ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২১
ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র প্রশ্ন
জসিম তার বন্ধু নুমানের সাথে কথা প্রসঙ্গে বলেন যে, ‘আমরা যে যা-ই করি না কেন প্রত্যেকটা বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে।' নুমান বললেন, ‘এজন্য আমাদেরকে বৈধ উপায়ে উপার্জন করতে হবে কেননা সেটা ফরজের পরে ফরজ।'
- ক)(1)
মতন কী?
- খ)(2)
উপরের হাত নিচের হাত থেকে উত্তম'- ব্যাখ্যা কর ।
- গ)(3)
‘তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল’– উদ্দীপকের আলোকে বর্ণনা কর ।
- ঘ)(4)
নুমানের উক্তিটি তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হাদিসের মূল বক্তব্য বা মূল অংশকে ‘মতন’ (متن) বলা হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
‘উপরের হাত নিচের হাত থেকে উত্তম’— হাদিসের এ বক্তব্যের মাধ্যমে দানকারী বা স্বাবলম্বী ব্যক্তিকে গ্রহণকারী বা যাচনাকারী ব্যক্তির চেয়ে শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে। এখানে উপরের হাত বলতে দানকারী বা উপার্জনকারীকে এবং নিচের হাত বলতে সাহায্য গ্রহণকারী বা ভিক্ষুককে বোঝানো হয়েছে। ইসলামে ভিক্ষাবৃত্তি বা পরনির্ভরশীলতাকে নিরুৎসাহিত করে নিজ পরিশ্রমে জীবিকা নির্বাহ এবং অভাবীদের মুক্তহস্তে দান করতে উৎসাহিত করা হয়েছে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে জসিমের বক্তব্য— ‘আমরা যে যা-ই করি না কেন প্রত্যেকটা বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে’— মহানবি (সা.)-এর বিখ্যাত হাদিস ‘তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে’-এর সাথে সরাসরি সংগতিপূর্ণ। ইসলামে প্রতিটি মানুষকে কোনো না কোনো স্তরের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপ্রধান তাঁর প্রজাদের জন্য, পরিবারের কর্তা তাঁর পরিবারের জন্য এবং কর্মচারী তাঁর মালিকের সম্পদের জন্য দায়িত্বশীল। কিয়ামতের দিন সবাইকে এই অর্পিত দায়িত্ব পালনের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব দিতে হবে। উদ্দীপকে জসিম এই সার্বিক জবাবদিহিতার কথাই স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নুমানের উক্তিটি হলো— ‘বৈধ উপায়ে উপার্জন করতে হবে কেননা সেটা ফরজের পরে ফরজ।’ এটি একটি সহিহ হাদিসের ভাবার্থ, যেখানে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: 'ফরজ ইবাদতের পর হালাল জীবিকা অন্বেষণ করা আরেকটি ফরজ।' পাঠ্যবইয়ের আলোকে, ইসলামে শুধু নামাজ, রোজা বা বাহ্যিক ইবাদতই যথেষ্ট নয়; বরং জীবিকা উপার্জনে হালাল ও বৈধ পন্থা অবলম্বন করাও অন্যতম প্রধান ইবাদত। হারাম উপার্জনে গঠিত শরীর জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং হারাম উপার্জনের কারণে কোনো দুয়া ও ইবাদত কবুল হয় না। শ্রম ও সততার মাধ্যমে উপার্জিত সম্পদ সমাজে শান্তি ও সমৃদ্ধি আনে। অতএব, নুমানের উক্তিটি যথার্থ এবং ইসলামি অনুশাসনের মৌলিক নির্দেশনার প্রতিফলন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও