নারায়নগঞ্জ কলেজ নারায়নগঞ্জ কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬
8টি প্রশ্ন
- 1.
মাইশা হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে। হোস্টেলে থাকাকালীন তার মা-বাবা ও ভাইয়ের কথা খুব মনে পড়ে। আর হোস্টেল ছুটির দিন গুনতে থাকে। মাইশা খুব আত্মবিশ্বাসী ও বন্ধুসুলভ। মাইশার বান্ধবী রিতা হোস্টেলে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। কারণ রিতার মা-বাবা পেশাগত কাজে খুব ব্যস্ত থাকেন। ছোট ভাইটি ঠিকমতো পড়াশুনা করে না, সে মোটেই সামাজিক নয়। রিতা তার মা-বাবাকে বলে, অর্থ উপার্জনই পরিবারের একমাত্র কাজ নয়।
- 2.
নিতা প্রথমবারের মতো সন্তানের মা হয়েছে। নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে দোলা। জন্মের তিন দিন পর দোলার ত্বক ও চোখ হলুদ বর্ণ ধারণ করে। চিকিৎসকের পরামর্শে সাত দিনের মধ্যে দোলা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরিবারের সদস্যরা নিতা ও দোলার প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ যত্ন নিচ্ছে।
- 3.
মৌমিতার বয়স ৬ মাস। সে খুব দ্রুত ওজন ও উচ্চতায় বাড়ছে। মৌমিতার খালা তার মাকে বললেন, “মৌমিতার প্রতি অধিক যত্নশীল হও। কেননা শৈশবের বিকাশ অনেক সংকটময়।”
- 4.
কণা, মিশু, সুপ্তি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু। তিন বছর পূর্বে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় কণার পা কাটা যায়। মিশু কোনো শব্দ শুনতে পায় না। সুপ্তির বুদ্ধ্যঙ্ক ৪০-এর নিচে। তারা তিনজনেই ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্রী।
- 5.
শিহাব দশম শ্রেণির ছাত্র। সে পরীক্ষায় বার বার অকৃতকার্য হয়। ইদানীং পড়ায় তার কোনো মনোযোগ নেই। এ অবস্থায় তার বাবা-মা, শিক্ষক উপদেশ দিলে সে বিদ্রোহ করে। এমনকি বেশ কয়েকবার সে ঘর থেকে পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- 6.
স্কুল ছাত্র তারেক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হাসপাতালে ভর্তি হলে তার দুই ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়। আর এই রক্ত নেওয়ার কিছুদিন পর থেকে তার জ্বর জ্বর ভাব, ক্লান্তিবোধ ও ওজন হ্রাস পেতে থাকে। রোগ শনাক্ত হবার পর প্রতিবেশীরা তাকে একঘরে করল। শিক্ষক ঘটনা জানতে পেরে সবাইকে বুঝিয়ে বললেন, “তারেকের প্রতি সমাজ ও পরিবারের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।”
- 7.
ডাক্তার মিথিলা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তার নিজ গ্রামে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। তিনি প্রথম যে রোগী দেখেন তার পায়ের হাড় ধনুকের মতো বাঁকা, দ্বিতীয় যে রোগী দেখেন তার গলার সামনের অংশ কিছুটা ফোলা এবং তৃতীয় যে রোগী দেখেন সে রাতে ভালোভাবে দেখতে পায় না।
- 8.
হালিমার বাগানে অনেক আম হয়েছে। পরিবারের সকল সদস্যদের চাহিদা মিটিয়ে পাড়াপড়শি, আত্মীয়স্বজনকে বিলিয়েও প্রচুর আম রয়ে গেছে। হালিমার মা হালিমাকে আমগুলো সংরক্ষণ করতে বললেন। হালিমা বুদ্ধি করে বিভিন্নভাবে আমগুলো সংরক্ষণ করল। যেমন- আচার, আমসত্ত্ব, জুস ও গোটা আমগুলো ধুয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিল। এভাবে হালিমা অনেক আম সংরক্ষণ করে রাখে।