গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর টেস্ট পরীক্ষা ২০২৬
গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন
সুমন একাদশ শ্রেণির ১ম সাময়িক পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে। একদিন সে কয়েকজন সহপাঠিকে বাথরুমে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করতে দেখে। ইদানিং তার পড়াশোনার বেশ অবনতি হচ্ছে এবং সে প্রায়ই মা-বাবার সাথে উদ্ধত আচরণ করে।
- ক)(1)
মানসিক স্বাস্থ্য কী?
- খ)(2)
“তারুণ্য মানবজীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়”-ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে সুমনের সাথে মা-বাবার সম্পর্কের অবনতির কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
সুমনের বয়সী ছেলেমেয়েদের উল্লিখিত সমস্যা হতে পরিত্রাণের উপায় বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মানসিক স্বাস্থ্য হলো একজন ব্যক্তির মানসিক, আবেগীয় ও মনস্তাত্ত্বিক সুস্থতা, যার মাধ্যমে সে জীবনের স্বাভাবিক চাপ মোকাবেলা করতে এবং সমাজে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
তারুণ্য হলো শৈশব থেকে প্রাপ্তবয়সে পদার্পণের এক গুরুত্বপূর্ণ ক্রান্তিকাল। এ সময়ে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি রচিত হয়। ক্যারিয়ার গঠন, ব্যক্তিত্বের বিকাশ এবং সঠিক মূল্যবোধ অর্জনের জন্য এই সময়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও তাৎপর্যপূর্ণ। তাই তারুণ্যকে মানবজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সুমনের সাথে মা-বাবার সম্পর্কের অবনতির মূল কারণ হলো মাদকাসক্তি বা অসৎ সঙ্গের কুপ্রভাব এবং বয়ঃসন্ধিকালীন মানসিক অস্থিরতা।
সুমন ভালো ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও সহপাঠীদের নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করতে দেখার পর তার মধ্যে নেতিবাচক আচরণগত পরিবর্তন এসেছে। মাদকের সংস্পর্শে আসা বা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ার কারণে কিশোরদের মেজাজ খিটখিটে হয়, আবেগীয় অস্থিরতা বাড়ে এবং তারা পরিবারের সদস্যদের প্রতি অবাধ্য ও উদ্ধত আচরণ করে। এছাড়া পড়াশোনায় অবনতি হওয়ায় পারিবারিক চাপ ও হতাশা তৈরি হয়েছে, যার ফলে মা-বাবার সাথে তার দূরত্ব ও সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সুমনের বয়সী তরুণ-কিশোরদের মাদকাসক্তি ও বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করতে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।
১. পারিবারিক বন্ধন ও খোলামেলা যোগাযোগ: মা-বাবার উচিত সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, যাতে সন্তান যেকোনো মানসিক চাপ বা সমস্যার কথা খোলামেলা আলোচনা করতে পারে।
২. অসৎ সঙ্গ পরিহার ও পর্যবেক্ষণ: সন্তান কাদের সাথে মেলামেশা করছে, সে বিষয়ে মা-বাবার সতর্ক দৃষ্টি রাখা আবশ্যক।
৩. সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলা: তরুণদের শারীরিক খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত রাখলে তারা বিপথগামী হওয়া থেকে দূরে থাকে।
৪. মাদকবিরোধী সচেতনতা ও নৈতিক শিক্ষা: পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে।
৫. প্রয়োজনে কাউন্সিলিং: আচরণগত জটিলতা বা মাদকাসক্তি দেখা দিলে দ্রুত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সিলরের পরামর্শ গ্রহণ করা জরুরি।এসব পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই সুমনের মতো তরুণদের বিপথগামিতা থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও