পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন • বিএএফ শাহীন কলেজ • বিএএফ শাহীন কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
শাহেদ সোহরাওয়ার্দী একজন রাজনীতিবিদ। তিনি সহজে মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারেন। জনগণও তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে। বিশেষ করে তার বক্তব্য ও ব্যক্তিত্ব জনগণকে উজ্জীবিত করে।
- ক)(1)
বাংলাদেশে কী ধরনের দলব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে?
- খ)(2)
দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বলতে কী বোঝ? বর্ণনা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বের কোন গুণটি অনন্য বলে তুমি মনে কর? গুণটির বর্ণনা দাও।
- ঘ)(4)
শাহেদ সোহরাওয়াদীর মতো নেতৃত্বই পারে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে-বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশে বহু-দলীয় ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে শাসনব্যবস্থায় প্রধানত দুটি রাজনৈতিক দল সক্রিয় থাকে এবং পালাক্রমে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়, তাকে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বলে। এ ব্যবস্থায় আরো ছোট ছোট দল থাকতে পারে, তবে সরকার গঠন ও বিরোধী দলের মূল দায়িত্ব এ প্রধান দুটি দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বের অনন্য গুণটি হলো 'সম্মোহনী নেতৃত্ব' (Charismatic Leadership)।
সম্মোহনী নেতৃত্ব হলো নেতার সেই বিশেষ ব্যক্তিত্ব ও গুণাবলি, যার মাধ্যমে তিনি সাধারণ জনগণকে আকৃষ্ট ও মোহিত করতে পারেন। এমন নেতৃত্বের অধিকারী ব্যক্তির অসাধারণ বাগ্মীতা, প্রজ্ঞা ও ব্যক্তিত্বের কারণে জনগণ তাঁর প্রতি অন্ধ বিশ্বাস ও অবিচল আস্থা রাখে এবং তাঁর আহ্বানে যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকে। উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে যে শাহেদ সোহরাওয়ার্দী সহজে মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারেন, জনগণ তাঁকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে এবং তাঁর বক্তব্য ও ব্যক্তিত্ব জনগণকে উজ্জীবিত করে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো স্পষ্টতই পৌরনীতিতে সংজ্ঞায়িত সম্মোহনী নেতৃত্বের বহিঃপ্রকাশ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর মতো দূরদর্শী ও সম্মোহনী নেতৃত্বই জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে—বক্তব্যটি যথার্থ।
যেকোনো জাতির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রয়োজন অপরিহার্য। একজন সম্মোহনী নেতা তাঁর ব্যক্তিত্ব ও বাগ্মীতার মাধ্যমে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেন এবং তাদের মধ্যে অধিকার সচেতনতা তৈরি করতে পারেন। জনগণ যখন কোনো নেতার প্রতি পূর্ণ আস্থা স্থাপন করে, তখন তাঁর নেতৃত্বে রাজনৈতিক আন্দোলন, সামাজিক পরিবর্তন ও শোষণমুক্ত সমাজ গঠন সহজ হয়।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, রাজনৈতিক অধিকার ও স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে যেসব নেতা জনগণকে অন্ধবিশ্বাসে উদ্বুদ্ধ করতে পেরেছিলেন, তাঁরাই সফলভাবে জনগণের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার পুনরুদ্ধার করেছেন। একজন প্রকৃত সম্মোহনী নেতা স্বৈরাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলে সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। উদ্দীপকের শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর মতো জনবান্ধব নেতৃত্বই জনগণকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে তাঁদের মৌলিক ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও