সমাজকর্ম ২য় পত্র • সমাজকর্মের বিভিন্ন ক্ষেত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫
সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন
মোহাম্মদ ইহসান একজন পেশাদার সমাজকর্মী। তিনি সমাজকর্মের বিশেষায়িত শাখার জ্ঞান প্রয়োগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠে অমনোয়োগিতা, স্কুল পালানো, স্কুলের পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পারা ইত্যাদি নিরসনে কাজ করে থাকেন।
- ক)(1)
'What is Social Case Work' গ্রন্থের লেখক কে?
- খ)(2)
প্রবীণকল্যাণ সমাজকর্ম বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে সমাজকর্মের কোন বিশেষায়িত শাখাকে ইঙ্গিত কর। হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে নির্দেশিত উক্ত শাখার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
'What is Social Case Work' গ্রন্থের লেখক হলেন সমাজকর্মের অন্যতম পথিকৃৎ মেরি রিচমন্ড (Mary Richmond), যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রবীণ বা প্রবীণ জনগোষ্ঠীর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমাজকর্মের জ্ঞান ও পদ্ধতির প্রায়োগিক রূপকে প্রবীণকল্যাণ সমাজকর্ম (Gerontological Social Work) বলা হয়। এটি বার্ধক্যজনিত নিঃসঙ্গতা, পরনির্ভরশীলতা ও অধিকার সংরক্ষণে কাজ করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সমাজকর্মের 'বিদ্যালয় সমাজকর্ম' (School Social Work) শাখাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত, সামাজিক ও আবেগীয় সমস্যা সমাধান করে তাদেরকে স্কুলের পরিবেশের সাথে সফলভাবে মানিয়ে নিতে সাহায্য করার জন্য সমাজকর্মের যে শাখা নিয়োজিত, তাকে বিদ্যালয় সমাজকর্ম বলে।
উদ্দীপকে মোহাম্মদ ইহসান পেশাদার সমাজকর্মী হিসেবে শিক্ষার্থীদের পাঠে অমনোযোগিতা, স্কুল পালানো, পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সমস্যা সমাধানে কাজ করছেন। এসব দায়িত্ব ও কার্যক্রম মূলত বিদ্যালয় সমাজকর্মের আওতাধীন। তাই এখানে বিদ্যালয় সমাজকর্মের প্রতিফলন ঘটেছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বিদ্যালয় সমাজকর্ম আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের গুণগত বিকাশ ও শিক্ষাজীবন সফল করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিম্নে এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো:
১. স্কুল পালানো ও ঝরে পড়া রোধ: শিক্ষার্থীদের স্কুলভীতি বা পালানোর অন্তর্নিহিত কারণ (যেমন- পারিবারিক সমস্যা, ক্লাসে ভয় পাওয়া ইত্যাদি) খুঁজে বের করে তা দূর করার মাধ্যমে ঝরে পড়া রোধ করে।
২. পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য বিধান: নতুন শিক্ষার্থী বা দুর্বল শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম ও স্কুলের পরিবেশের সাথে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে সহায়তা করে।
৩. মানসিক ও আচরণগত উন্নয়ন: পাঠে অমনোযোগিতা, হতাশা, সহপাঠীদের সাথে বিরোধ ইত্যাদি সমস্যা চিহ্নিত করে ব্যক্তিগত কাউন্সেলিং প্রদান করে।
৪. পরিবার ও বিদ্যালয়ের সংযোগ: শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও যোগাযোগ বৃদ্ধি করে একটি সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করে।
৫. বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর অন্তর্ভুক্তি: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষাজীবনে অন্তর্ভুক্ত করতে সহায়তা করে।অতএব, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুকূল শিক্ষার পরিবেশ তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভার পরিপূর্ণ বিকাশে বিদ্যালয় সমাজকর্ম অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও