‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য • চট্টগ্রাম কলেজ • চট্টগ্রাম কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

'ক' রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে দায়িত্বশীলতা, দেশপ্রেম, রাজনৈতিক সহনশীলতা, শৃঙ্খলাবোধ প্রভৃতি বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হয়। উক্ত দেশের আইনসভায় সরকারী দল ও বিরোধীদলের মধ্যে সৌহার্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বিরোধীদল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং জাতীয় স্বার্থে বিভিন্ন বিষয়ে সরকারকে সহযোগিতাও করে। এ ধরনের মূল্যবোধ লালনের ফলে উক্ত দেশে ক্রমশ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।

  1. ক)

    হল্যান্ডের মতে, আইনের উৎস কয়টি?

    (1)
  2. খ)

    স্বাধীনতা বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন ধরনের মূল্যবোধের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উল্লেখিত মূল্যবোধের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের প্রধান উৎস ৬টি।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সাধারণ অর্থে স্বাধীনতা বলতে নিজের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো কাজ করার ক্ষমতাকে বোঝায়। কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসনে স্বাধীনতা বলতে অপরের অধিকার বা স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করে নিজের ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপযোগী কাজ করার অবাধ সুযোগ ও অধিকারকে বোঝায়। এটি এমন এক পরিবেশ যেখানে ব্যক্তি আইনের সীমার মধ্যে থেকে নিজের সম্ভাবনাকে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত করতে পারে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'গণতান্ত্রিক বা রাজনৈতিক মূল্যবোধ'-এর কথা বলা হয়েছে।

    যেসব চিন্তা, চেতনা ও আদর্শ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করে এবং নাগরিকদের মধ্যে পরমতসহিষ্ণুতা, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলে, তাকে রাজনৈতিক বা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলে।

    উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে দায়িত্বশীলতা, দেশপ্রেম, রাজনৈতিক সহনশীলতা ও শৃঙ্খলাবোধ পরিলক্ষিত হয়। এছাড়া সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, যেখানে বিরোধী দল গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং জাতীয় স্বার্থে সরকারকে সহযোগিতা করে। এ ধরনের বৈশিষ্ট্যসমূহ স্পষ্টতই রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন, যা একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনের ভিত্তি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকে উল্লেখিত গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক মূল্যবোধের গুরুত্ব অপরিসীম।

    সুশাসন হলো এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, পরমতসহিষ্ণুতা এবং জনগণের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত থাকে। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রে নাগরিকদের দায়িত্বশীলতা, দেশপ্রেম এবং দলগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক সহনশীলতা বিদ্যমান, যা সুশাসনের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।

    রাজনৈতিক মূল্যবোধের বিকাশের ফলে বিরোধী দল সরকারকে অযথা বাধাগ্রস্ত না করে গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং জাতীয় স্বার্থে সহযোগিতা প্রদান করে। এতে শাসনকাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়। নাগরিকদের শৃঙ্খলাবোধ ও দেশপ্রেম দুর্নীতি প্রতিরোধে এবং আইনের শাসন বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। পরমতসহিষ্ণুতা থাকলে রাজনৈতিক সংঘাত ও সহিংসতা হ্রাস পায়, যা দেশে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে।

    সুতরাং, বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লেখিত রাজনৈতিক মূল্যবোধ কেবল গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় না, বরং একটি কার্যকর সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন