সমাজকর্ম ২য় পত্র • সরকারি সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, যশোর বোর্ড ২০২২

সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন

ঢাকাসহ প্রতিটি জেলা শহরে বসবাস সদসল্প আয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের স্বার্থে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে একটি সেবামূলক কার্যক্রম বিদ্যমান। উক্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, পুষ্টি বিষয়ক শিক্ষাদান, পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী বিতরণসহ নানাবিদ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

  1. ক)

    R.S.S এর পূর্ণরূপ কি?

    (1)
  2. খ)

    গ্রামীণ সমাজসেবা সচেতনতামূলক কার্যক্রম বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন সরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রমকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    শহর সমাজ উন্নয়নে উক্ত কার্যক্রমের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    R.S.S এর পূর্ণরূপ হলো Rural Social Services (পল্লী সমাজসেবা)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গ্রামীণ সমাজসেবার সচেতনতামূলক কার্যক্রম বলতে বোঝায় গ্রামীণ দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণকে তাদের সমস্যা, সম্ভাবনা, অধিকার এবং করণীয় সম্পর্কে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করে তোলা। এর আওতায় স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিবার পরিকল্পনা, শিশু শিক্ষা, পরিবেশ রক্ষা এবং যৌতুক ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক কুপ্রথা রোধে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে সচেতন করা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'শহর সমাজসেবা' (Urban Community Development - UCD) কার্যক্রমকে নির্দেশ করা হয়েছে।

    শহর সমাজসেবা হলো সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত একটি সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম, যা শহর অঞ্চলের দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও বস্তিবাসীদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে পরিচালিত হয়।

    উদ্দীপকে উল্লিখিত ঢাকায় ও জেলা শহরে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়নে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, পুষ্টি বিষয়ক শিক্ষা এবং পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী বিতরণের মতো সেবামূলক কাজগুলো শহর সমাজসেবা (ইউসিডি) প্রকল্পের মূল কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই উদ্দীপকের কার্যক্রমটি শহর সমাজসেবাকেই নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শহুরে জনগোষ্ঠীর সার্বিক জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে শহর সমাজসেবা কার্যক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান: এ কার্যক্রমের মাধ্যমে দরিদ্র ও বেকারদের কম্পিউটার, সেলাই, হস্তশিল্প ইত্যাদি বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ করে দেওয়া হয়।
    ২. স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সচেতনতা: শহরের বস্তিবাসী ও নিম্ন আয়ের মানুষকে পুষ্টি, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে শিক্ষিত করে তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা হয়।
    ৩. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ: পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী বিতরণ ও সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে শহরের দ্রুত বর্ধমান জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
    ৪. বস্তি উন্নয়ন ও আবাসন পরিবেশ: শহরের ঘনবসতিপূর্ণ বস্তিগুলোর পরিবেশগত উন্নয়ন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করতে এটি কাজ করে।
    ৫. সামাজিক সমস্যা নিরসন: শিশুশ্রম, মাদকাসক্তি, কিশোর অপরাধ প্রভৃতি শহুরে সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে এটি সচেতনতা বৃদ্ধি করে।

    অতএব, শহর সমাজসেবা কার্যক্রম শহর অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করে টেকসই শহর উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন