‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি • ঢাকা কলেজ • ঢাকা কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

রাসেল ও পাভেল দুজন যমজ ভাই।একাদশ শ্রেণীতে মানবিক বিভাগে ভর্তি হয়েছে। তারা এমন একটি বিষয়কে ঐচ্ছিক হিসেবে বেছে নিয়েছে যেটি অধ্যায়ন করে তারা সুনাগরিকতার জ্ঞান অর্জন করতে পারবে, অনুরূপ সে বিষয়ে ভবিষ্যতের উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে পরিবারের সমাজ ও রাষ্ট্রের সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারবে।

  1. ক)

    Civis শব্দের অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে যে বিষয়টি নির্দেশ করা হয়েছে তার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি কিভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে? যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ল্যাটিন 'Civis' শব্দের অর্থ নাগরিক।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয় কারণ এটি নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য, কার্যাবলি এবং নাগরিক জীবনের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ই. এম. হোয়াইটের মতে, নাগরিকতার সঙ্গে জড়িত সকল প্রশ্ন এবং একজন নাগরিকের স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রূপ নিয়ে পৌরনীতি আলোচনা করে। ফলে নাগরিকের সার্বিক কল্যাণ ও সুনাগরিকতা অর্জনের উপায় নির্দেশ করে বলেই একে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন'। নাগরিক জীবনের সার্বিক বিকাশ এবং রাষ্ট্র গঠনে এ বিষয়টির গুরুত্ব অপরিসীম।

    পৌরনীতি ও সুশাসন অধ্যয়নের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হতে পারে। এটি সুনাগরিকতার তিনটি অপরিহার্য গুণ—বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক জাগ্রত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি সংবিধান, সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ, রাজনৈতিক দল এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়। সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের পথ প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনেও এ বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাই ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে পৌরনীতি ও সুশাসনের গুরুত্ব অপরিসীম।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয় 'পৌরনীতি ও সুশাসন' সমাজের সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরাসরি এবং কার্যকর ভূমিকা রাখে।

    সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো হলো আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, জনগণের অংশগ্রহণ এবং মানবাধিকার সংরক্ষণ। পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি অধ্যয়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এসব বিষয়ের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারে। প্রথমত, এটি নাগরিকদের মধ্যে নাগরিক চেতনা, দেশপ্রেম এবং দায়িত্বশীলতা গড়ে তোলে, যার ফলে সাধারণ জনগণ রাষ্ট্রের শাসন প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক অংশগ্রহণ করতে পারে। দ্বিতীয়ত, এটি সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ, দুর্নীতির বিরুদ্ধাচরণ এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নীতিগুলো শিক্ষা দেয়। তৃতীয়ত, এটি সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করে সামাজিক শান্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

    সুতরাং, দায়িত্বশীল নাগরিক ও দক্ষ নেতৃত্ব তৈরিতে ভূমিকা রাখার মাধ্যমে পৌরনীতি ও সুশাসন রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রকে মজবুত করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন