পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • দেশপ্রেম ও জাতীয়তা • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
জনসমাজ + রাজনৈতিক চেতনা = ?জাতীয়তাবোধ উদ্ভূত জনসমাজ + রাজনৈতিক সংগঠন ও স্বাধীনতা = জাতি
- ক)(1)
জাতীয়তাবাদের স্বর্ণযুগ কোন শতক?
- খ)(2)
দেশপ্রেম বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত বিষয়টি বিশ্লেষণ করো।
- ঘ)(4)
উক্ত বিষয়ের উপাদানসমূহ তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জাতীয়তাবাদের স্বর্ণযুগ হলো উনবিংশ (১৯শ) শতাব্দী।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দেশপ্রেম বলতে নিজের দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, আনুগত্য এবং দেশের মঙ্গলের জন্য আত্মত্যাগের মানসিকতাকে বোঝায়। দেশপ্রেম হলো একটি মানসিক বা আত্মিক অনুভূতি, যার মাধ্যমে একজন নাগরিক নিজ দেশকে আপন ভেবে তার সার্বিক উন্নতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত বিষয়টি হলো 'জাতীয়তা' (Nationality)।
জনসমাজ যখন রাজনৈতিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়, তখন তাকে জাতীয়তা বলে। অর্থাৎ, জনসমাজ + রাজনৈতিক চেতনা = জাতীয়তা।
জাতীয়তা মূলত একটি মানসিক বা মনস্তাত্ত্বিক ধারণা। একটি নির্দিষ্ট জনসমষ্টির মধ্যে যখন ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ধর্ম বা ইতিহাসের অভিন্নতার কারণে ঐক্যবদ্ধ মানসিক অনুভূতির সৃষ্টি হয় এবং সেই জনসমষ্টি নিজেদের অন্য জনসমাজ থেকে পৃথক ভাবতে শুরু করে, তখন জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। এই রাজনৈতিক চেতনা বা আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের আকাক্সক্ষাই একটি সাধারণ জনসমাজকে জাতীয়তায় রূপান্তরিত করে। সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত সূত্র অনুযায়ী '?' চিহ্নিত বিষয়টি হলো জাতীয়তা।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয় অর্থাৎ জাতীয়তার গঠনকারী উপাদানসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয়তা গঠনের প্রধান উপাদানগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. ভৌগোলিক ঐক্য: নির্দিষ্ট কোনো ভূখণ্ডে দীর্ঘকাল ধরে একত্রে বসবাস করার ফলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ঐক্যের বন্ধন গড়ে ওঠে।
২. বংশগত ঐক্য: একই বংশোদ্ভূত বা রক্তের সম্পর্ক মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে প্রাচীনকাল থেকেই শক্তিশালী ভূমিকা রেখে আসছে।
৩. ভাষা ও সাহিত্যের ঐক্য: অভিন্ন ভাষা ও সাহিত্য মানুষের মনের ভাব আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক ভাবগত ঐক্যের সৃষ্টি করে।
৪. ধর্মীয় ঐক্য: ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের অভিন্নতা জনসমাজকে সুদৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ করে।
৫. সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ঐক্য: রীতিনীতি, ঐতিহ্য, পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি অভিন্ন সংস্কৃতির চর্চা জাতীয়তাবোধ সুদৃঢ় করে।
৬. ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ঐক্য: অভিন্ন সুখ-দুঃখ, বিজয়, সংগ্রাম ও ঐতিহাসিক অতীত স্মৃতি মানুষকে গভীরভাবে একাত্ম করে।
৭. রাজনৈতিক চেতনা বা আশা-আকাঙ্ক্ষা: একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন বা আত্মনিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষা জাতীয়তা গঠনের অন্যতম প্রধান উপাদান।পরিশেষে বলা যায়, উপরোক্ত উপাদানগুলোর সম্মিলিত প্রভাবেই একটি জনসমাজ জাতীয়তায় রূপ লাভ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও