পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি • নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ • নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
অতীতে সমাজবদ্ধ মানুষ কতগুলো নিয়মকানুন, রীতিনীতি পালন করতো। বর্তমানেও নাগরিক জীবনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নিয়ম কানুন, রীতি নীতি ও আচার অনুষ্ঠান। নাগরিক জীবনের এসব দিক নিয়ে আলোচনার জন্য গড়ে উঠেছে জ্ঞানের বিশেষ একটি শাখা যা শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে পড়ানো হয়।
- ক)(1)
Foedus কোন ধরনের শব্দ?
- খ)(2)
সুশাসন প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত জ্ঞানের বিশেষ শাখাটি কী নামে পরিচিত? বিষয়টির পরিধি ও বিষয়বস্তু বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
উক্ত বিষয়টি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক-আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
'Foedus' একটি লাতিন (Latin) শব্দ (যার অর্থ সন্ধি বা চুক্তি)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সুশাসন হলো এমন এক ধরনের কার্যকর শাসনব্যবস্থা যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং জনগণের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত থাকে। নাগরিকের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সুশাসন অপরিহার্য। সুশাসন ছাড়া কোনো রাষ্ট্র জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত জ্ঞানের বিশেষ শাখাটি হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন' (Civics and Good Governance)।
পৌরনীতি ও সুশাসনের পরিধি ও বিষয়বস্তু অত্যন্ত ব্যাপক ও সমৃদ্ধ। নিম্নে তা তুলে ধরা হলো:
১. নাগরিকতা বিষয়ক আলোচনা: নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য, নাগরিকতা অর্জনের উপায় ও বিলোপ ইত্যাদি বিষয় এতে আলোচিত হয়।
২. রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ: রাষ্ট্র, সরকার, সংবিধান, আইনসভা, শাসন বিভাগ, বিচার বিভাগ ও রাজনৈতিক দলের গঠন ও কার্যাবলি নিয়ে এটি আলোচনা করে।
৩. স্থানীয় ও জাতীয় রূপ: ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস এর অন্তর্ভুক্ত।
৪. আন্তর্জাতিক বিষয়াদি: জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নাগরিকের দায়িত্ব এ বিষয়ের আওতাভুক্ত।
৫. সুশাসনের উপাদান: স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং ই-গভর্ন্যান্সের মতো আধুনিক ধারণাগুলো এর মূল বিষয়বস্তু। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি পাঠ ও অনুশীলন সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত কার্যকর ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে—মন্তব্যটি যুক্তিযুক্ত।
পৌরনীতি হলো নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান। এটি নাগরিককে তার সাংবিধানিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। একজন সচেতন নাগরিক সরকারের কাজের ওপর নজর রাখতে পারেন এবং অন্যায্য সিদ্ধান্তের গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারেন, যা সুশাসনের প্রথম শর্ত।
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, সরকারি কাজের জবাবদিহিতা এবং মানবাধিকার সংরক্ষণ অপরিহার্য। পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়টি পাঠের মাধ্যমে শিক্ষার্থী তথা নাগরিকরা গণতন্ত্রের মূল্যবোধ, সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়। তাছাড়া এটি দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে এবং সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় পথনির্দেশিকা দেয়। সুতরাং, সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পৌরনীতি ও সুশাসনের ভূমিকা অপরিসীম।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও