সমাজকর্ম ২য় পত্র • মৌলিক মানবিক চাহিদা • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন

জিল্লুর রহমান মনে করেন লেখাপড়া ছাড়া জীবনে উন্নতি করা যায় না। তাই সে তার সন্তানদের পড়াশোনার ব্যাপারে খুব সচেতন।

  1. ক)

    Common Human Needs' গ্রন্থের লেখক কে?

    (1)
  2. খ)

    চিত্তবিনোদনকে কেন মৌল মানবিক চাহিদা বলা হয়?

    (2)
  3. গ)

    জিল্লুর রহমান কোন মৌল মানবিক চাহিদাকে গুরুত্ব দেন? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত মৌলিক মানবিক চাহিদার অপূরণজনিত সমস্যা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'Common Human Needs' গ্রন্থের লেখক হলেন শার্লট টাউল (Charlotte Towle)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চিত্তবিনোদন মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য, ক্লান্তি দূরীকরণ এবং কর্মস্পৃহা বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য হওয়ায় একে মৌল মানবিক চাহিদা বলা হয়।

    মানুষ কেবল জৈবিক সত্তা নয়, সামাজিক ও মানসিক সত্তাও বটে। নিরবচ্ছিন্ন কাজ ও জীবনসংগ্রাম মানুষের মধ্যে মানসিক অবসাদ সৃষ্টি করে। চিত্তবিনোদন মানসিক অবসাদ দূর করে মনকে প্রফুল্ল রাখে এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে ত্বরান্বিত করে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় সহায়তা করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জিল্লুর রহমান মৌল মানবিক চাহিদার অন্যতম উপাদান 'শিক্ষা'-কে গুরুত্ব দেন।

    শিক্ষা মানুষের অন্তর্নিহিত সম্ভাবনা ও মেধার বিকাশ ঘটিয়ে সমাজে দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে বেঁচে থাকার সক্ষমতা তৈরি করে। এটি মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের অন্যতম প্রধান মৌল মানবিক চাহিদা।

    উদ্দীপকে বলা হয়েছে, জিল্লুর রহমান মনে করেন লেখাপড়া ছাড়া জীবনে উন্নতি সম্ভব নয়। এ কারণে তিনি নিজের সন্তানদের পড়াশোনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। শিক্ষার গুরুত্বকে জীবনের সফলতার মূল চাবিকাঠি মনে করার মাধ্যমেই তিনি 'শিক্ষা' নামক মৌল মানবিক চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শিক্ষা নামক মৌলিক মানবিক চাহিদা অপূরণ থাকলে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে বহুবিধ জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়।

    প্রথমত, শিক্ষার অভাবে সমাজে নিরক্ষরতা ও অজ্ঞতার বিস্তার ঘটে। নিরক্ষর জনগোষ্ঠী আধুনিক জ্ঞান, প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসচেতনতা থেকে বঞ্চিত থাকে, যা তাদের সামাজিক অনগ্রসরতার দিকে ঠেলে দেয়।

    দ্বিতীয়ত, শিক্ষার অপূরণজনিত কারণে বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র তীব্র রূপ নেয়। শিক্ষার অভাবে মানুষ কোনো নির্দিষ্ট পেশাগত দক্ষতা অর্জন করতে পারে না, ফলে উপযুক্ত কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হয়ে অর্থনৈতিক দীনতায় ভোগে।

    তৃতীয়ত, শিক্ষাহীনতার কারণে কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে অজ্ঞতা ও কর্মহীনতার কারণে মানুষ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ে, যা সামগ্রিক সামাজিক শৃঙ্খলাকে বিপন্ন করে।

    পরিশেষে বলা যায়, শিক্ষার অভাব হলো অধিকাংশ সামাজিক সমস্যার মূল কারণ। তাই সমাজের সর্বস্তরে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া ছাড়া ব্যক্তির বিকাশ ও জাতীয় অগ্রগতি সম্ভব নয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন