‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

২০২১ সালের ১ মে মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর জাতীয় শহিদ মিনারের পাদদেশে নারী শ্রমিকদের এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে নারী নেত্রীবৃন্দ সকল কাজের সমান সুযোগ এবং পুরুষ শ্রমিকদের সমান পারিশ্রমিক প্রদানের দাবি জানান।

  1. ক)

    আইন কী ?

    (1)
  2. খ)

    কেন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রয়োজন?

    (2)
  3. গ)

    প্রদত্ত উদ্দীপকে নারীর কোন কোন অধিকার আদায়ের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত নারীর অধিকারসমূহ বাস্তবায়িত হলে সমাজে এর কী প্রভাব পড়বে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আইন হলো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রণীত ও স্বীকৃত এমন কিছু সাধারণ নিয়মকানুন, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং যা অমান্য করলে শাস্তি ভোগ করতে হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সুষ্ঠু পরিচালনা, সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক অধিকার সংরক্ষণের জন্য গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অপরিহার্য। এটি সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পরমতসহিষ্ণুতা, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমাজে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখতে সহায়তা করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রদত্ত উদ্দীপকে নারীর 'অর্থনৈতিক অধিকার' তথা সমঅধিকারের কথা বলা হয়েছে।

    বিশেষভাবে উদ্দীপকে দুটি প্রধান অধিকারের দাবি জানানো হয়েছে:
    ১. কাজের সমান সুযোগের অধিকার: নারী শ্রমিকদের জন্য পুরুষদের মতোই সকল পেশা ও কর্মক্ষেত্রে নির্বিশেষে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা।
    ২. সমান কাজের জন্য সমান পারিশ্রমিকের অধিকার: পুরুষদের সমান পরিশ্রমে বা অনুরূপ কাজে নারীদের কোনো বৈষম্য ছাড়া সমান মজুরি বা পারিশ্রমিক পাওয়ার অধিকার।

    এই অধিকারগুলো মানবাধিকার ও সংবিধানস্বীকৃত মৌলিক অর্থনৈতিক সাম্যের অংশ, যা উদ্দীপকের সমাবেশে নারী নেত্রীবৃন্দ জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত নারীর অধিকারসমূহ (কাজের সমান সুযোগ ও সমমজুরি) বাস্তবায়িত হলে সমাজে ইতিবাচক ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে:

    ১. অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধি: জনসংখ্যার অর্ধেক অংশ নারীকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সমানভাবে সম্পৃক্ত করলে উৎপাদনশীলতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে এবং জাতীয় আয় ও প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।
    ২. নারীর ক্ষমতায়ন: অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নারীর আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং পরিবার ও সমাজ পরিচালনায় নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
    ৩. সামাজিক বৈষম্য ও দারিদ্র্য বিমোচন: সমমজুরি পেলে নারী শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে এবং পরিবারে চরম দারিদ্র্য দূর হবে, যা সামগ্রিক সামাজিক বৈষম্য হ্রাস করবে।
    ৪. লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও নিপীড়ন হ্রাস: অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর নারীদের পারিবারিক ও সামাজিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকি কমে আসে।

    সুতরাং, নারীর এই মৌলিক অর্থনৈতিক অধিকারগুলো নিশ্চিত হলে সমাজ একটি ন্যায়ভিত্তিক, ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রে রূপান্তর লাভ করবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন