পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য • বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ • বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
'Z' দেশের সকল নাগরিক স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারে এবং নিজ ধর্ম পালন করতে পারে। এমন কি প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। এতে রাষ্ট্র কোনোরূপ হস্তক্ষেপ করে না।
- ক)(1)
অধিকারের প্রথম রূপ কী?
- খ)(2)
সাংবিধানিক আইন বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে কোন ধরনের স্বাধীনতার প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত স্বাধীনতা সরকার ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরিতে কী ধরনের ভূমিকা পালন করে? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অধিকারের প্রথম ও প্রাথমিক রূপ হলো সামাজিক অধিকার বা প্রাকৃতিক অধিকার।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সাংবিধানিক আইন বলতে সেইসব মৌলিক আইনকে বোঝায়, যা কোনো দেশের সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে এবং যার দ্বারা রাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থা, সরকারের বিভিন্ন বিভাগের ক্ষমতা ও পারস্পরিক সম্পর্ক এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নির্ধারিত ও পরিচালিত হয়। এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ও মূল আইন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'ব্যক্তিগত স্বাধীনতা' ও 'নাগরিক স্বাধীনতার' প্রতিফলন ঘটেছে।
যে স্বাধীনতা ভোগ করার মাধ্যমে ব্যক্তি তার নিজস্ব জীবনধারা পরিচালনা করতে পারে এবং যাতে রাষ্ট্র বা অন্য কোনো পক্ষ অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ করে না, তাকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বলে। যেমন—চলাচলের স্বাধীনতা, ধর্ম পালনের স্বাধীনতা, চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ইত্যাদি।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'Z' দেশের সকল নাগরিক স্বাধীনভাবে চলাচল ও নিজ ধর্ম পালন করতে পারে এবং রাষ্ট্র কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়াই প্রত্যেকে নিজ নিজ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। রাষ্ট্রের এই ধরনের অনধিকারচর্চাহীন পরিবেশ নাগরিকের ব্যক্তিগত জীবন ও সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে, যা মূলত ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যক্তিগত স্বাধীনতা সরকার ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সুসম্পর্ক তৈরিতে অত্যন্ত ইতিবাচক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে নাগরিকদের স্বাধীন মতামত, চলাচল এবং ধর্মীয় বিশ্বাস পালনের অধিকার রক্ষা করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব। যখন রাষ্ট্র নাগরিকদের মৌলিক ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় অযাচিত হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকে, তখন জনগণের মধ্যে সরকারের প্রতি আস্থা, আনুগত্য এবং শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি পায়।
উদ্দীপকের 'Z' দেশে নাগরিকরা অবাধে চলাচল, ধর্ম পালন ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে এবং রাষ্ট্র এতে কোনো বাধা দিচ্ছে না। এর ফলে নাগরিকরা নিজেদের স্বাধীন ও মর্যাদাবান মনে করে এবং সরকারের নিয়মকানুনের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত শ্রদ্ধাশীল থাকে। সরকারের এই ধরনের উদার ও অধিকারবান্ধব আচরণ সরকার ও জনগণের দূরত্ব কমিয়ে দেয়, যার ফলে তাদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরিশেষে বলা যায়, জনগণের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার স্বীকৃতি ও সংরক্ষণই সরকার ও প্রজাবৃন্দের মধ্যে সুসম্পর্কের মূল চাবিকাঠি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও