পরিসংখ্যান ১ম পত্র • Combined Board • রাজশাহী, যশোর, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯
পরিসংখ্যান ১ম পত্র প্রশ্ন
ধানের উৎপাদন আশানুরূপ হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী। খাদ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি মনিটরিং সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।
- ক)(1)
সরকারি পরিসংখ্যান কী?
- খ)(2)
খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো কি একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকের আলোকে প্রাপ্ত তথ্যের সীমাবদ্ধতাগুলো লিখ।
- ঘ)(4)
মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাড়াতে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পরিদপ্তর ও সংস্থা কর্তৃক তাদের প্রশাসনিক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার লক্ষ্যে যে পরিসংখ্যান প্রস্তুত ও প্রকাশ করা হয়, তাকে সরকারি পরিসংখ্যান বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
না, খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) একমাত্র উৎস নয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো দেশের জাতীয় পরিসংখ্যান প্রস্তুতকারী প্রধান প্রতিষ্ঠান হলেও খাদ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE), খাদ্য অধিদপ্তর এবং খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিট (FPMU) থেকেও চাল ও অন্যান্য ফসলের উৎপাদন, মজুত ও বাজারদরের সরকারি তথ্য পাওয়া যায়। সুতরাং, পরিসংখ্যান ব্যুরো ছাড়াও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক সরকারি সংস্থা তথ্য পাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উৎস। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে চালের উৎপাদন পর্যাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও বাজারে দাম বৃদ্ধি পাওয়ার ঘটনায় প্রাপ্ত তথ্যের সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতাগুলো নিম্নরূপ:
১. তথ্যের নির্ভুলতার অভাব: ধানের উৎপাদনের যে প্রাক্কলন করা হয়েছিল তা মাঠপর্যায়ের প্রকৃত ফলনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।
২. মজুতদারির তথ্যের ঘাটতি: মধ্যস্বত্বভোগী বা মিল মালিকরা বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির জন্য কী পরিমাণ চাল গুদামজাত বা মজুত করেছে, সে সংক্রান্ত তথ্যের ঘাটতি থাকে।
৩. বাজার সরবরাহের তথ্যের সীমাবদ্ধতা: উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত সরবরাহ চেইনে বিভিন্ন স্তরের পরিবহন খরচ, মধ্যস্বত্বভোগীদের মুনাফা ইত্যাদির সময়োপযোগী তথ্যের অভাব।
৪. দেরিতে তথ্য প্রাপ্তি: বাজার অস্থির হওয়ার সাথে সাথে রিয়েল-টাইম বা তাৎক্ষণিক তথ্যের অপ্রতুলতা। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মনিটরিং সেল কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা ও যথার্থতা বাড়াতে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা উচিত:
১. মাঠপর্যায়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ: তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে সরাসরি চালের আড়ত, পাইকারি বাজার ও অটো রাইস মিলগুলোতে নিয়মিত আকস্মিক পরিদর্শন ও তদন্ত পরিচালনা করা।
২. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার: ডিজিটাল ডেটাবেজ, অনলাইন ট্র্যাকিং এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিদিনের চালের মজুত, পাইকারি ও খুচরা মূল্যের তথ্য রিয়েল-টাইমে সংগ্রহ ও হালনাগাদ করা।
৩. প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল নিয়োগ: তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত কর্মীদের পরিসংখ্যানগত পদ্ধতি, প্রশ্নমালা পূরণ এবং তথ্য সংগ্রহের কৌশল সম্পর্কে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করা।
৪. বিভিন্ন উৎসের তথ্যের সমন্বয় ও যাচাই: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খাদ্য অধিদপ্তর ও স্থানীয় বাজার কর্তৃপক্ষের তথ্যের মধ্যে আন্তঃযাচাই বা ক্রস-চেক (Cross-checking) নিশ্চিত করা।
৫. স্বচ্ছতা ও কঠোর মনিটরিং: কৃত্রিম মজুতদারি চিহ্নিত করতে মজুতের সঠিক তথ্য প্রদর্শনে কঠোর আইনি ব্যবস্থা রাখা, যাতে কোনো পক্ষ ভুল তথ্য সরবরাহ করতে না পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও