কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র • ভূমি সম্পৃক্ত কৃষি প্রযুক্তি • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, বরিশাল, দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫
কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র প্রশ্ন
বাংলাদেশে সেচের পানির সংকট দিন দিন বাড়ছে। তাই ফসল উৎপাদনের জন্য খাল-বিলসহ বিভিন্ন জলাধারে বিভিন্ন উপায়ে সেচের পানি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। এ সমস্ত পানি দ্বারা পরবর্তীতে ফসলের জমিতে বিভিন্ন পদ্ধতিতে সেচ প্রদান করা যেতে পারে। পানি সেচের বিভিন্ন পদ্ধতিসমূহের মধ্যে একটি বহুল প্রচলিত সেচ পদ্ধতি রয়েছে। এ পদ্ধতিতে সারিতে বপন বা ছিটিয়ে বপন করা ফসলের জমিতে প্লাবন আকারে সেচ প্রদান করা হয়।
- ক)(1)
ভূমিক্ষয় কী?
- খ)(2)
মাটির pH জানা প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা করো
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত সেচ পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
বাংলাদেশে সেচের পানির সংকট মোকাবেলায় জলাধারে কীভাবে পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি (যেমন— বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ) বা মানুষের নানাবিধ কর্মকাণ্ডের ফলে মাটির উপরিভাগের কণা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হওয়াকে ভূমিক্ষয় বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মাটির pH জানা অত্যন্ত প্রয়োজন, কারণ এর ওপর মাটিতে পুষ্টি উপাদানের সহজলভ্যতা এবং ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নির্ভর করে। মাটির অম্লত্ব বা ক্ষারত্বের মাত্রা (pH) জানার মাধ্যমে মাটিতে কী পরিমাণ চুন বা অন্যান্য সংশোধনকারী দ্রব্য ও সার প্রয়োগ করতে হবে তা নির্ধারণ করা যায় এবং উপযুক্ত ফসল নির্বাচন সহজ হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত সেচ পদ্ধতিটি হলো 'প্লাবন সেচ' (Flood Irrigation)।
প্লাবন সেচ পদ্ধতিতে প্রধান নালা থেকে পানি সরাসরি ফসলের জমিতে প্রবেশ করানো হয় এবং পুরো জমি পানিতে প্লাবিত করে সেচ দেওয়া হয়। সাধারণত সমতল জমিতে ঘন করে বা ছিটিয়ে বপন করা ফসলে (যেমন— ধান, গম ইত্যাদি) এ পদ্ধতিতে সেচ প্রদান করা হয়। এতে কম পরিশ্রমে দ্রুত বেশি জমিতে পানি সরবরাহ করা সম্ভব হলেও তুলনামূলকভাবে পানির অপচয় বেশি হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর প্রতিনিয়ত নেমে যাওয়ায় সেচ সংকট তীব্র হচ্ছে; এই সংকট মোকাবিলায় জলাধারে বৃষ্টির পানি ও ভূ-উপরিস্থ পানি সংরক্ষণ অত্যন্ত কার্যকর সমাধান।
১. খাল-বিল ও নদী খনন: পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া স্থানীয় খাল-বিল এবং জলাশয়গুলো সময়মতো পুনঃখনন করে তাদের পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়।
২. বৃষ্টির পানি সংগ্রহ (Rainwater Harvesting): বর্ষা মৌসুমে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খাল, দীঘি বা পুকুরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমের জন্য জমিয়ে রাখা সম্ভব।
৩. স্লুইসগেট ও ক্রসড্যাম নির্মাণ: নদী বা খালের মুখে স্লুইসগেট বা রাবার ড্যাম/ক্রসড্যাম স্থাপন করে বর্ষা পরবর্তী সময়ে জোয়ার বা উজান থেকে আসা মিঠা পানি আটকে রেখে সেচ কাজে ব্যবহার করা যায়।এভাবে ভূ-উপরিস্থ জলাশয়ে পানি সংরক্ষণ করলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমে এবং শুষ্ক মৌসুমে নির্ভরযোগ্য সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও