‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

মনির ও আকাশ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করে। জাতীয় নির্বাচনে তারা গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ভোট প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তারা মনে করে, রাষ্ট্রের প্রতি তাদের এই দায়িত্ব পালন করা উচিত।

  1. ক)

    বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে?

    (1)
  2. খ)

    আইন মান্য করাকে কেন কর্তব্য বলে মনে করা হয়?

    (2)
  3. গ)

    মনির ও আকাশ কোন ধরনের অধিকার প্রয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত অধিকারটি অন্য অধিকার ভোগের ক্ষেত্রে অধিকতর গুরুত্ব বহন করে-বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আইন মান্য করা নাগরিকের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক কর্তব্য। সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জানমালের নিরাপত্তা প্রদান এবং সার্বিক কল্যাণের স্বার্থেই রাষ্ট্র আইন প্রণয়ন করে। নাগরিকরা আইন মান্য না করলে সমাজে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে, যার ফলে নাগরিকরা নিজেদের অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে না। তাই নাগরিক জীবনের সামগ্রিক কল্যাণ ও শৃঙ্খলার স্বার্থে আইন মান্য করা কর্তব্য।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মনির ও আকাশ 'রাজনৈতিক অধিকার' (বিশেষ করে ভোটাধিকার) প্রয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    যেসব অধিকার ভোগের মাধ্যমে নাগরিকরা রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়, সেগুলোকে রাজনৈতিক অধিকার বলে। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো ভোটাধিকার বা নির্বাচন করার অধিকার।

    উদ্দীপকে মনির ও আকাশ জাতীয় নির্বাচনে গ্রামে গিয়ে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যা নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিনিধি নির্বাচনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এটি সরাসরি তাদের রাজনৈতিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ভোটাধিকার তথা রাজনৈতিক অধিকার অন্যান্য অধিকার ভোগের নিশ্চয়তা বিধানে অধিকতর গুরুত্ব বহন করে—উক্তিটি যথার্থ।

    গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের ভোটাধিকার কেবল একটি অধিকার নয়, বরং সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষার প্রধান হাতিয়ার। নাগরিকরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে এমন একটি সরকার নির্বাচন করে, যা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকে।

    যদি ভোটাধিকার কার্যকর না থাকে, তবে স্বৈরাচারী শাসনের উত্থান ঘটতে পারে, যা জনগণের বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সম্পদের অধিকার ও সমান সুযোগের মতো মৌলিক অধিকারগুলোকে খর্ব করে। পক্ষান্তরে, সচেতনভাবে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নাগরিকরা একটি কার্যকর শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে, যা নাগরিকের জীবন-সম্পত্তির নিরাপত্তা, সামাজিক সাম্য এবং অর্থনৈতিক অধিকার ভোগের পরিবেশ সুনিশ্চিত করে। অতএব, অন্যান্য অধিকার সুরক্ষার ভিত্তি হিসেবে রাজনৈতিক অধিকার তথা ভোটাধিকারের গুরুত্ব সর্বাধিক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন