‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • দেশপ্রেম ও জাতীয়তা • ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ • ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

রফিকুল ইসলাম তার দেশকে নিয়ে খুবই গর্ববোধ করেন। তিনি সবসময় স্বদেশি পণ্য ব্যবহার করেন এবং অন্যদেরও তা করার জন্য উৎসাহিত করেন। তিনি মানুষকে আইন মেনে চলার পরামর্শ দেন।

  1. ক)

    জাতি কী?

    (1)
  2. খ)

    জাতীয়তা বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    রফিকুল ইসলামের আচরণে কোন ধরনের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের ওপর জাতীয় উন্নতি নির্ভরশীল-বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জাতি হলো রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং স্বাধীন বা স্বাধীনতাকামী এমন এক জনসমষ্টি, যা সুনির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাস করে এবং জাতীয়তাবোধের সূত্রে ঐক্যবদ্ধ।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জাতীয়তা হলো মূলত একটি মানসিক ধারণা বা মনস্তাত্ত্বিক অনুভূতি।

    একই ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ধর্ম, ভৌগোলিক সান্নিধ্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সূত্রে আবদ্ধ হয়ে কোনো জনসমষ্টি যখন নিজেদের অন্যান্য জনসমষ্টি থেকে আলাদা মনে করে এবং নিজেদের মধ্যে এক গভীর ঐক্য অনুভব করে, তখন সেই অনুভূতিকে জাতীয়তা বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রফিকুল ইসলামের আচরণে তীব্র 'দেশপ্রেম' এবং 'জাতীয়তাবোধের' অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।

    স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা, আনুগত্য ও শ্রদ্ধাবোধকে দেশপ্রেম বলে। একজন সচেতন ও দেশপ্রেমিক নাগরিক সর্বদা স্বদেশের সংস্কৃতি, পণ্য এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকেন এবং দেশের স্বার্থকে সবার উপরে স্থান দেন।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, রফিকুল ইসলাম নিজের দেশকে নিয়ে গভীর গর্ব অনুভব করেন। তিনি বিদেশি পণ্যের বদলে স্বদেশি পণ্য ব্যবহার করেন এবং অন্যদেরও এতে উৎসাহিত করেন, যা অর্থনৈতিক দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ। পাশাপাশি তিনি নাগরিকদের আইন মান্য করার উপদেশ দেন, যা একটি সুশৃঙ্খল ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের পরিচায়ক। এ সকল বৈশিষ্ট্য রফিকুল ইসলামের অনন্য দেশপ্রেম ও নাগরিক সচেতনতাকেই নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয় অর্থাৎ দেশপ্রেম ও নাগরিক সচেতনতার ওপর জাতীয় উন্নতি নির্ভরশীল—উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ।

    একটি রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়ন নির্ভর করে তার নাগরিকদের দেশপ্রেম, কর্তব্যনিষ্ঠা ও সামগ্রিক আচরণের ওপর। নাগরিকদের মধ্যে স্বদেশপ্রেম জাগ্রত থাকলে দেশের অর্থনীতি স্বাবলম্বী হয় এবং সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়।

    উদ্দীপকে রফিকুল ইসলামের স্বদেশি পণ্য ব্যবহারের মনোভাব দেশের শিল্প, বাণিজ্য ও অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে। বিদেশি পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমে গেলে জাতীয় অর্থনীতি স্বনির্ভর হয়ে ওঠে। তাছাড়া, দেশের আইন মেনে চলার মানসিকতা সমাজে ন্যায়বিচার, শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে, যা সুশাসনের পূর্বশর্ত। আইন মান্যকারী দেশপ্রেমিক নাগরিকরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং জাতীয় সম্পদে অবদান রাখেন।

    পরিশেষে বলা যায়, ভৌগোলিক বা প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেই কোনো দেশ উন্নত হতে পারে না, যতক্ষণ না দেশের নাগরিকরা দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের আইন মেনে চলে এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অবদান রাখে। সুতরাং, জাতীয় উন্নতির মূল চাবিকাঠি হলো দেশপ্রেম ও নাগরিক দায়িত্বশীলতা।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন