‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • সরকার কাঠামো ও সরকারের অঙ্গসমূহ • ঢাকা সিটি কলেজ • ঢাকা সিটি কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    গঠন কাঠামো অনুযায়ী আইন বিভাগ কত প্রকার?

    (1)
  2. খ)

    ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি কী?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত দ্বিতীয় বিভাগটির কার্যাবলী বর্ণনা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে (?) চিহ্নিত বক্সে কোন বিভাগ হবে? তার স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণে তোমার সুপারিশসমসূহ উপস্থাপন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গঠন কাঠামো অনুযায়ী আইন বিভাগ দুই প্রকার— এক কক্ষবিশিষ্ট এবং দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি হলো এমন একটি রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক তত্ত্ব, যেখানে সরকারের তিনটি প্রধান অঙ্গ— আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ— একে অপরের নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ মুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে। ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু তাঁর 'The Spirit of the Laws' গ্রন্থে এই নীতির বিশদ ব্যাখ্যা দেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা এবং নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লেখিত দ্বিতীয় বিভাগটি হলো 'শাসন বিভাগ'। শাসন বিভাগ রাষ্ট্রের দৈনন্দিন পরিচালনা ও আইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে।

    শাসন বিভাগের প্রধান কার্যাবলী নিচে আলোচনা করা হলো:
    ১. আইন প্রয়োগ ও শাসনকার্য পরিচালনা: আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন কার্যকর করা এবং দেশের অভ্যন্তরে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা শাসন বিভাগের মূল দায়িত্ব।
    ২. প্রশাসনিক কার্যাবলী: রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি ও সামগ্রিক তদারকি শাসন বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয়।
    ৩. পররাষ্ট্র বিষয়ক কার্যাবলী: অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, চুক্তি সম্পাদন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব শাসন বিভাগই করে থাকে।
    ৪. প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কার্যাবলী: দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার জন্য সামরিক বাহিনীকে সংগঠিত ও পরিচালনা করা এবং যুদ্ধ ঘোষণা বা শান্তি চুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া।
    ৫. আর্থিক কার্যাবলী: রাষ্ট্রের বাজেট প্রণয়ন, কর নির্ধারণ ও তা আদায়ের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে (?) চিহ্নিত বক্সে সরকারের 'আইন বিভাগ' হবে। সরকারের তিনটি মৌলিক অঙ্গের মধ্যে ছকে বিচার বিভাগ ও শাসন বিভাগের পাশাপাশি তৃতীয় বিভাগটি হলো আইন বিভাগ।

    আইন বিভাগের স্বাধীনতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিতকরণে আমার সুপারিশসমূহ নিচে উপস্থাপন করা হলো:
    ১. শাসন বিভাগের প্রভাবমুক্ত রাখা: আইনসভাকে স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনার পূর্ণ সুযোগ দিতে হবে, যাতে শাসন বিভাগ কোনো অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ করতে না পারে।
    ২. সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের সংস্কার (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে): সংসদ সদস্যদের নিজস্ব মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিতর্কিত ৭০ অনুচ্ছেদের যৌক্তিক সংস্কার বা শিথিলকরণ প্রয়োজন, যাতে বিবেক অনুযায়ী স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকে।
    ৩. সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোর সক্রিয়করণ: মন্ত্রণালয়গুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোকে বিরোধী দলের সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণে শক্তিশালী ও কার্যকর করা।
    ৪. বিরোধী দলের যথাযথ মর্যাদা ও ভূমিকা: আইনসভায় কার্যকর বিতর্ক এবং গঠনমূলক সমালোচনার সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য বিরোধী দলকে পর্যাপ্ত সময় ও গুরুত্ব প্রদান করা।
    ৫. স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিতকরণ: অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিদের আইনসভায় আসার পথ সুগম করা।

    উপরোক্ত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী এবং গতিশীল আইন বিভাগ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন