গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • রাজশাহী, চট্টগ্রাম, যশোর, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০২২

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    ফিটাসের হৃদস্পন্দন পরীক্ষার জন্য কোন পরীক্ষা করতে দেয়?

    (1)
  2. খ)

    নিরাপদ মাতৃত্ব বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১ এর '?' চিহ্নিত স্থান কণার যে ধরনের যত্ন নির্দেশ করে তা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-২ এ নির্দেশিত অবস্থা প্রতিরোধে আমাদের করণীয় বিষয়সমূহ বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ফিটাসের হৃদস্পন্দন পরীক্ষার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাফি (Ultrasonography) অথবা ফিটাল ডপলার টেস্ট করতে দেওয়া হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নিরাপদ মাতৃত্ব বলতে বোঝায় গর্ভধারণের পূর্ব প্রস্তুতি থেকে শুরু করে গর্ভাবস্থা, প্রসবকালীন এবং প্রসবোত্তর সময়ে মা ও নবজাতকের সুস্থতা নিশ্চিত করা। এর মূল লক্ষ্য হলো গর্ভকালীন জটিলতা দূর করে মা ও শিশুর মৃত্যুহার হ্রাস করা এবং তাদের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি প্রদান নিশ্চিত করা।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১ এর '?' চিহ্নিত স্থানটি গর্ভবতী মা কণার 'মানসিক যত্ন' নির্দেশ করে।

    গর্ভাবস্থায় শারীরিক যত্নের পাশাপাশি মানসিক যত্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভকালে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে নারীর মনমেজাজে ঘন ঘন পরিবর্তন, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও ভয় দেখা দিতে পারে। তাই এই সময়ে গর্ভবতী মায়ের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা পরিবারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

    মানসিক যত্নের অংশ হিসেবে কণাকে সর্বদা প্রফুল্ল, দুশ্চিন্তামুক্ত ও আনন্দময় পরিবেশে রাখতে হবে। তাঁর ওপর কোনো মানসিক চাপ সৃষ্টি করা যাবে না। পরিবারের সদস্যদের সহানুভূতিশীল আচরণ, সঙ্গ দেওয়া এবং যেকোনো ভীতি দূর করতে ইতিবাচক উৎসাহ প্রদান করা জরুরি। কণার মানসিক প্রশান্তি গর্ভস্থ শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-২ এ ১৪ বছর বয়সী মায়ের ক্ষেত্রে মা ও শিশুর মৃত্যুঝুঁকি এবং অপরিণত বা কম ওজনের শিশুর জন্ম নির্দেশ করা হয়েছে, যা মূলত বাল্যবিবাহ ও অল্প বয়সে গর্ভধারণের কুফল। এই অবস্থা প্রতিরোধে আমাদের করণীয় বিষয়সমূহ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. বাল্যবিবাহ রোধ: আইন অনুযায়ী মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর বাস্তবায়ন করতে হবে এবং বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

    ২. গণসচেতনতা বৃদ্ধি: অল্প বয়সে মা হওয়ার মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি, যেমন—প্রসবজনিত জটিলতা, ফিস্টুলা, মা ও শিশুর মৃত্যু ইত্যাদি সম্পর্কে পরিবার ও সমাজে ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে।

    ৩. মেয়েদের শিক্ষা নিশ্চিতকরণ: মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিলে বাল্যবিবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।

    ৪. স্বাস্থ্যসেবা ও পরামর্শ প্রদান: কৈশোরে প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক শিক্ষা প্রদান এবং পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

    ৫. পুষ্টি ও পরিচর্যা: কোনো কারণে কিশোরী বয়সে গর্ভধারণ ঘটে থাকলে তাকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে বিশেষ পুষ্টিকর খাদ্য ও অ্যান্টিনেটাল কেয়ার (ANC) নিশ্চিত করতে হবে।

    সুতরাং, বাল্যবিবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করা এবং কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমেই দৃশ্যকল্প-২ এর এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন