ভূগোল ২য় পত্র • জনসংখ্যা • Combined Board • রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫

ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন

ক-অভিগমন | কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা গমন
খ-অভিগমন | ঢাকা থেকে লন্ডন গমন

  1. ক)

    CDR এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    কাম্য জনসংখ্যা বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের 'ক' অভিগমন ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' অভিগমনের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    CDR এর পূর্ণরূপ হলো Crude Death Rate (অশোধিত মৃত্যুহার)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো দেশের প্রাকৃতিক ও অন্যান্য সম্পদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যে পরিমাণ জনসংখ্যা থাকলে মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান সর্বোচ্চ হয়, তাকে কাম্য জনসংখ্যা (Optimum Population) বলে। এই অবস্থায় দেশের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং বেকারত্ব বা দারিদ্র্য সর্বনিম্ন থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' অভিগমনটি হলো অভ্যন্তরীণ অভিগমন (Internal Migration)।

    যখন কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরে থেকেই মানুষ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে গমন করে, তখন তাকে অভ্যন্তরীণ অভিগমন বলে। উদ্দীপকে একজন ব্যক্তি কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা গমন করেছেন, যা বাংলাদেশের একই ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে সংঘটিত হয়েছে।

    সাধারণত শিক্ষা, কর্মসংস্থান, উন্নত নাগরিক সুযোগ-সুবিধা, ব্যবসা-বাণিজ্য বা চিকিৎসা সেবার উদ্দেশ্যে দেশের এক অঞ্চল থেকে মানুষ রাজধানীতে বা অন্য কোনো উন্নত অঞ্চলে স্থানান্তর হয়। কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা গমন মূলত গ্রামীণ বা মফস্বল এলাকা থেকে প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্রে স্থানান্তর বা অভ্যন্তরীণ আন্তঃজেলা অভিগমনের একটি স্পষ্ট উদাহরণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নির্দেশিত 'ক' হলো অভ্যন্তরীণ অভিগমন (কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা) এবং 'খ' হলো আন্তর্জাতিক বা বহির্গমন অভিগমন (ঢাকা থেকে লন্ডন)। নিচে এদের মধ্যকার বৈসাদৃশ্যসমূহ বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. ভৌগোলিক সীমানা: অভ্যন্তরীণ অভিগমন ('ক') দেশের নিজস্ব রাজনৈতিক বা ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে ঘটে। পক্ষান্তরে, আন্তর্জাতিক অভিগমন ('খ') একটি স্বাধীন রাষ্ট্র থেকে অন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে সীমানা অতিক্রম করে ঘটে।

    ২. আইনি বাধ্যবাধকতা ও নথিপত্র: কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য কোনো পাসপোর্ট, ভিসা বা রাষ্ট্রীয় অনুমতির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু ঢাকা থেকে লন্ডন যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট, বৈধ ভিসা, কর্মানুমতি এবং অভিবাসন সংক্রান্ত জটিল আইনগত আনুষ্ঠানিকতা পূরণ করতে হয়।

    ৩. মোট জনসংখ্যার ওপর প্রভাব: অভ্যন্তরীণ অভিগমনে দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার মোট পরিমাণে কোনো পরিবর্তন আসে না, কেবল অভ্যন্তরীণ বণ্টন ও ঘনত্বের পরিবর্তন হয়। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অভিগমনের ফলে সংশ্লিষ্ট দেশের মোট জনসংখ্যা হ্রাস পায় এবং গন্তব্য দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

    ৪. সংস্কৃতি ও পরিবেশের পরিবর্তন: 'ক' অভিগমনে একই ভাষা ও জাতীয় সংস্কৃতির ভেতরে বসবাস করা সম্ভব হয়। কিন্তু 'খ' অভিগমনের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভাষা, নতুন সংস্কৃতি, ভিন্ন জলবায়ু এবং ভিন্ন সামাজিক ব্যবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হয়।

    সুতরাং, উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' অভিগমনের মধ্যে সীমানা, আইনি বাধ্যবাধকতা এবং জনসংখ্যা ও সংস্কৃতির প্রভাবের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন