পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
ধর্মপালন কোন ধরনের স্বাধীনতা?
- খ)(2)
মূল্যবোধ কী?
- গ)(3)
উদ্দীপকের (?) চিহ্নিত বিষয়টি কী? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
"তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকের (?) চিহ্নিত বিষয়টি স্বাধীনতার প্রধানত রক্ষাকবচ"- বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ধর্মপালন ব্যক্তিগত স্বাধীনতা।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মূল্যবোধ হলো সমাজ বা মানবগোষ্ঠী কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুসৃত সেইসব বিশ্বাস, নীতি ও মানদণ্ড যা মানুষের আচরণ ও কার্যাবলিকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে। এটি মানুষের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত বিচার করার মানসিক মানদণ্ড। যেমন—সততা, পরোপকার, ন্যায়পরায়ণতা ইত্যাদি মূল্যবোধের উদাহরণ।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের (?) চিহ্নিত বিষয়টি হলো 'আইন'।
পৌরনীতি ও সুশাসনে আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য পরস্পর গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং পরিপূরক ধারণা। উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে যে (?) চিহ্নিত একটি কেন্দ্রবিন্দু থেকে 'স্বাধীনতা' ও 'সাম্য' শাখা হিসেবে নির্দেশিত হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জন লকের ভাষায়, "যেখানে আইন নেই, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না।" আইন ব্যক্তির অধিকার ও স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয় এবং সংরক্ষণ করে। একই সাথে আইন সমাজের সকল নাগরিকের সমান সুযোগ-সুবিধা ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করে। আইন ছাড়া স্বাধীনতা স্বেচ্ছাচারিতায় রূপ নেয় এবং সবল কর্তৃক দুর্বল শোষিত হওয়ার ফলে সাম্য বিনষ্ট হয়। সুতরাং, স্বাধীনতা ও সাম্যের ভিত্তি এবং রক্ষক হিসেবে উদ্দীপকের (?) চিহ্নিত বিষয়টি হলো 'আইন' (বা আইনের শাসন)।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকের (?) চিহ্নিত বিষয়টি অর্থাৎ 'আইন' হলো স্বাধীনতার প্রধানতম রক্ষাকবচ।
নিচে এর পক্ষে যুক্তি বিশ্লেষণ করা হলো:
১. স্বাধীনতার শর্ত সৃষ্টি ও সংরক্ষণ: রাষ্ট্রবিজ্ঞানী লক বলেছেন, "যেখানে আইন নেই, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না।" আইন ব্যক্তির জন্য এমন এক পরিবেশ তৈরি করে যেখানে প্রত্যেকে নির্বিঘ্নে নিজস্ব ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে।
২. সবলের অত্যাচার থেকে দুর্বলকে রক্ষা: সমাজে আইন না থাকলে 'জোর যার মুল্লুক তার' অবস্থার সৃষ্টি হতো। আইন সবলকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং দুর্বলকে সুরক্ষা প্রদান করে সবার স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।
৩. অধিকারের নিরাপত্তা: সংবিধানে মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা লিপিবদ্ধ থাকলেও তা আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য না হলে অর্থহীন হয়ে পড়ে। আইনের মাধ্যমেই অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
৪. সাম্য প্রতিষ্ঠা: সাম্য ছাড়া স্বাধীনতা অর্থহীন। আইন সবাইকে সমান চোখে দেখে এবং বৈষম্য দূর করে সাম্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রত্যেকের স্বাধীনতার ভিত্তি সুদৃঢ় করে।পরিশেষে বলা যায়, যদিও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, জনসচেতনতা, প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র ইত্যাদি স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে, তথাপি কার্যকর আইনের উপস্থিতি ছাড়া এর কোনোটিই অর্থবহ হতে পারে না। তাই আইনই স্বাধীনতার প্রধানতম রক্ষাকবচ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও