ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র • Combined Board • রাজশাহী, চট্টগ্রাম, যশোর, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০২২
ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র প্রশ্ন
মহানবি (সা.) মিরাজ রজনীতে মহান আল্লাহর দিদার লাভ করেন এবং উম্মতের জন্য প্রতিদিন পাঁচবার আদায়যোগ্য একটি ইবাদাত নিয়ে আসেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ ঘোষণা করেছেন যে, একমাত্র ইবাদাত করার জন্যই তিনি জিন এবং মানুষকে সৃষ্টি করেছেন।
- ক)(1)
عِبَادَةٌ (ইবাদাতুন) অর্থ কি ?
- খ)(2)
‘সালাত মুমিনের জন্য মিরাজস্বরূপ – বুঝিয়ে লেখ ।
- গ)(3)
'নিশ্চয়ই সালাত অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে' পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর ।
- ঘ)(4)
সালাতের সামাজিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
عِبَادَةٌ (ইবাদাতুন) শব্দের অর্থ হলো দাসত্ব, আনুগত্য বা চরম বিনয় প্রকাশ করা।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মিরাজ রজনীতে মহানবি (সা.) সরাসরি আল্লাহর নৈকট্য ও সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। অনুরূপভাবে, একজন মুমিন বান্দা যখন গভীর একাগ্রতা, বিনয় ও নিষ্ঠার সাথে সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে সরাসরি মহান আল্লাহর সাথে আত্মিক যোগাযোগ স্থাপন করে ও তাঁর সর্বোচ্চ নৈকট্য অর্জন করে। এজন্য হাদিস শরিফে বলা হয়েছে—"আস-সালাতু মিরাজুল মুমিনিন" অর্থাৎ 'সালাত মুমিনের জন্য মিরাজস্বরূপ'।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, "নিশ্চয়ই সালাত অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে" (সুরা আল-আনকাবুত: ৪৫)।
সালাত একজন মুমিনের মনে আল্লাহর উপস্থিতি ও জবাবদিহিতার অনুভূতি সর্বদা জাগ্রত রাখে। দিনে পাঁচবার সালাত আদায় করার মাধ্যমে বান্দা মহান আল্লাহর স্মরণ এবং পবিত্রতায় নিয়োজিত থাকে। সালাত আদায়কারী ব্যক্তি সর্বদা অন্যায়, পাপ, মিথ্যাচার এবং যাবতীয় অশ্লীলতা থেকে নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ রাখার তাগিদ অনুভব করে। নিয়মিত ও একনিষ্ঠভাবে সালাত কায়েম করলে মানুষের অন্তরে তাকওয়ার সৃষ্টি হয়, যা তাকে প্রাত্যহিক জীবনে খারাপ ও নীতিহীন কাজ থেকে বিরত রাখে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইসলামে সালাতের সামাজিক গুরুত্ব অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও তাৎপর্যপূর্ণ।
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত জামাতে সালাত আদায়ের মাধ্যমে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ একই কাতারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে ধনী-দরিদ্র, রাজা-প্রজা এবং বর্ণ-শ্রেণি নির্বিশেষে সব ধরনের বৈষম্য দূর করে চরম সাম্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করে। এটি পারস্পরিক সহানুভূতি, সম্প্রীতি ও একতা বৃদ্ধি করে এবং দৈনিক দেখা-সাক্ষাতের ফলে সমাজের মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হয়। এছাড়া জামাতে ইমামের আনুগত্য করার মাধ্যমে সমাজে শৃঙ্খলাবোধ, দায়িত্বশীলতা ও নিয়মানুবর্তিতা চর্চা গড়ে ওঠে। অতএব, একটি সুশৃঙ্খল, বৈষম্যহীন ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সমাজ গঠনে সালাতের ভূমিকা অপরিসীম।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও