‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য এবং মানবাধিকার • বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ • বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

জনাব 'ক' রসুলপুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে নাগরিক অধিকার সম্পর্কে জানতে চায়। কিন্তু তিনি তাকে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রদান করেননি বিধায় তিনি রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত তাকে শাস্তি প্রদান করে।

  1. ক)

    Nomadic Group কী?

    (1)
  2. খ)

    ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয় সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে? এটি কীভাবে নাগরিকের তথ্য প্রাপ্তির ভূমিকা রাখে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত আইন সম্পর্কে তুমি কি জান? ব্যাখ্যা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নোম্যাডিক গ্রুপ (Nomadic Group) বা যাযাবর দল বলতে এমন জনগোষ্ঠীকে বোঝায় যাদের কোনো স্থায়ী আবাস নেই এবং যারা জীবিকা অর্জনের তাগিদে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঘুরে বেড়ায়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ (Decentralization of Power) বলতে কেন্দ্রীয় সরকারের হাত থেকে শাসনতান্ত্রিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা আঞ্চলিক বা স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানের নিকট হস্তান্তর করাকে বোঝায়। এর ফলে স্থানীয় সমস্যার সমাধান স্থানীয়ভাবে দ্রুত করা যায় এবং সাধারণ জনগণের ক্ষমতায়ন ও প্রশাসনে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে পাঠ্যবইয়ের 'তথ্য অধিকার' (Right to Information) এবং 'তথ্য অধিকার আইন' সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

    তথ্য অধিকার যেভাবে নাগরিকের তথ্য প্রাপ্তিতে ভূমিকা রাখে:
    ১. তথ্যের আইনি নিশ্চয়তা: আইনের মাধ্যমে প্রত্যেক নাগরিকের সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা হতে তথ্য জানার অধিকার স্বীকৃত হয়।
    ২. কর্মকর্তা নিয়োগ ও দায়িত্ব নির্ধারণ: প্রতিটি দফতরে একজন নির্দিষ্ট 'দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা' নিয়োজিত থাকেন, যার দায়িত্ব হলো নাগরিকের চাহিদামতো তথ্য সরবরাহ করা।
    ৩. তথ্য প্রদানে বাধ্যবাধকতা: আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তথ্য প্রদান করতে কর্তৃপক্ষ বাধ্য থাকে। তথ্য প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে বা বিলম্ব করলে আপিল ও অভিযোগ দায়েরের সুযোগ থাকে।
    ৪. শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ: তথ্য প্রদান না করলে বা ভুল তথ্য দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও জরিমানার বিধান রয়েছে, যা নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার প্রক্রিয়াকে কার্যকর করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত আইনটি হলো 'তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯' (Right to Information Act, 2009)। জনগণের তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতকরণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশে এ আইন প্রণয়ন করা হয়।

    তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ নিম্নরূপ:
    ১. প্রণয়ন ও উদ্দেশ্য: ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ জাতীয় সংসদে এ আইনটি পাস হয় এবং ৬ এপ্রিল ২০০৯ এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো প্রশাসনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং দুর্নীতি হ্রাস করা।
    ২. তথ্য কমিশন গঠন: আইনটির কার্যকর প্রয়োগের জন্য একটি স্বাধীন 'তথ্য কমিশন' গঠন করা হয়েছে, যা নাগরিকের অভিযোগ নিষ্পত্তি করে থাকে।
    ৩. তথ্য প্রাপ্তির প্রক্রিয়া: নাগরিককে নির্ধারিত ফরমে লিখিতভাবে বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদন প্রাপ্তির ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য সরবরাহ করবেন (জীবনের নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে)।
    ৪. সীমাবদ্ধতা বা ব্যতিক্রম: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, অখণ্ডতা, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত স্পর্শকাতর বিষয়সমূহ এই আইনের আওতাবহির্ভূত রাখা হয়েছে।

    সুতরাং, তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ জনগণের ক্ষমতায়ন এবং একটি গণতান্ত্রিক ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে অন্যতম যুগান্তকারী আইন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন