালাই ও পোকামাকড় দমন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার কলাকৌশল জানা যায়। এছাড়াও পশুপালন, মৎস্য চাষ ও বনায়নের আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান অর্জিত হয়, যা কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ছকে উল্লিখিত 'A' চিহ্ন দ্বারা 'কৃষির পরিধি' বা 'কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রসমূহ' নির্দেশ করা হয়েছে।

    ব্যাপক অর্থে মাটি ব্যবস্থাপনা, ফসল উৎপাদন, পশুপালন, হাঁস-মুরগি প্রতিপালন, মৎস্যচাষ ও বনায়নের সমন্বিত বিজ্ঞানসম্মত কার্যক্রমই হলো কৃষি। উদ্দীপকের চিত্রে দেখা যাচ্ছে, কেন্দ্রস্থ 'A' থেকে চারদিকে ছয়টি উপাদানের তীরচিহ্ন রয়েছে। এর মধ্যে মাঠ ফসল, উদ্যান ফসল, মৎস্য, পোল্ট্রি ও গবাদিপশু স্পষ্টভাবেই কৃষির প্রধান ক্ষেত্রগুলোকে নির্দেশ করে। কৃষির এই শাখাগুলো সম্মিলিতভাবে মানবজাতির মৌলিক চাহিদা—অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ইত্যাদির সংস্থান করে। সুতরাং, সামগ্রিক কৃষি ব্যবস্থাকে কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উপস্থাপন করতেই চিত্রে 'A' ব্যবহার করা হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ছকে নির্দেশকৃত '?' চিহ্নটি কৃষির অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র 'বনায়ন' বা 'বন'-কে নির্দেশ করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব অপরিসীম। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা: কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ভূখণ্ডের মোট আয়তনের প্রায় ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক। বনায়ন বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন সরবরাহ করে বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস করে।

    ২. প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ: উপকূলীয় ও গ্রামীণ বনায়ন ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও তীব্র বাতাসের গতিবেগ হ্রাস করে জনজীবন রক্ষা করে এবং মাটির ক্ষয়রোধ করে।

    ৩. অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও কাঁচামাল সরবরাহ: বন থেকে প্রাপ্ত কাঠ দিয়ে ঘরবাড়ি তৈরি ও আসবাবপত্র নির্মাণ করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন শিল্পকারখানা যেমন কাগজ, দিয়াশলাই, রেয়ন, প্লাইউড প্রভৃতির প্রধান কাঁচামাল হিসেবে কাঠ ও বাঁশ বন থেকেই সংগৃহীত হয়।

    ৪. জ্বালানি ও উপজাত সামগ্রী: গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জ্বালানির বড় অংশ বনজ কাঠ থেকে আসে। এছাড়া মধু, মোম, রাবার, রজন, ভেষজ ঔষধ ইত্যাদির অন্যতম উৎস হলো বনভূমি।

    ৫. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ: বনায়ন বন্যপ্রাণী ও পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করে জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

    অতএব, পরিবেশ রক্ষা ও দেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে '?' দ্বারা নির্দেশিত বনায়নের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন