সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, সিলেট বোর্ড ২০১৭

সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

রহিমার গায়ের রং কালো। তাই বিয়ে দেয়ার সময় তার বাবা পাত্রপক্ষকে স্বর্ণালংকার, গৃহস্থালি সামগ্রী, মোটর সাইকেল ও। আরো অনেক কিছু দাবি করে এবং রহিমাকে নানান কটূক্তি করে। নগদ অর্থসহ অনেক উপহার প্রদান করেন। কিছুদিন পরে, পাত্রপক্ষ পাঠিয়ে দেয়। অবশেষে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

  1. ক)

    জাতিসম্পর্ক কয় প্রকার?

    (1)
  2. খ)

    কর্মজীবী নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে রহিমার বিয়েতে উপঢৌকন ছাড়া অন্যান্য কিছু দাবি করা কোন ধরনের সমস্যাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    তুমি কি মনে কর, উক্ত সমস্যাটির কারণে বেশির ভাগ নারী সমাজে আত্মহত্যা করে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জাতিসম্পর্ক সাধারণত তিন প্রকার।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কর্মজীবী নারীরা মূলত পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা, কর্মক্ষেত্রে ও যাতায়াত পথে যৌন হয়রানি এবং পর্যাপ্ত আইনি ও সামাজিক সুরক্ষার অভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। কর্মক্ষেত্রে তাদের যোগ্য মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া এবং পারিবারিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির নেতিবাচক প্রভাব এর অন্যতম কারণ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে রহিমার বিয়েতে উপঢৌকন ছাড়াও অন্যান্য কিছু দাবি করা 'যৌতুক সমস্যা'কে নির্দেশ করে।

    বিবাহের সময় বা পরে বরপক্ষ কর্তৃক কনেপক্ষের নিকট অর্থ, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র বা যেকোনো মূল্যবান সামগ্রী দাবি করাই হলো যৌতুক।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, রহিমার গায়ের রং কালো হওয়ায় তার বিয়ের সময় অনেক উপহারসামগ্রী দেওয়ার পরও কিছুদিন পর পাত্রপক্ষ আরও নতুন জিনিসপত্র ও অর্থ দাবি করে এবং রহিমাকে কটূক্তি করে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এটি স্পষ্টতই যৌতুক প্রথার চরম নেতিবাচক রূপ এবং সমাজবিজ্ঞান দৃষ্টিকোণ থেকে একটি মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি বা সমস্যা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আমি একমত যে, যৌতুক সমস্যার কারণে সমাজে অনেক নারী চরম নির্যাতন ও মানসিক নিপীড়নের শিকার হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

    যৌতুক লোভী পরিবারের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন নারীর আত্মমর্যাদাহানি ঘটায়। উদ্দীপকে রহিমা যৌতুকের দাবি পূরণ না হওয়া এবং প্রতিনিয়ত কটূক্তির শিকার হয়ে অবশেষে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। বাস্তবেও দেখা যায়, যৌতুকের অতিরিক্ত দাবির মুখে অসহায় নারী ও তার পরিবার সামাজিক লজ্জার মুখে পড়ে। বিয়ের পর যৌতুক না পেয়ে স্বামীর পরিবার থেকে মারধর, গালিগালাজ ও মানসিক চাপ দেওয়া হয়। এই অবমাননা ও বিচারহীনতা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় না পেয়ে অনেক নারী শেষ পর্যন্ত নিজেকে শেষ করে দেয়।

    অতএব, যৌতুক প্রথা সমাজে নারীর জীবনের জন্য এক প্রাণঘাতী হুমকি এবং এটি নারীদের আত্মহত্যার অন্যতম প্রধান কারণ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন