পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার • ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ • ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
করিম ও রহিমা চাচাতো ভাইবোন। তাদের উভয়ের ভোট প্রদান, পেশা বাছাই ও ধর্মচর্চার সমান অধিকার রয়েছে। তারা একসাথে একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করে। কাজের ধরনও একই কিন্তু করিমের মজুরি রহিমার চেয়ে বেশি।
- ক)(1)
আইন কী?
- খ)(2)
স্বাধীনতার রক্ষাকবচ বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লেখিত অধিকারগুলো ছাড়াও একজন নাগরিকের আরো কি কি রাজনৈতিক অধিকার রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
রহিমা কোন ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে? এটি নিবারণের উপায় ব্যাখ্যা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আইন হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত এবং সরকার কর্তৃক বলবৎকৃত এমন কিছু নিয়ম-কানুন, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
স্বাধীনতার রক্ষাকবচ বলতে এমন সব সাংবিধানিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক ব্যবস্থাকে বোঝায়, যা নাগরিকের ব্যক্তি স্বাধীনতাকে রক্ষা করে এবং যেকোনো ধরনের আগ্রাসন বা হস্তক্ষেপ থেকে তা সুরক্ষিত রাখে। যেমন—আইনের শাসন, মৌলিক অধিকারের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, স্বাধীন বিচার বিভাগ, ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ ইত্যাদি। এগুলোর অনুপস্থিতিতে ব্যক্তিস্বাধীনতা অর্থহীন ও বিপন্ন হয়ে পড়ে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে করিম ও রহিমার ভোট প্রদানের অধিকারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা একটি অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক অধিকার। এটি ছাড়াও একজন নাগরিকের রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণের নিমিত্তে আরও একাধিক রাজনৈতিক অধিকার রয়েছে:
১. নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার: যোগ্য নাগরিক হিসেবে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার রয়েছে।
২. সরকারি চাকরি লাভের অধিকার: যোগ্যতা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে বা সরকারি পদে নিয়োগ লাভের সমান সুযোগ।
৩. রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার: নিজের পছন্দসই রাজনৈতিক দল গঠন বা তাতে যোগদানের অধিকার।
৪. আবেদন করার বা অভাব-অভিযোগ পেশ করার অধিকার: যেকোনো দাবি-দাওয়া বা অভিযোগ প্রতিকারের জন্য সরকারের কাছে স্মারকলিপি বা আবেদন পেশ করার অধিকার।
৫. সরকারের সমালোচনা করার অধিকার: স্বাধীনভাবে ও গঠনমূলকভাবে সরকারের নীতি ও কাজের সমালোচনা করার অধিকার রাজনৈতিক অধিকারের অংশ। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে রহিমা অর্থনৈতিক অধিকার, বিশেষত 'সমান কাজে সমান মজুরি' লাভের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। করিম ও রহিমা একই ফ্যাক্টরিতে একই ধরনের কাজ করা সত্ত্বেও লিঙ্গভেদে রহিমার মজুরি কম নির্ধারণ করা স্পষ্টতই শ্রম শোষণ ও অর্থনৈতিক বৈষম্য।
এটি নিবারণের উপায়সমূহ নিম্নরূপ:
১. শ্রম আইনের কার্যকর প্রয়োগ: বিদ্যমান শ্রম আইনে 'সমান কাজের জন্য সমান মজুরি' নীতি বাধ্যতামূলক করা এবং তা যথাযথভাবে তদারকি করা।
২. লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য দূরীকরণ: কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কাজের সমান মূল্যায়ন নিশ্চিত করা এবং নারীদের প্রতি প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আনা।
৩. মনিটরিং ও কারখানা পরিদর্শন: শ্রম অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে মজুরি বৈষম্য শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৪. সচেতনতা বৃদ্ধি ও ট্রেড ইউনিয়ন: নারী শ্রমিকদের তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা এবং কারখানা পর্যায়ে স্বাধীন ও কার্যকর ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে ন্যায্য মজুরির দাবি তোলা।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও