পরিসংখ্যান ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, বরিশাল বোর্ড ২০২২

পরিসংখ্যান ১ম পত্র প্রশ্ন

বায়ু দূষণে বিশ্বের এক নম্বরে ঢাকা শহর। দূষণ রোধে সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণার কাজ করছে।

  1. ক)

    প্রকাশিত পরিসংখ্যান কী?

    (1)
  2. খ)

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কি সমস্যা সমাধানের একমাত্র উৎস? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎসগুলো লিখ।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম তুলনামূলক আলোচনা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো সরকারি, বেসরকারি বা আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক অনুসন্ধান বা গবেষণার মাধ্যমে সংগৃহীত যে সকল তথ্য-উপাত্ত জনসাধারণের অবগতির জন্য বই, সাময়িকী, প্রতিবেদন বা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়, সেগুলোকে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    না, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) যেকোনো সমস্যা সমাধানের একমাত্র তথ্য উৎস নয়।
    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো দেশের কেন্দ্রীয় ও প্রধান সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা হলেও দেশের প্রতিটি সুনির্দিষ্ট খাতের বিস্তারিত ও বিশেষায়িত তথ্য সংগ্রহের জন্য অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা কাজ করে। যেমন—পরিবেশ দূষণের তথ্যের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণালব্ধ তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই BBS প্রধানতম তথ্য সরবরাহকারী হলেও তা একমাত্র উৎস নয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত বায়ু দূষণ সংক্রান্ত গবেষণায় ব্যবহৃত প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো মাধ্যমিক তথ্যের উৎস। এদের শ্রেণিবিন্যাস নিম্নরূপ:

    ১. সরকারি উৎস: বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর (DoE), বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS), বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (SPARRSO) ইত্যাদি।
    ২. আধাসরকারি উৎস: বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (RAJUK), বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ইত্যাদি।
    ৩. বেসরকারি ও গবেষণাধর্মী উৎস: বেসরকারি পরিবেশবাদী সংস্থা (যেমন—BAPA, BELA), সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (CPD), বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সেল এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এনজিও (NGO)।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি, বেসরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রমের তুলনামূলক বিশ্লেষণ নিম্নরূপ:

    ১. নীতি নির্ধারণ ও আইন প্রয়োগ: সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ (যেমন পরিবেশ অধিদপ্তর) বায়ু দূষণের মাত্রা পরিমাপ করে নীতি নির্ধারণ, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন প্রয়োগ এবং দূষণকারী কারখানা বা যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। অন্যদিকে বেসরকারি ও আধা-সরকারি সংস্থা সরাসরি আইন প্রয়োগ করতে পারে না, তবে তারা সচেতনতা তৈরি ও সুপারিশ প্রদান করে।

    ২. তথ্য সংগ্রহের পরিধি ও পদ্ধতি: সরকারি সংস্থাগুলো দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরে স্থায়ী পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (CAMS) স্থাপন করে নিয়মিত বায়ুমান সূচক (AQI) পরিমাপ ও প্রকাশ করে। বেসরকারি সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সাধারণত নির্দিষ্ট সমস্যাভিত্তিক গভীর গবেষণা বা স্বল্পপরিসরে বিশেষায়িত তথ্য সংগ্রহ করে।

    ৩. প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা ও সক্ষমতা: সরকারি প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও আধুনিক ল্যাব সুবিধা থাকলেও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা দেখা যায়। আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো (যেমন সিটি কর্পোরেশন) সরাসরি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও রাস্তাঘাট পরিষ্কারের মাধ্যমে দূষণ হ্রাসে কাজ করে। বেসরকারি সংস্থাগুলো দ্রুত প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং সরকারের নীতি সংস্কারে চাপ প্রয়োগকারী হিসেবে কাজ করে।

    পরিশেষে, বায়ু দূষণের মতো জটিল সমস্যা সমাধানে সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি, আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যক্ষ সেবা এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের পারস্পরিক সমন্বয় অপরিহার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন