গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • উত্তরা কলেজ, ঢাকা • উত্তরা কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
রতন মারাত্মক এক রোগে আক্রান্ত, যার ফলে তার ওজন কমে যাচ্ছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ফলে সে নিজেকে অসহায় মনে করছে। চিকিৎসকের মতে এ রোগে আক্রান্ত রোগীর সহযোগিতা ও সহমর্মিতা প্রয়োজন।
- ক)(1)
ICPD- এর পূর্ণরূপ লেখো।
- খ)(2)
শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য গঠনে উপযুক্ত পরিবেশ আবশ্যক- ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
রতন কোন রোগে আক্রান্ত? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে চিকিৎসকের মতামতের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ICPD-এর পূর্ণরূপ হলো International Conference on Population and Development।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সুস্থ, আনন্দময় ও অনুকূল পরিবেশ ছাড়া শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের ইতিবাচক বিকাশ সম্ভব নয়। শিশুর পারিবারিক পরিমণ্ডল যদি ভালোবাসাপূর্ণ, কলহমুক্ত এবং নিরাপত্তাদায়ক হয়, তবে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস, সহমর্মিতা ও ইতিবাচক আবেগ গড়ে ওঠে। পক্ষান্তরে, পারিবারিক অশান্তি, অবহেলা বা অতিরিক্ত শাসন শিশুর মনে ভীতি, হীনম্মন্যতা ও মানসিক চাপের সৃষ্টি করে, যা তার ভবিষ্যৎ ব্যক্তিত্বকে চিরতরে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই শিশুর সুষম মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় উপযুক্ত পরিবেশ অপরিহার্য।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত লক্ষণগুলোর ভিত্তিতে প্রতীয়মান হয় যে রতন এইডস (AIDS - Acquired Immune Deficiency Syndrome) রোগে আক্রান্ত।
এইডস একটি মারাত্মক মরণব্যাধি, যা এইচআইভি (HIV) ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে সৃষ্টি হয়। এই ভাইরাস মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার মূল উপাদান শ্বেত রক্তকণিকাকে ধ্বংস করে ফেলে। উদ্দীপকে রতনের ওজন আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়া এবং শরীরের সামগ্রিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা এইডসের প্রধান লক্ষণ। এর ফলে শরীর সাধারণ কোনো রোগজীবাণুর বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে না এবং রোগী ক্রমাগত দুর্বল হয়ে মৃত্যুর মুখে পতিত হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে এইডস আক্রান্ত রোগীর জন্য চিকিৎসকের সহযোগিতা ও সহমর্মিতা প্রদর্শনের মতামতটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক ও মানবিক।
এইডস আক্রান্ত ব্যক্তি শারীরিক ক্ষয়ের চেয়েও বেশি ভোগেন সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিক যন্ত্রণায়। সমাজে এইডস সম্পর্কে নানা অজ্ঞতা ও কুসংস্কার বিদ্যমান থাকায় আক্রান্ত রোগীকে প্রায়শই সমাজচ্যুত ও একঘরে করে রাখা হয়। অথচ স্পর্শ, কথা বলা, একসাথে খাবার খাওয়া বা সাধারণ পরিচর্যায় এইডস ছড়ায় না। এ ধরনের অবহেলা ও বৈষম্য রোগীকে গভীর বিষণ্ণতা ও অসহায়ত্বের দিকে ঠেলে দেয়, যার প্রতিফলন রতনের ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, এইডস রোগীকে ঘৃণার চোখে না দেখে তার প্রতি সহমর্মী আচরণ করা উচিত। তাদের পুষ্টিকর খাদ্য, সঠিক ওষুধ এবং মানসিক শক্তি জোগানো হলে তাদের আয়ু বৃদ্ধি পায় এবং তারা জীবনের শেষ সময়টুকু স্বস্তির সাথে কাটাতে পারে। পারিবারিক ও সামাজিক ভালোবাসা এইডস রোগীর রোগ যন্ত্রণা লাঘবে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। সুতরাং চিকিৎসকের মন্তব্যটি সর্বতোভাবে যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও