‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য • নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ • নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

সমাজবদ্ধ মানুষ ইচ্ছেমত কাজ করতে পারে না। কারণ যেসব কাজ করলে অন্যের ক্ষতি হবে সেসব কাজ থেকে বিরত থাকা সকলের কর্তব্য। যদি কেউ করে তাহলে তার জন্য শাস্তি পেতে হবে; কেবল বর্তমানেই নয় অতীতেও এরূপ বিধান ছিলো।

  1. ক)

    Lag শব্দের অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কী? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের প্রথম অংশে যে ধারণার কথা বলা হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত বিষয়টি ও নৈতিকতা কী এক? উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'Lag' শব্দের অর্থ স্থির, নির্দিষ্ট বা অপরিবর্তনীয় (Fixed/Set/Inflexible)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ হলো এমন কিছু বিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণের সমষ্টি যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিকাশ, স্থায়িত্ব এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের সামগ্রিক মঙ্গল নিশ্চিত করে। যেমন—সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আইনের প্রতি আনুগত্য, পরমতসহিষ্ণুতা এবং সাম্য। এই মূল্যবোধ ব্যক্তিকে অন্যের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখায় এবং সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের প্রথম অংশে 'আইন' (Law)-এর ধারণার কথা বলা হয়েছে।

    আইন হলো রাষ্ট্র ও সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত এবং অনুমোদিত কতগুলো সাধারণ নিয়ম বা বিধিনিষেধ, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দুর্বলকে সবলের হাত থেকে রক্ষা করা।

    উদ্দীপকে উল্লেখ আছে যে, সমাজবদ্ধ মানুষ ইচ্ছামতো কাজ করতে পারে না এবং অন্যের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকা সবার কর্তব্য; ব্যত্যয় ঘটলে শাস্তির বিধান রয়েছে। আইন অমান্য করলে রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। এই বলপ্রয়োগকারী ক্ষমতা ও সার্বজনীন বাধ্যবাধকতার কারণেই আইনের ধারণাটি সমাজবদ্ধ মানুষের পারস্পরিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয়টি হলো 'আইন'। আইন ও নৈতিকতা এক বিষয় নয়; তবে উভয়ের মধ্যে গভীর ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

    আইন ও নৈতিকতার পার্থক্য:
    ১. উৎপত্তি ও প্রয়োগ: আইন রাষ্ট্র কর্তৃক তৈরি ও কার্যকর হয় এবং তা ভঙ্গ করলে শাস্তির ব্যবস্থা থাকে। পক্ষান্তরে, নৈতিকতা মানুষের বিবেক, সামাজিক অনুভূতি ও ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে জন্ম নেয়; নৈতিকতা ভঙ্গে রাষ্ট্রীয় শাস্তি হয় না, বরং সামাজিক নিন্দা বা বিবেকের দংশন ভোগ করতে হয়।
    ২. পরিধি: আইনের পরিধি মানুষের বাহ্যিক আচরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু নৈতিকতা মানুষের বাহ্যিক আচরণের পাশাপাশি চিন্তা ও অন্তরের অভ্যন্তরীণ উদ্দেশ্যকেও নিয়ন্ত্রণ করে।

    আইন ও নৈতিকতার সম্পর্ক:
    উভয়ের লক্ষ্য একই—সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। অধিকাংশ আইনই নৈতিক আদর্শের ওপর ভিত্তি করে প্রণীত হয় (যেমন—চুরি করা বা মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া একদিকে অনৈতিক, অন্যদিকে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ)। নৈতিকতাবোধ আইনের কার্যকারিতাকে সহজতর করে, কারণ নাগরিকরা ভেতর থেকে তা মানতে তাগিদ অনুভব করে। অতএব, আইন ও নৈতিকতা এক না হলেও তারা একে অপরের পরিপূরক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন