গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • কুষ্টিয়া মহিলা কলেজ • কুষ্টিয়া মহিলা কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন
ছক-১: প্রতিদিন বাসে চড়ে কলেজে গমন, ল্যাকটিক এসিডের উপস্থিতি
ছক-২: কাজের বিভিন্ন পর্যায়ের বিবরণ, পায়ে চলার পথ অনুসরণ
- ক)(1)
ওয়ার্ক কার্ভ কাকে বলে?
- খ)(2)
কাদের ক্ষেত্রে সময় ও শক্তি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম- বুঝিয়ে লেখো।
- গ)(3)
ছক: ১ কোন ধরনের ক্লান্তিকে নির্দেশ করে? উক্ত ক্লান্তির কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
ছক: ২ এর কৌশলগুলো কাজ সহজকরণের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো নির্দিষ্ট কাজে সময়ের সাথে সাথে কাজের গতি বা দক্ষতার হ্রাস-বৃদ্ধি বা পরিবর্তনের চিত্র যে রেখাচিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, তাকে ওয়ার্ক কার্ভ (Work Curve) বা কাজের লেখচিত্র বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কর্মজীবী নারী এবং গৃহিণীদের ক্ষেত্রে সময় ও শক্তি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম। গৃহিণীদের প্রতিদিন রান্নাবান্না, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সন্তান লালন-পালনসহ নানাবিধ পারিবারিক কাজ অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে হয়। বিশেষ করে কর্মজীবী নারীদের ঘরের কাজের পাশাপাশি বাইরের কর্মক্ষেত্রের দায়িত্বও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুষ্ঠুভাবে পালন করতে হয়। সঠিক পরিকল্পনা ও সময়-শক্তি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ক্লান্তি হ্রাস পায়, সব কাজ সময়মতো শেষ করা যায় এবং পারিবারিক ও পেশাগত জীবনে ভারসাম্য বজায় থাকে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের ছক-১ শারীরিক বা দৈহিক ক্লান্তিকে (Physiological Fatigue) নির্দেশ করে।
শারীরিক ক্লান্তি সৃষ্টি হওয়ার কারণগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
১. ল্যাকটিক এসিডের সঞ্চয়: অতিরিক্ত বা একটানা শারীরিক পরিশ্রম করলে পেশিতে অপর্যাপ্ত অক্সিজেনের কারণে গ্লাইকোজেন ভেঙে ল্যাকটিক এসিড উৎপন্ন হয়। এই ল্যাকটিক এসিড পেশিতে জমা হয়ে পেশির স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং ক্লান্তি অনুভূত হয়।
২. শক্তির অপচয় ও শক্তির অভাব: প্রতিদিন দীর্ঘ সময় বাসে দাঁড়িয়ে বা ঝাঁকুনি সহ্য করে কলেজে যাতায়াতের মতো কায়িক শ্রমে শরীরের সঞ্চিত শক্তি বা ক্যালরি ক্ষয় হয়।
৩. রক্ত সঞ্চালন ও অক্সিজেনের ঘাটতি: দীর্ঘক্ষণ শরীর নির্দিষ্ট বা প্রতিকূল অবস্থানে থাকলে এবং শারীরিক চাপ পড়লে কোষে অক্সিজেন সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে অবসাদ বা দৈহিক ক্লান্তি দেখা দেয়। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ছক-২ এর কৌশলগুলো হলো কাজ সহজকরণের পদ্ধতি নির্দেশক, যা কাজ সহজকরণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে—উক্তিটি যথার্থ।
উদ্দীপকের ছক-২ এ উল্লেখিত 'কাজের বিভিন্ন পর্যায়ের বিবরণ' (প্রক্রিয়া নকশা বা Process Chart) এবং 'পায়ে চলার পথ অনুসরণ' (গতিপথ নকশা বা Pathway Chart) হলো গিলব্রেথ কর্তৃক প্রবর্তিত কাজ সহজকরণের অন্যতম প্রধান কৌশল।
এদের ভূমিকা নিম্নরূপ:
১. কাজের গতি ও পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ: প্রসেস চার্টের মাধ্যমে একটি কাজের প্রতিটি পর্যায় বা পদক্ষেপ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে লিখে অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত কাজ চিহ্নিত করা যায়।
২. অপ্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বর্জন: পাথওয়ে চার্টের মাধ্যমে কাজের সময় কর্মী কোন কোন পথ দিয়ে কতবার চলাচল করে তা সুতা ও পিনের সাহায্যে মেপে দেখা হয়। এর মাধ্যমে চলাচলের ভুল পথ সংশোধন করে দূরত্ব ও শক্তির অপচয় কমানো যায়।
৩. ক্লান্তি হ্রাস: কাজের ধারা সহজ এবং চলাচলের দূরত্ব ন্যূনতম হলে অল্প সময়ে ও অল্প পরিশ্রমে অধিক কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।সুতরাং, কাজের বিভিন্ন পর্যায়ের চুলচেরা বিশ্লেষণ এবং চলাচলের পথ পর্যালোচনা কাজের গতি বাড়িয়ে সময় ও শক্তি সাশ্রয় করে, যা কাজ সহজকরণে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও