সমাজকর্ম ২য় পত্র • সরকারি সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, সিলেট বোর্ড ২০১৭
সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন
নিরপরাধ রাসেদ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নির্মম অত্যাচারে আজ পঙ্গু। বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছে মা। "মিথ্যা মামলায় জেল খাটছে রাসেদ"- সংবাদপত্রে
প্রকাশিত এমন একটি সংবাদ দেখে বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান স্বপ্রণোদিত হয়ে কেসটি গ্রহণ করে। রাসেদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সরেজমিনে
তদন্ত শুরু করে। আটকের স্থান পরিদর্শনসহ তথ্য সংগ্রহ করে জেলখানায় রাসেদের সাথে সাক্ষাৎ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে কথা বলেছে এবং
মামলা পরিচালনা করে। অবশেষে রাসেদ মুক্তি পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে চেয়ারম্যানসহ ছয়জন সদস্য রয়েছেন। ২০১০ সালের ২২ শে জুন প্রতিষ্ঠানটি পুনর্গঠিত হয়।
- ক)(1)
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কী?
- খ)(2)
বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দরিদ্রদের স্বাবলম্বী করতে কীভাবে সাহায্য করবে?
- গ)(3)
উদ্দীপকে রাসেদকে সাহায্য করেছে কোন প্রতিষ্ঠান? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি কীভাবে রাসেদকে ন্যায়বিচার প্রদানে সফল হল? মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দুর্যোগের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, দুর্যোগকালীন দ্রুত সাড়াদান এবং দুর্যোগপরবর্তী উদ্ধার, ত্রাণ ও টেকসই পুনর্বাসনের জন্য গৃহীত সুশৃঙ্খল ও সমন্বিত কার্যক্রমকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দরিদ্র ও বেকার জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং তাদের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলে। এর মাধ্যমে তারা কোনো নির্দিষ্ট কাজে (যেমন- সেলাই, ইলেকট্রিক্যাল কাজ, কম্পিউটার পরিচালনা ইত্যাদি) পারদর্শী হয়ে ওঠে। ফলে তারা সহজে চাকরি পায় অথবা স্বকর্মসংস্থানের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধিপূর্বক আত্মনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী হতে পারে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে রাসেদকে সাহায্য করেছে বাংলাদেশের 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন' (National Human Rights Commission)।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্মম অত্যাচারের শিকার হয়ে নিরপরাধ রাসেদ পঙ্গুত্ব বরণ করে ও মিথ্যা মামলায় জেল খাটে। এই সংবাদ দেখে একটি প্রতিষ্ঠান স্বপ্রণোদিত (suo-moto) হয়ে তদন্ত শুরু করে, তথ্য সংগ্রহ করে, আইনি সহায়তা দেয় এবং রাসেদের মুক্তি নিশ্চিত করে। উদ্দীপকে আরও উল্লেখ আছে, প্রতিষ্ঠানটিতে চেয়ারম্যানসহ ছয়জন সদস্য রয়েছেন এবং এটি ২০১০ সালের ২২ জুন পুনর্গঠিত হয়।
বাংলাদেশে ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের আওতায় ২০১০ সালের ২২ জুন চেয়ারম্যানসহ সদস্য সমন্বয়ে এই স্বাধীন ও সংবিধিবদ্ধ কমিশনটি পুনর্গঠিত হয়। আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি যেকোনো ব্যক্তির মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত করতে পারে ও আইনি সহায়তা প্রদান করে মানবাধিকার রক্ষা করতে পারে। সুতরাং, উদ্দীপকের কার্যক্রম ও বৈশিষ্ট্যের সাথে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সম্পূর্ণ মিল রয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে রাসেদকে ন্যায়বিচার প্রদানে সফল হয়েছে।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন দেশের নাগরিকদের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা অন্য কারও দ্বারা সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করে। উদ্দীপকে রাসেদ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নির্যাতনে পঙ্গু হয়ে অন্যায়ভাবে জেল খাটছিল। কমিশন সংবাদপত্রে এ খবর দেখে স্বপ্রণোদিত হয়ে বিষয়টি আমলে নেয়।
কমিশন সরাসরি ঘটনাস্থল ও জেলখানায় গিয়ে রাসেদের সাথে সাক্ষাৎ করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে আলোচনা করে এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা ও মামলা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। একটি শক্তিশালী স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইনি প্রক্রিয়ায় যথাযথ সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করার ফলেই মিথ্যা মামলায় ফেঁসে যাওয়া রাসেদ মুক্তি পায়। এভাবে নিজস্ব অনুসন্ধান ক্ষমতা ও আইনি সহায়তার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই কমিশন রাসেদকে ন্যায়বিচার এনে দিতে সক্ষম হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও