গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    বুদ্ধ্যাংঙ্ক কী?

    (1)
  2. খ)

    প্রতিভাবান শিশুদের প্রতি পরিবার ও সমাজের দায়িত্ব রয়েছে— বুঝিয়ে লেখো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে (?) চিহ্নিত স্থানে কোন ধরনের শিশুদের বোঝানো হয়েছে? উক্ত শিশুদের শ্রেণিবিভাগ করো।

    (3)
  4. ঘ)

    এ ধরনের শিশুদের শিক্ষাদান পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বুদ্ধ্যাঙ্ক (Intelligence Quotient বা IQ) হলো কোনো ব্যক্তির বুদ্ধিমত্তা পরিমাপের একটি সূচক, যা তার মানসিক বয়সকে প্রকৃত বয়স দিয়ে ভাগ করে ১০০ দিয়ে গুণ করে নির্ণয় করা হয়। অর্থাৎ, বুদ্ধ্যাঙ্ক = (মানসিক বয়স ÷ প্রকৃত বয়স) × ১০০।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রতিভাবান শিশুরা সাধারণ শিশুদের চেয়ে মেধা ও মননে অনেক এগিয়ে থাকে, তাই তাদের প্রতিভা বিকাশের জন্য পরিবার ও সমাজের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। পরিবারকে শিশুর অনুসন্ধিৎসু মন ও বিশেষ দক্ষতাকে উৎসাহিত করতে হবে, তাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও উপকরণ নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের একাকীত্ব যেন তৈরি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। একই সাথে, সমাজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে উন্নত পাঠ্যক্রম, সৃজনশীল কাজের সুযোগ এবং সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করতে হবে যাতে তাদের প্রতিভার অপচয় না হয়ে দেশের কল্যাণে কাজে লাগে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে (?) চিহ্নিত স্থানে 'অটিস্টিক শিশু' বা 'দৃষ্টি/শ্রবণ প্রতিবন্ধী' ছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের তৃতীয় প্রধান শ্রেণি হিসেবে 'অটিস্টিক শিশু' (বা পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী/অটিস্টিক শিশু)-কে নির্দেশ করা হয়েছে। তবে গার্হস্থ্য বিজ্ঞান পাঠ্যবই অনুসারে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সাধারণত তিনটি প্রধান ভাগে আলোচনা করা হয়: প্রতিভাবান শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু এবং অটিস্টিক শিশু।

    অটিজম বা অটিস্টিক শিশুদের তীব্রতা অনুযায়ী বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়, অথবা সামগ্রিকভাবে প্রতিবন্ধী শিশুদের শ্রেণিবিভাগ হিসেবে বিবেচনা করলে:
    ১. মৃদু বা হালকা (Mild): এদের আচরণগত সমস্যা তুলনামূলক কম থাকে এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে পারে।
    ২. মধ্যম (Moderate): এদের ভাষা ও সামাজিক যোগাযোগে স্পষ্ট সমস্যা থাকে এবং নিয়মিত সহায়তা প্রয়োজন হয়।
    ৩. তীব্র বা গুরুতর (Severe): এরা অন্যের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল এবং এদের ভাববিনিময় ও দৈনন্দিন কাজে গভীর সহায়তা দরকার হয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে চিহ্নিত অটিস্টিক শিশুদের শিক্ষাদান পদ্ধতি সাধারণ শিশুদের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিশেষ যত্ন দাবি করে। এদের শিক্ষাদানের কার্যকর পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ:

    ১. বিশেষায়িত ও একমুখী শিক্ষাদান: অটিস্টিক শিশুদের মনোযোগ ধরে রাখার জন্য একক বা ব্যক্তিগত মনোযোগ দিয়ে শিক্ষা দিতে হয়।
    ২. দৃশ্যমান মাধ্যম (Visual Aids) ব্যবহার: এরা কথার চেয়ে ছবি, ফ্ল্যাশকার্ড ও চিহ্নের মাধ্যমে দ্রুত শিখতে পারে। তাই পড়াশোনায় ছবি ও রং ব্যবহার করা অত্যন্ত কার্যকর।
    ৩. পুনরাবৃত্তি ও ধাপে ধাপে নির্দেশনা: কোনো কাজ একবারে বড় পরিসরে না শিখিয়ে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করে বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে শেখাতে হবে।
    ৪. সংবেদনশীল পরিবেশ সৃষ্টি: অতিরিক্ত আলো, শব্দ বা কোলাহল এদের বিভ্রান্ত ও অস্থির করে তোলে। তাই শান্ত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি।
    ৫. সামাজিক ও দৈনন্দিন দক্ষতা প্রশিক্ষণ: পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি নিজের কাজ নিজে করা, অন্যের চোখের দিকে তাকানো এবং যোগাযোগ স্থাপনের ব্যবহারিক শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন।
    ৬. ইতিবাচক উৎসাহ ও পুরস্কার: যেকোনো ইতিবাচক কাজের জন্য সাথে সাথে প্রশংসা বা পুরস্কারের মাধ্যমে শিশুকে উৎসাহিত করা উচিত।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন