গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • কুমিল্লা, যশোর, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন
নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
ছক-১: প্রতিদিন বাসে চড়ে কলেজে গমন, ল্যাকটিক এসিডের উপস্থিতি
ছক-২: কাজের বিভিন্ন পর্যায়ের বিবরণ, পায়ে চলার পথ অনুসরণ
- ক)(1)
ওয়ার্ক কার্ড কাকে বলে?
- খ)(2)
কাজের ক্ষেত্রে সময় ও শক্তি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম— বুঝিয়ে লেখো।
- গ)(3)
ছক-১ কোন ধরনের ক্লান্তিকে নির্দেশ করে? উক্ত ক্লান্তির কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
“ছক-২ এর কৌশলগুলো কাজ সহজকরণের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে”— উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো নির্দিষ্ট কাজ কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে ও কোন ক্রমে সম্পন্ন করতে হবে তার লিখিত বিবরণ বা নির্দেশিকাকে ওয়ার্ক কার্ড (Work Card) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সময় ও শক্তি মানুষের দুটি অমূল্য মানবীয় সম্পদ, যা একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। সময় একবার চলে গেলে তা আর ফিরে পাওয়া যায় না এবং অতিরিক্ত কাজের ফলে মানুষের শারীরিক ও মানসিক শক্তির অপচয় ঘটে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কাজ সুষমভাবে বণ্টন করলে নির্দিষ্ট সময়ে কম পরিশ্রমে অধিক কাজ সম্পন্ন করা যায় এবং কাজের গুণগত মান বজায় থাকে। তাই দৈনন্দিন জীবনে ক্লান্তি দূর করে লক্ষ্য অর্জনের জন্য সময় ও শক্তি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ছক-১ শারীরিক বা দৈহিক ক্লান্তিকে নির্দেশ করে।
শারীরিক ক্লান্তির মূল কারণ হলো অতিরিক্ত বা দীর্ঘ সময় ধরে শারীরিক পরিশ্রম করা। যখন কোনো ব্যক্তি একটানা শারীরিক পরিশ্রম বা চলাফেরা করে (যেমন: প্রতিদিন বাসে চড়ে দীর্ঘ পথ কলেজে যাতায়াত করা), তখন পেশিতে অতিরিক্ত শক্তির ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাবে পেশিকলায় গ্লাইকোজেন ভেঙে ল্যাকটিক এসিড (Lactic Acid) উৎপন্ন হয় এবং তা রক্ত ও পেশিতে জমা হতে থাকে। ল্যাকটিক এসিড জমা হওয়ার ফলে পেশির কার্যক্ষমতা হ্রাস পায় এবং শরীরে তীব্র অবসাদ ও ক্লান্তি অনুভূত হয়। বিশ্রাম নিলে ল্যাকটিক এসিড দূর হয় এবং শরীর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
“ছক-২ এর কৌশলগুলো কাজ সহজকরণের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে”— উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ।
উদ্দীপকের ছক-২ এ উল্লিখিত কৌশলগুলো হলো ‘কাজের বিভিন্ন পর্যায়ের বিবরণ’ এবং ‘পায়ে চলার পথ অনুসরণ’, যা মূলত সময় ও গতি নিরীক্ষার (Time and Motion Study) অন্তর্ভুক্ত কাজ সহজকরণের গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
কাজ সহজকরণের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অপ্রয়োজনীয় শারীরিক নড়াচড়া কমানো এবং কাজের ক্রম সাজানো। কাজের বিভিন্ন পর্যায়ের বিবরণ (যেমন: প্রসেস চার্ট) ব্যবহারের মাধ্যমে কাজের কোন ধাপে কতটুকু সময় ও শক্তি অপচয় হচ্ছে তা শনাক্ত করা যায় এবং অপ্রয়োজনীয় ধাপগুলো বাদ দেওয়া সম্ভব হয়। অপরদিকে, পায়ে চলার পথ অনুসরণ (যেমন: পাথওয়ে চার্ট) করার ফলে রান্নাঘর বা কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তির অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত পরিমাপ করা যায় এবং কাজের পরিবেশ বা আসবাবপত্র এমনভাবে পুনর্বিন্যাস করা যায় যাতে কম পরিশ্রমে কাজ দ্রুত শেষ করা সম্ভব হয়।
সুতরাং, এই কৌশলগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করলে সময় ও শক্তির সাশ্রয় ঘটে এবং কাজের গতি ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, ছক-২ এর কৌশলগুলো কাজ সহজকরণে অত্যন্ত কার্যকর প্রভাব বিস্তার করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও