গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬

গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

শিল্প উপাদান
↓
[?] → রেখা → আকার → জমিন

  1. ক)

    শিল্প কী?

    (1)
  2. খ)

    ইকেবানা পদ্ধতির স্তর কয়টি ও কী কী?

    (2)
  3. গ)

    চিত্রে “?” স্থানটি শিল্প উপাদানের কোনটি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    শিল্প উপাদানগুলো কীভাবে ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়তা করে আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শিল্প হলো মানুষের সৃজনশীল চিন্তা, অনুভূতি ও নান্দনিক ভাবনার বাস্তব বা দৃশ্যমান রূপায়ন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ইকেবানা হলো জাপানি ঐতিহ্যবাহী ফুল সাজানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি। ইকেবানা পদ্ধতির প্রধান স্তর তিনটি:
    ১. শিন (Shin) – যা স্বর্গ বা আকাশকে নির্দেশ করে এবং এটি সবচেয়ে উঁচু শাখা।
    ২. সোই (Soe) – যা মানুষকে নির্দেশ করে এবং এটি মধ্যম উচ্চতার শাখা।
    ৩. হিকাই (Hikae) – যা পৃথিবীকে নির্দেশ করে এবং এটি সবচেয়ে নিচু শাখা।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    চিত্রে “?” চিহ্নিত স্থানটি শিল্প উপাদানের মধ্যে 'বিন্দু' অথবা 'রঙ' নির্দেশ করতে পারে। গার্হস্থ্য বিজ্ঞানের সাধারণ শিল্প উপাদান তালিকা অনুসারে মৌলিক শিল্প উপাদানগুলো হলো—বিন্দু, রেখা, আকার, বর্ণ/রঙ ও জমিন। এখানে রেখা, আকার ও জমিন উল্লিখিত রয়েছে, তাই শূন্যস্থানে ‘বিন্দু’ বা ‘বর্ণ/রঙ’ নির্দেশ করে (মূল ভিত্তি হিসেবে ‘বিন্দু’ রেখার সূচনা করে অথবা উপাদান হিসেবে ‘রঙ’ অন্যতম)।

    ব্যাখ্যা: শিল্প সৃষ্টির প্রথম ও মৌলিক উপাদান হলো বিন্দু। একের পর এক বিন্দু যুক্ত হয়ে রেখার সৃষ্টি হয়। আবার সামগ্রিক শিল্পের অন্যতম প্রধান দৃশ্যমান উপাদান হলো 'রঙ'। রঙ মানুষের চোখকে আকর্ষণ করে, আবেগ ও মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং যে কোনো রূপ বা আকারকে তাৎপর্যময় করে তোলে। উদ্দীপকের ধারাবাহিকতায় বিন্দু থেকেই রেখা এবং রেখা থেকে আকারের উৎপত্তি ঘটে, যা শিল্পকর্মকে পূর্ণতা দেয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    শিল্পের উপাদানগুলো (যেমন: রেখা, আকার, রঙ, জমিন ইত্যাদি) কেবল শিল্পকর্ম সৃষ্টির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ব্যক্তির পোশাক পরিচ্ছদ, গৃহসজ্জা এবং আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে ব্যক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে এর প্রভাব আলোচনা করা হলো:

    ১. পোশাক নির্বাচনে ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন: শিল্প উপাদানের মধ্যে রেখা ও রঙের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তি তার দৈহিক গঠন অনুযায়ী ত্রুটি লুকিয়ে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে পারে। যেমন—লম্বা রেখা বা মার্জিত রঙের পোশাক ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস ও গাম্ভীর্য প্রকাশ করে।
    ২. গৃহসজ্জায় রুচির প্রকাশ: ঘরের আসবাবপত্র, দেয়ালের রঙ এবং বিভিন্ন বস্ত্রের জমিন (মসৃণ বা খসখসে) নির্ধারণে শিল্প উপাদানের যথাযথ প্রয়োগ ব্যক্তির নান্দনিক রুচি, শৃঙ্খলা ও আভিজাত্যের পরিচয় বহন করে।
    ৩. মানসিক প্রশান্তি ও আত্মবিশ্বাস: রঙের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব রয়েছে। শান্ত ও উজ্জ্বল রঙ মানুষের মনে আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করে, যা ব্যক্তিসত্তাকে সুন্দরভাবে প্রস্ফুটিত করে।
    ৪. সৃজনশীলতার বিকাশ: বিভিন্ন শিল্প উপাদান নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষের সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত হয়, যা তাকে অনন্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের অধিকারী করে তোলে।

    সুতরাং, উপযুক্তভাবে শিল্প উপাদানগুলোর সমন্বয় ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বিকাশে অত্যন্ত কার্যকর সহায়তা প্রদান করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন