পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
'ক' রাষ্ট্রে একসময় বর্ণবাদ প্রথা প্রচলিত ছিল। সেখানে 'ম' গোষ্ঠী সমাজে সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করলেও 'প' গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে ব্যবসা, খেলাধুলা, চাকরিতে সমান সুযোগ ছিল না। এক তীব্র আন্দোলনের পর 'প' গোষ্ঠী তাদের সমান সুযোগ আদায় করতে সক্ষম হয়েছে।
- ক)(1)
সমাজে আইন-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নাগরিক জীবনে নিরাপত্তা বিধান এবং অপরাধীকে দণ্ড দেওয়ার জন্য প্রণীত আইনকে কী বলে?
- খ)(2)
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে 'প' গোষ্ঠী কোন বিষয়টি থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে তুমি মনে কর?
- ঘ)(4)
একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উক্ত বিষয়টির গুরুত্ব আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সমাজে আইন-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নাগরিক জীবনে নিরাপত্তা বিধান এবং অপরাধীকে দণ্ড দেওয়ার জন্য প্রণীত আইনকে ফৌজদারি আইন বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলতে বোঝায় গণতন্ত্রের মূলনীতি বা আদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত চিন্তাভাবনা, মনোভাব ও আচরণকে। পরমতসহিষ্ণুতা, আইনের শাসন, সাম্য, স্বাধীনতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্যের মানসিকতাই হলো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ। এটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে কার্যকর ও গতিশীল রাখতে সহায়তা করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'প' গোষ্ঠী 'সাম্য' বা 'সমান সুযোগের অধিকার' থেকে বঞ্চিত হয়েছিল।
সাম্য বলতে সমাজের সকল নাগরিকের জন্য জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ নির্বিশেষে সমান সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করাকে বোঝায়, যাতে প্রত্যেকের ব্যক্তিত্বের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটতে পারে।
উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রে বর্ণবাদের কারণে 'ম' গোষ্ঠী সব ধরনের সুবিধা ভোগ করলেও 'প' গোষ্ঠী ব্যবসা, খেলাধুলা ও চাকরির মতো মৌলিক ক্ষেত্রে সমান সুযোগ পেত না। অর্থাৎ তারা জাতিগত বা বর্ণগত বৈষম্যের শিকার হয়েছিল। সুতরাং বলা যায়, 'প' গোষ্ঠী মৌলিক মানবাধিকার তথা সাম্যের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় 'সাম্য' অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অপরিহার্য।
সুশাসনের মূল লক্ষ্য হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠিত না হলে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার অর্থহীন হয়ে পড়ে। কোনো বিশেষ শ্রেণি বা গোষ্ঠী যদি বৈষম্যের শিকার হয়, তবে সমাজে অসন্তোষ, অস্থিতিশীলতা ও সংঘাত বৃদ্ধি পায়, যা উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের তীব্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে।
সাম্য নিশ্চিত হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক মেধা ও যোগ্যতানুযায়ী আত্মবিকাশ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। এতে করে সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি পায়, প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য দূর হয় এবং সরকার ও প্রশাসনের ওপর জনগণের আস্থা বাড়ে। সুতরাং, একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র ও টেকসই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাম্যের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও