পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার • সিলেট সরকারি কলেজ • সিলেট সরকারি কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
শিবলী দীর্ঘদিন 'ক' রাষ্ট্রে কর্মরত। ছুটিতে দেশে আসার সময় সে তার মালিককে নিয়ে বেড়াতে আসে। ইতোমধ্যে দেশে জাতীয় নির্বাচনের দিন ধার্য হয়। শিবলী ও তার স্ত্রী যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেয়। এছাড়া শিবলী কর অফিসে গিয়ে করও প্রদান করে। নির্বাচনে লাইনে দাঁড়িয়ে নারী-পুরুষ সমানভাবে ভোট দিতে দেখে তার মালিক খুব আশ্চর্য হয়। তাদের দেশে নারীদের ভোটাধিকার সীমিত। কর্মক্ষেত্রেও তাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
- ক)(1)
শিক্ষা লাভের অধিকার কোন ধরনের অধিকার?
- খ)(2)
তথ্য অধিকার বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে বর্ণিত শিবলীর মালিকের দেশের নারীরা কোন ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত শিবলী ও তার মালিকের দেশের মধ্যে কোন দেশ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট রয়েছে? তার সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
শিক্ষা লাভের অধিকার হলো একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার (বা মৌলিক মানবাধিকার)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
তথ্য অধিকার বলতে কোনো কর্তৃপক্ষ বা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে আইনগতভাবে নাগরিকের তথ্য প্রাপ্তির অধিকারকে বোঝায়। এটি জনগণের ক্ষমতায়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এবং দুর্নীতির সুযোগ হ্রাস করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত শিবলীর মালিকের দেশের নারীরা মূলত রাজনৈতিক অধিকার এবং অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।
রাষ্ট্রীয় কার্যকলাপে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগকে রাজনৈতিক অধিকার বলা হয়। রাজনৈতিক অধিকারের অন্যতম প্রধান রূপ হলো ভোটাধিকার এবং নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অধিকার। উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে শিবলীর মালিকের দেশে নারীদের ভোটাধিকার সীমিত, অর্থাৎ তারা স্বাধীনভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে বা ভোট দিতে পারে না। এর মাধ্যমে তাদের মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
একই সাথে উদ্দীপকে বলা হয়েছে কর্মক্ষেত্রেও তাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যা অর্থনৈতিক অধিকারের পরিপন্থী। প্রতিটি নাগরিকের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার ও কর্মসংস্থানের সমান সুযোগ পাওয়ার অধিকার রয়েছে। শিবলীর মালিকের দেশের নারীরা সমান ভোটাধিকার ও কর্মক্ষেত্রে সমান সুযোগ না পাওয়ায় তারা যথাক্রমে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত শিবলীর দেশ এবং তার মালিকের দেশের মধ্যে শিবলীর নিজ দেশ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট রয়েছে।
গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের সার্বভৌমত্ব, আইনের শাসন, সার্বজনীন ভোটাধিকার এবং নারী-পুরুষের সমতা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ নির্বিশেষে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের ভোটাধিকার থাকে এবং নাগরিকরা তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, শিবলীর দেশে জাতীয় নির্বাচনে শিবলী ও তার স্ত্রী উভয়েই যোগ্য প্রার্থীকে ভোট প্রদান করতে পেরেছে। এছাড়া লাইনে দাঁড়িয়ে নারী ও পুরুষ সমানভাবে ভোট দিচ্ছে, যা সার্বজনীন প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক সমতার সুস্পষ্ট প্রতিফলন। শিবলী নিয়মিত কর প্রদান করে তার নাগরিক দায়িত্ব পালন করছে, যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল নাগরিকের পরিচয় বহন করে। অপরদিকে, শিবলীর মালিকের দেশে নারীদের ভোটাধিকার ও কর্মক্ষেত্রের অধিকার সীমিত, যা বৈষম্যমূলক এবং গণতন্ত্রের মূল চেতনার পরিপন্থী।
সুতরাং, সার্বজনীন ভোটাধিকার চর্চা, লিঙ্গসমতা এবং নাগরিক দায়িত্ব পালনের দৃষ্টান্ত থাকার কারণে শিবলীর দেশই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট রয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও