পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
ইসরাইল গাজাবাসীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে গণহত্যা করছে। গাজার জনগণ বীরের মতো মাতৃভূমি রক্ষার্থে মরণপণ লড়াই করে যাচ্ছে এবং অনেকে মৃত্যুবরণ করছে। বিশ্ববাসী ইসরাইলের এই গণহত্যাকে জাতিসংঘের স্বীকৃত অধিকারের পরিপন্থি বলে প্রতিবাদ করছে।
- ক)(1)
বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী?
- খ)(2)
আইনের অনুশাসন কেন প্রয়োজন? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে গাজার জনগণের মধ্যে কীসের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে তা বর্ণনা কর।
- ঘ)(4)
ইসরাইলের এ গণহত্যাকে জাতিসংঘের স্বীকৃত কোন অধিকারের পরিপন্থি? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নাগরিকের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ এবং সমাজে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের অনুশাসন অপরিহার্য। আইনের অনুশাসন থাকলে আইনের চোখে সবাই সমান বিবেচিত হয় এবং শাসক বা প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ক্ষমতার অপব্যবহার বা স্বেচ্ছাচারিতা করতে পারে না। এটি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে গাজার জনগণের মধ্যে 'দেশপ্রেম' ও 'জাতীয়তাবাদী চেতনা'র বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
দেশপ্রেম হলো নিজের দেশের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এবং দেশের অস্তিত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকার। উদ্দীপকে দেখা যায়, ইসরাইলের আগ্রাসন ও গণহত্যার মুখেও গাজাবাসী বীরের মতো মাতৃভূমি রক্ষার জন্য মরণপণ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এবং হাসিমুখে জীবন বিসর্জন দিচ্ছে। নিজ ভূখণ্ড এবং জাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার এই দুর্নিবার আবেগই হলো প্রকৃত দেশপ্রেম। দেশের চরম সংকটে নিজের জীবন তুচ্ছ করে শত্রুর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মাধ্যমে তাদের গভীর দেশপ্রেম ও জাতীয় সংহতির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইসরাইলের এই বর্বর গণহত্যা জাতিসংঘের ১৯৪৮ সালের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ৩ নং অনুচ্ছেদে স্বীকৃত 'জীবনধারণের মৌলিক অধিকার' (Right to Life) এবং জেনেভা কনভেনশনসহ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি।
জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতি হলো প্রতিটি মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার অধিকার সুনিশ্চিত করা। ইসরাইল নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করে নিরস্ত্র শিশু, নারী ও বেসামরিক মানুষকে হত্যা করছে, যা স্পষ্টতই গণহত্যা কনভেনশন (Genocide Convention, 1948)-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুসারে যুদ্ধের সময় বেসামরিক নাগরিক, হাসপাতাল ও আশ্রয়কেন্দ্রে হামলা চালানো যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য।
উদ্দীপকে বিশ্ববাসীর প্রতিবাদের কারণ হলো, এটি কেবল গাজার নাগরিকদের ওপর নিপীড়ন নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির স্বীকৃত মৌলিক মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক মানবিক বিধিমালার চরম লঙ্ঘন। সুতরাং, ইসরাইলের এই আগ্রাসী গণহত্যা জাতিসংঘের মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার স্পষ্ট পরিপন্থি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও