পরিসংখ্যান ১ম পত্র • Combined Board • রাজশাহী, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২

পরিসংখ্যান ১ম পত্র প্রশ্ন

বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হল সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান। আমরা বিভিন্ন উৎস থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়ে থাকি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো তার মধ্যে অন্যতম। কিন্তু অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি লক্ষ্য করা যায় যেমন- সংগ্রহের ত্রুটি, তথ্যের অপর্যাপ্ততা, অদক্ষ সংগ্রহকারী ইত্যাদি।

  1. ক)

    প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?

    (1)
  2. খ)

    সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে পার্থক্য লিখ।

    (2)
  3. গ)

    বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের কিভাবে উৎকর্ষতা সাধন করা যায় তা নিজের মত বর্ণনা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি সংস্থা কর্তৃক সংগৃহীত ও প্রক্রিয়াজাত হয়ে যেসব পরিসংখ্যানগত তথ্য প্রতিবেদন, সাময়িকী বা পুস্তিকাকারে সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রকাশ করা হয়, তাকে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো নিম্নরূপ:
    ১. উৎস: সরকারি পরিসংখ্যান সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা রাষ্ট্রীয় সংস্থা (যেমন- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো) কর্তৃক সংগৃহীত ও প্রকাশিত হয়। অপরদিকে, বেসরকারি পরিসংখ্যান বিভিন্ন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, এনজিও, বাণিজ্যিক সংস্থা বা ব্যক্তি উদ্যোগে সংগৃহীত ও প্রকাশিত হয়।
    ২. নির্ভরযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা: সরকারি পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্যতা, আইনি ভিত্তি ও সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা সাধারণত বেশি থাকে; পক্ষান্তরে বেসরকারি পরিসংখ্যান নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যভিত্তিক হওয়ায় এর পরিধি সীমিত হতে পারে এবং তুলনামূলক যাচাইয়ের প্রয়োজন পড়ে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যান জাতীয় উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে:
    ১. পরিকল্পনা প্রণয়ন: দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, বাজেট প্রণয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশল নির্ধারণে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উপাত্ত অপরিহার্য।
    ২. জনমিতিক ও সামাজিক চিত্র: জনসংখ্যা বৃদ্ধি, সাক্ষরতার হার, জন্ম-মৃত্যুর হার, দারিদ্র্যের হার ইত্যাদি পরিমাপ করে উপযুক্ত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গ্রহণে সহায়তা করে।
    ৩. অর্থনৈতিক সূচক নির্ধারণ: জাতীয় আয় (জিডিপি), মূল্যস্ফীতি, আমদানি-রপ্তানি ও কর্মসংস্থানের সঠিক চিত্র পাওয়ার জন্য গবেষক ও নীতিপ্রণেতারা এই পরিসংখ্যান ব্যবহার করেন।
    ৪. গবেষণা ও আন্তর্জাতিক তুলনা: বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা (যেমন- বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ) বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি পর্যালোচনায় এই প্রকাশিত পরিসংখ্যান ব্যবহার করে থাকে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের কিছু সীমাবদ্ধতা যেমন—সংগ্রহের ত্রুটি, তথ্যের অপর্যাপ্ততা এবং অদক্ষ সংগ্রহকারীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই ত্রুটিগুলো দূর করে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা সাধনে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে:
    ১. দক্ষ কর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ: মাঠপর্যায়ে তথ্যসংগ্রহকারীদের পরিসংখ্যানিক পদ্ধতি ও ডিজিটাল উপাত্ত সংগ্রহ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা উচিত।
    ২. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার: কাগজের ফর্ম ব্যবহারের পরিবর্তে ট্যাবলেট/স্মার্টফোনভিত্তিক ডিজিটাল ও রিয়েল-টাইম ডাটা এন্ট্রি (CAPI) নিশ্চিত করলে উপাত্ত সংকলনের সময় ও ভুল উভয়ই হ্রাস পাবে।
    ৩. তথ্যের সঠিক পরিধি ও পর্যাপ্ততা নিশ্চিতকরণ: তথ্যের অভাব দূর করতে জরিপের পরিধি বাড়ানো এবং প্রতিনিধিত্বশীল নমুনা চয়ন নিশ্চিত করা আবশ্যক।
    ৪. নিয়মিত পরিবীক্ষণ ও যাচাইকরণ: সংগৃহীত তথ্য দ্বিতীয় দফায় স্ক্রুটিনি বা কোয়ালিটি চেকিংয়ের মাধ্যমে ভুলের মাত্রা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
    ৫. সমন্বয় ও আধুনিকায়ন: বিবিএস (BBS)-এর সাথে অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী সমন্বয় গড়ে তোলা।

    উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করলে প্রকাশিত তথ্যের সঠিকতা ও নির্ভরযোগ্যতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন