গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • তেজগাঁও কলেজ, ঢাকা • তেজগাঁও কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

স্কুলগামী একজন মেয়ে সন্তান নিয়ে কেয়া ও সুমনের পাঁচ বছরের সংসার। তারা ছুটির দিনে প্রায়ই বেড়াতে যায়, তার মেয়েকে সত্য কথা বলা, অন্যকে সহযোগিতা করা, স্বাস্থ্য পরিচর্যা, ধর্মীয় শিক্ষাদান, বড়দের সম্মান করা ইত্যাদি বিভিন্ন পরামর্শ দেয়।

  1. ক)

    পরিবার কী?

    (1)
  2. খ)

    পারিবারিক বন্ধন শিশুর সুষ্ঠু বিকাশের সহায়ক- বুঝিয়ে লেখো।

    (2)
  3. গ)

    কেয়ার পরিবার কী ধরনের পরিবার- ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত উপদেশগুলো প্রত্যেক পরিবারের কাজ- তুমি কি এর সাথে একমত? তোমার মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পরিবার হলো সমাজস্বীকৃত এমন একটি মৌলিক সামাজিক প্রতিষ্ঠান, যা বিবাহ, রক্তের সম্পর্ক বা দত্তক গ্রহণের মাধ্যমে গঠিত হয় এবং যেখানে সদস্যরা একত্রে বসবাস করে পারস্পরিক দায়িত্ব পালন করে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পারিবারিক বন্ধন শিশুর মানসিক, সামাজিক ও শারীরিক সুষ্ঠু বিকাশের অন্যতম ভিত্তি। পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার স্নেহ, ভালোবাসা, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও নিরাপত্তার অনুভূতি শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। ইতিবাচক পারিবারিক পরিবেশে বেড়ে উঠলে শিশু একাকীত্ব বা মানসিক বিষণ্ণতায় ভোগে না, বরং সহমর্মিতা ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলে, যা তার সামগ্রিক ব্যক্তিত্বের বিকাশকে ত্বরান্বিত করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত কেয়ার পরিবারটি হলো একটি 'একক পরিবার' বা 'নিউক্লিয়ার পরিবার'।

    যে পরিবার কেবল স্বামী, স্ত্রী এবং তাদের অবিবাহিত সন্তান নিয়ে গঠিত হয়, তাকে একক পরিবার বলে। উদ্দীপকে দেখা যায়, কেয়া ও সুমন দম্পতির পাঁচ বছরের সংসারে একটি মাত্র স্কুলগামী মেয়ে সন্তান রয়েছে। এখানে দাদা-দাদি বা অন্য কোনো আত্মীয়স্বজন বসবাস করেন না। ফলে কাঠামোগত দিক থেকে এটি একটি আদর্শ একক পরিবারের উদাহরণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, উদ্দীপকে উল্লিখিত উপদেশগুলো প্রত্যেক পরিবারের কাজ—আমি এই বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত।

    পরিবার হলো শিশুর প্রথম ও প্রধান শিক্ষাকেন্দ্র বা প্রাথমিক সামাজিকীকরণ প্রতিষ্ঠান। উদ্দীপকে কেয়া ও সুমন তাদের মেয়েকে সত্য কথা বলা, অন্যকে সহযোগিতা করা, স্বাস্থ্য পরিচর্যা, ধর্মীয় শিক্ষাদান এবং বড়দের সম্মান করার উপদেশ দেন। এই কাজগুলো মূলত পরিবারের মনস্তাত্ত্বিক, শিক্ষামূলক, ধর্মীয় ও সামাজিক কাজের অন্তর্ভুক্ত।

    প্রতিটি পরিবারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৎ, দায়িত্বশীল, নীতিবান এবং সুস্থ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। পরিবার থেকে প্রাপ্ত নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা শিশুর চারিত্রিক দৃঢ়তা তৈরি করে। স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা শিশুকে সুস্থ ও পরিপাটি জীবনযাপনে অভ্যস্ত করে। বড়দের সম্মান করা এবং অন্যকে সাহায্য করার মূল্যবোধ শিশুদের সামাজিকীকরণে সহায়তা করে। পরিবার যদি এই দায়িত্বগুলো যথাযথভাবে পালন না করে, তবে শিশুর সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় ঘটতে পারে। অতএব, এই ধরনের জীবনমুখী ও নৈতিক উপদেশ প্রদান করা সমাজের প্রতিটি পরিবারেরই একটি মৌলিক ও অপরিহার্য কর্তব্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন