কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র • বাংলাদেশের কৃষি • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট বোর্ড ২০১৭

কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    কৃষিশিক্ষা কী?

    (1)
  2. খ)

    কৃষি তথ্য সেবায় মোবাইল ফোন কী কাজে লাগে, ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    চিত্রে প্রদর্শিত উদ্ভিদটি কোন জাতীয় ফসল? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্ভিদটি চাষ করা কি লাভজনক? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কৃষির বিভিন্ন বিষয় যেমন—ফসল উৎপাদন, পশুপালন, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষ ও বনায়ন সম্পর্কিত তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করার প্রক্রিয়াকে কৃষিশিক্ষা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কৃষি তথ্য সেবায় মোবাইল ফোন দ্রুততম ও সহজ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। কৃষক ঘরে বসেই কৃষি কল সেন্টারের (যেমন- ১৬১২৩) মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি কথা বলে ফসল, গবাদিপশু ও মাছের রোগবালাই প্রতিকার সম্পর্কে তাৎক্ষণিক পরামর্শ পেতে পারেন। এছাড়া এসএমএস বা ভয়েস বার্তার মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, বাজারমূল্য ও বিভিন্ন কৃষিপ্রযুক্তির তথ্য সহজে জানা যায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চিত্রে প্রদর্শিত উদ্ভিদটি হলো বেগুন গাছ, যা একটি উদ্যান ফসল বা সবজি জাতীয় ফসল।

    যেসব ফসল সাধারণত কম জায়গায় বা বসতবাড়ির আশপাশে নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে চাষ করা হয়, সেগুলোকে উদ্যান ফসল বলে। বেগুন বাংলাদেশে সারা বছর বা প্রধানত শীত ও গ্রীষ্ম মৌসুমে উৎপাদিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর সবজি। এটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ এবং সাধারণত বীজতলায় চারা তৈরি করে জমিতে নির্দিষ্ট দূরত্বে রোপণ করে যত্ন সহকারে চাষ করা হয়। যেহেতু বেগুন কাঁচা ও রান্না করে তরকারি বা সবজি হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তাই অর্থনৈতিক ও কৃষিতাত্ত্বিক শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী এটি উদ্যান ফসলের অন্তর্গত সবজি ফসল।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রদর্শিত উদ্ভিদটি (বেগুন) চাষ করা অত্যন্ত লাভজনক। নিচে এর সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলো:

    ১. উচ্চ ফলন ও বাজার চাহিদা: বেগুন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় সবজি। প্রায় সারা বছরই বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা থাকে। উন্নত জাতের (যেমন- বারি বেগুন, হাইব্রিড জাতসমূহ) চাষ করলে স্বল্প জমিতে প্রচুর ফলন পাওয়া যায়।
    ২. বহুমুখী মৌসুমে চাষযোগ্যতা: বেগুন শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন—উভয় মৌসুমেই চাষ করা যায়। ফলে সারা বছর চাষ করে কৃষক নিয়মিত আয় করতে পারেন।
    ৩. স্বল্প মেয়াদে উৎপাদন: চারা রোপণের ৬০-৭০ দিনের মধ্যেই ফলন পাওয়া শুরু হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে বারবার বেগুন সংগ্রহ ও বিক্রি করা যায়, যা কৃষকের ধারাবাহিক অর্থ প্রবাহ নিশ্চিত করে।
    ৪. ব্যয় ও মুনাফার অনুপাত: অন্যান্য ফসলের তুলনায় সঠিক পরিচর্যা ও রোগবালাই দমন করতে পারলে এতে তুলনামূলক কম খরচে বেশি মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। এছাড়া আধুনিক বিটি বেগুন চাষের মাধ্যমে কীটনাশকের খরচ অনেক কমিয়ে লাভ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে।

    সুতরাং, উপযুক্ত জমি নির্বাচন, উন্নত জাত ব্যবহার এবং সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে বেগুন চাষ কৃষকের জন্য একটি লাভজনক কৃষি উদ্যোগ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন